ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিংড়া থেকে হজযাত্রী নিয়ে মাছুম এয়ার ট্রাভেলসের যাত্রা শুরু বনপাড়ার পাওয়ার গ্রিড ডাকাতি: জেলখানায় বসেই পরিকল্পনা, ১৩ সদস্য গ্রেপ্তার আ’হত শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগে রাবি মেডিকেলে তালা রাঙামাটিতে সাংগ্রাই জল উৎসবে মাতোয়ারা মারমা তরুণ-তরুণী রায়গঞ্জে আগুনে পুড়ে ছাই দরিদ্র কৃষকের ঘরবাড়ি পঞ্চগড়ে মাদকসহ ৩ জন আটক, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ মোট ৪ জন গ্রেপ্তার রাজশাহীতে আলুর স্তূপে পচন, গরমে লোকসানের বোঝা বাড়ছে কৃষকের গোদাগাড়ীতে ডিজেল সংকটে নৌকা চলাচল বন্ধের পথে, অচল পদ্মা-মহানন্দার চরাঞ্চল রাজশাহীতে ক্রেতা সেজে অভিযান: তেল মজুদকারী আটক, জরিমানা ৫ হাজার টাকা সিংড়ায় পুকুরে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের ম/র্মা/ন্তি/ক মৃ’ত্যু

মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ফারজানার!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২ ২৩০ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ফারজানার!

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁওঃ
মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ফারজানার!
আদালতে মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ৭ম শ্রেণী মাদ্রাসার পড়ুয়া শিক্ষার্থী ফারজানার। উল্টো অপমানিত হতে হয়েছে প্রশাসনের কাছে ঐ শিক্ষার্থীকে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, সরকার যেখানে ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরাতে আনন্দ স্কুলসহ বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন করছে। সেখানে চাপোর পারব্বর্তীপুর দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রীকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়নি দাবী অভিভাবকের। এনিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষা গ্রহনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন জেলা প্রশাসকের দপ্তরে।
অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়, গত ২৭ নভেম্বর রাণীশংকৈল উপজেলায় বার্ষিক পরীক্ষা অনূষ্ঠিত হয়। সে পরীক্ষায় ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার যথাসময়ে পরীক্ষা দিতে যায় চাপোর পারব্বর্তীপুর দাখিল মাদ্রাসায়। সে সময় মাদ্রাসা সুপার তাকে বলেন যে তোমাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না। কারণ তোমার ছাত্রীত্ব বাতিল
করা হয়েছে। বিষয়টি অভিভাবক মহল জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহি অফিসারকে অবগত করেন। সেসময় ইউএনও সাহেব ঐ শিক্ষার্থী ও অভিভাবককে দেখা করতে বলেন।

পরীক্ষার্থী ফারজানা ও পিতা আনিকুল ইউএনও’র বাস ভবনের সামনে দেখা করতে গেলে ইউএনও তাদের ধমক দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন এবং বলেন যে তোমার মেয়েকে মাদ্রাসায় পড়াতে হবে না, ইসলাম শিক্ষা গ্রহন করে কি লাভ।তোমার মেয়েকে বিরাশি স্কুলে পরীক্ষা দেওয়াও। তাছাড়া তুমি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা করেছ।

এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার রমজান আলী বলেন, তারা আদালতে মামলা করেছে সব জবাব আদালতে দেব। তাছাড়া ঐ শিক্ষার্থীর ছাত্রীত্ব বাতিল করা হয়েছে।
বে-সরকারি নীতিমালায় একজন শিক্ষাথর্ীর ছাত্রীত্ব কি প্রক্রিয়ায় বাতিল করতে হয়
জানতে চাওয়া হলে তিনি তা জবাব না দিয়ে এড়িয়ে যান।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহি অফিসার সোহেল সুলতান জুরকার নাইন কবির বলেন, যেহেতু সে শিক্ষার্থীর নাম অন্য স্কুলে আছে সে কারণে তার ছাত্রীত্ব বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর আনিকুল ইসলাম বাদী হয়ে বিজ্ঞ রাণীশংকৈল সহকারী জজ আদালত ঠাকুরগাঁওয়ে ভুয়া ভোটার তালিকা করা এবং মাদ্রাসা সুপারের ভাই নিঃসন্তান মোজাম্মেল হককে ভোটার করার অভিযোগে মামলা করেন। যাহার মামলা নং ৭৩/২০২২।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ফারজানার!

আপডেট সময় : ০১:৪৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২

মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ফারজানার!

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁওঃ
মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ফারজানার!
আদালতে মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ৭ম শ্রেণী মাদ্রাসার পড়ুয়া শিক্ষার্থী ফারজানার। উল্টো অপমানিত হতে হয়েছে প্রশাসনের কাছে ঐ শিক্ষার্থীকে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, সরকার যেখানে ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরাতে আনন্দ স্কুলসহ বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন করছে। সেখানে চাপোর পারব্বর্তীপুর দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রীকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়নি দাবী অভিভাবকের। এনিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষা গ্রহনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন জেলা প্রশাসকের দপ্তরে।
অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়, গত ২৭ নভেম্বর রাণীশংকৈল উপজেলায় বার্ষিক পরীক্ষা অনূষ্ঠিত হয়। সে পরীক্ষায় ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার যথাসময়ে পরীক্ষা দিতে যায় চাপোর পারব্বর্তীপুর দাখিল মাদ্রাসায়। সে সময় মাদ্রাসা সুপার তাকে বলেন যে তোমাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না। কারণ তোমার ছাত্রীত্ব বাতিল
করা হয়েছে। বিষয়টি অভিভাবক মহল জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহি অফিসারকে অবগত করেন। সেসময় ইউএনও সাহেব ঐ শিক্ষার্থী ও অভিভাবককে দেখা করতে বলেন।

পরীক্ষার্থী ফারজানা ও পিতা আনিকুল ইউএনও’র বাস ভবনের সামনে দেখা করতে গেলে ইউএনও তাদের ধমক দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন এবং বলেন যে তোমার মেয়েকে মাদ্রাসায় পড়াতে হবে না, ইসলাম শিক্ষা গ্রহন করে কি লাভ।তোমার মেয়েকে বিরাশি স্কুলে পরীক্ষা দেওয়াও। তাছাড়া তুমি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা করেছ।

এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার রমজান আলী বলেন, তারা আদালতে মামলা করেছে সব জবাব আদালতে দেব। তাছাড়া ঐ শিক্ষার্থীর ছাত্রীত্ব বাতিল করা হয়েছে।
বে-সরকারি নীতিমালায় একজন শিক্ষাথর্ীর ছাত্রীত্ব কি প্রক্রিয়ায় বাতিল করতে হয়
জানতে চাওয়া হলে তিনি তা জবাব না দিয়ে এড়িয়ে যান।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহি অফিসার সোহেল সুলতান জুরকার নাইন কবির বলেন, যেহেতু সে শিক্ষার্থীর নাম অন্য স্কুলে আছে সে কারণে তার ছাত্রীত্ব বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর আনিকুল ইসলাম বাদী হয়ে বিজ্ঞ রাণীশংকৈল সহকারী জজ আদালত ঠাকুরগাঁওয়ে ভুয়া ভোটার তালিকা করা এবং মাদ্রাসা সুপারের ভাই নিঃসন্তান মোজাম্মেল হককে ভোটার করার অভিযোগে মামলা করেন। যাহার মামলা নং ৭৩/২০২২।