ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাগাতিপাড়ায় মসজিদের দানবাক্সের তালা ভেঙে টাকা চুরি, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল দুই চোর পঞ্চগড়ে সাবেক মেয়র ও জেলা পরিষদ প্রশাসক তৌহিদুল ইসলামের স্মরণে শোকসভা পঞ্চগড়ে এলএসটিডি প্রকল্পের প্রযুক্তি গ্রাম পরিদর্শন কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দলের রাজস্থলীতে ১৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক রাণীশংকৈলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫৩তম আবির্ভাব তিথি উদযাপন কোনো ভেদাভেদ থাকবে না, কোনো বৈষম্য থাকবে না-ধর্ম যার যার, বাংলাদেশটা সবার বাগাতিপাড়ায় ৪৫ টাকার চায়ের বিল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৩ নাটোর জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি বাকী শ্রীবরদীতে বিজিবির অভিযানে ১১ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস ও ইজিবাইক জব্দ নাটোর জেলা যুবলীগের কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা জাকারিয়া বুলবুলের

রাণীনগরে পানি সেচ না দেয়ায় প্রায় ৫০ বিঘা জমির ধান নষ্ট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১ ৪৫৮ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ
নওগার রাণীনগরে চলতি আমন মৌসুমে ধানের জমিতে সঠিকভাবে পানি সেচ না দেয়ায় প্রায় ৫০ বিঘা জমির ধান নষ্টের অভিযোগ ওঠেছে। এঘটনায় গভীর নলকূপ মালিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এবং ক্ষতিপূরণ চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বিএমডিএ এবং কৃষি কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন কৃষকরা।
জানা যায়, উপজেলার বেল ঘড়িয়া মৌজায় ৯৫ ও ৯৬ দাগে বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করে প্রায় ১৩০ বিঘা ধানের জমিতে পানি সেচ দেয়া হয়। গভীর নলকূপটির অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন একই এলাকার খাগড়া গ্রামের সাহান মহুরীর স্ত্রী বেবি খাতুন। বেবি খাতুনের আওতায় পানি সেচের দায়িত্বে রয়েছেন বেলঘড়িয়া গ্রামের সুকদেব ও স্বপন নামে দুই ব্যাক্তি। কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, গভীর নলকূপ স্থাপনের পর থেকে প্রায় প্রতিটি মৌসুমেই পানি সেচের টাকা নিলেও সঠিক ভাবে ধানে পানি সেচ দেয়া হয়না।ফলে পানি অভাবে তুলনা মূলকভাবে ধানের ফলন কমে যায়। চলতি আমন মৌসুমে শেষের দিকে অনা বৃষ্টি ও প্রচন্ড খড়ায় ধানের জমি শুখে যায়। প্রতি বিঘা জমিতে পানি সেচ দিতে এক হাজার টাকা করে মূল্য ধরেছেন গভীর নলকূপে দায়িত্বরতরা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী পানি সেচ দেয়নি। এঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ্য কৃষকরা গভীর নলকূপের মালিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এবং ক্ষতিপূরণ চেয়ে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্প ও কৃষি কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
কৃষক এবাদুল হক, আবু বক্কর সিদ্দিক, আলেফ হোসেন ও বজলুল হক জানান, পানির জন্য দায়িত্বে থাকা লোকজনকে বার বার বলেও জমিতে সঠিকভাবে পানি সেচ দেয়নি। ফলে পানি অভাবে ওই স্কিমের মধ্যে প্রায় ৫০ বিঘা আতব ধানের জমির মাটি ফেটে গেছে এবং ধানের শীষ মরে সাদা হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। যেখানে বিঘাপ্রতি প্রায় ১২/১৪ মন হারে ফলন হওয়ার কথা সেখানে হয়তো ২/৪ মন হারে ধান হতে পারে। আমরা এর ক্ষতিপূরণ ও সঠিক বিচার দাবি করছি।
এব্যাপারে গভীর নলকূপের অপারেটর বেবি খাতুন বলেন, নলকূপ আমার নামে আছে কিন্তু পানি সেচ বা সবকিছু করে বেলঘড়িয়া গ্রামের সুকদেব ও স্বপন। সেখানে কি হয়েছে এটা সঠিক বলতে পারবোনা।
পানি সেচের দায়িত্বে থাকা সুকদেব চন্দ্র বলেন, কৃষকরা যে অভিযোগ করেছে তা সঠিক নয়। ব্লাস্ট রোগে স্কিমের মধ্যে বেশ কিছু জমির ধান নষ্ট হয়েছে।
রাণীনগর উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী গোলাম ফারুক বলেন, পানি সেচের অভাবেই যদি কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়ে থাকেন তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাণীনগরে পানি সেচ না দেয়ায় প্রায় ৫০ বিঘা জমির ধান নষ্ট

আপডেট সময় : ০৩:৫১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ
নওগার রাণীনগরে চলতি আমন মৌসুমে ধানের জমিতে সঠিকভাবে পানি সেচ না দেয়ায় প্রায় ৫০ বিঘা জমির ধান নষ্টের অভিযোগ ওঠেছে। এঘটনায় গভীর নলকূপ মালিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এবং ক্ষতিপূরণ চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বিএমডিএ এবং কৃষি কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন কৃষকরা।
জানা যায়, উপজেলার বেল ঘড়িয়া মৌজায় ৯৫ ও ৯৬ দাগে বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করে প্রায় ১৩০ বিঘা ধানের জমিতে পানি সেচ দেয়া হয়। গভীর নলকূপটির অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন একই এলাকার খাগড়া গ্রামের সাহান মহুরীর স্ত্রী বেবি খাতুন। বেবি খাতুনের আওতায় পানি সেচের দায়িত্বে রয়েছেন বেলঘড়িয়া গ্রামের সুকদেব ও স্বপন নামে দুই ব্যাক্তি। কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, গভীর নলকূপ স্থাপনের পর থেকে প্রায় প্রতিটি মৌসুমেই পানি সেচের টাকা নিলেও সঠিক ভাবে ধানে পানি সেচ দেয়া হয়না।ফলে পানি অভাবে তুলনা মূলকভাবে ধানের ফলন কমে যায়। চলতি আমন মৌসুমে শেষের দিকে অনা বৃষ্টি ও প্রচন্ড খড়ায় ধানের জমি শুখে যায়। প্রতি বিঘা জমিতে পানি সেচ দিতে এক হাজার টাকা করে মূল্য ধরেছেন গভীর নলকূপে দায়িত্বরতরা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী পানি সেচ দেয়নি। এঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ্য কৃষকরা গভীর নলকূপের মালিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এবং ক্ষতিপূরণ চেয়ে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্প ও কৃষি কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
কৃষক এবাদুল হক, আবু বক্কর সিদ্দিক, আলেফ হোসেন ও বজলুল হক জানান, পানির জন্য দায়িত্বে থাকা লোকজনকে বার বার বলেও জমিতে সঠিকভাবে পানি সেচ দেয়নি। ফলে পানি অভাবে ওই স্কিমের মধ্যে প্রায় ৫০ বিঘা আতব ধানের জমির মাটি ফেটে গেছে এবং ধানের শীষ মরে সাদা হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। যেখানে বিঘাপ্রতি প্রায় ১২/১৪ মন হারে ফলন হওয়ার কথা সেখানে হয়তো ২/৪ মন হারে ধান হতে পারে। আমরা এর ক্ষতিপূরণ ও সঠিক বিচার দাবি করছি।
এব্যাপারে গভীর নলকূপের অপারেটর বেবি খাতুন বলেন, নলকূপ আমার নামে আছে কিন্তু পানি সেচ বা সবকিছু করে বেলঘড়িয়া গ্রামের সুকদেব ও স্বপন। সেখানে কি হয়েছে এটা সঠিক বলতে পারবোনা।
পানি সেচের দায়িত্বে থাকা সুকদেব চন্দ্র বলেন, কৃষকরা যে অভিযোগ করেছে তা সঠিক নয়। ব্লাস্ট রোগে স্কিমের মধ্যে বেশ কিছু জমির ধান নষ্ট হয়েছে।
রাণীনগর উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী গোলাম ফারুক বলেন, পানি সেচের অভাবেই যদি কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়ে থাকেন তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।