ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিংড়ায় স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে শ্লী/ল/তা/হা/নি/র চেষ্টা, গণ-ধো’লা’ইয়ের পর অটোরিকশাচালককে পুলিশে সোপর্দ মোহনপুরে কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, কাজের কিছুদিনেই উঠে যাচ্ছে রাস্তার ইট লালপুরে ৩০ পুরিয়া হেরোইনসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মোহনপুরে সড়ক পারাপারের সময় ট্রাকের ধাক্কায় ৮০ বছরের বৃদ্ধ নিহত মোহনপুরে সাড়ে তিন বছরের শি’শুকে ধ র্ষ ণে র চেষ্টার অভিযোগ এইচএসসি ফরম ফিলাপের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অফিস সহকারী গ্রেপ্তার রায়গঞ্জের হাটপাঙ্গাসী সড়কে গাছের মরা ডাল, বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় এলাকাবাসী রাজশাহীতে বোমা সন্দেহে আতঙ্ক, পরে মিলল মোটরসাইকেলের মিউজিক ডিভাইস পদ্মা রক্ষার দাবিতে রাজশাহীতে ‘রান ফর পদ্মা’ মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার সুযোগ পেলেন প্রবেশপত্রবঞ্চিত ১৮ পরীক্ষার্থী

মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ফারজানার!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২ ২৫৩ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ফারজানার!

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁওঃ
মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ফারজানার!
আদালতে মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ৭ম শ্রেণী মাদ্রাসার পড়ুয়া শিক্ষার্থী ফারজানার। উল্টো অপমানিত হতে হয়েছে প্রশাসনের কাছে ঐ শিক্ষার্থীকে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, সরকার যেখানে ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরাতে আনন্দ স্কুলসহ বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন করছে। সেখানে চাপোর পারব্বর্তীপুর দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রীকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়নি দাবী অভিভাবকের। এনিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষা গ্রহনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন জেলা প্রশাসকের দপ্তরে।
অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়, গত ২৭ নভেম্বর রাণীশংকৈল উপজেলায় বার্ষিক পরীক্ষা অনূষ্ঠিত হয়। সে পরীক্ষায় ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার যথাসময়ে পরীক্ষা দিতে যায় চাপোর পারব্বর্তীপুর দাখিল মাদ্রাসায়। সে সময় মাদ্রাসা সুপার তাকে বলেন যে তোমাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না। কারণ তোমার ছাত্রীত্ব বাতিল
করা হয়েছে। বিষয়টি অভিভাবক মহল জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহি অফিসারকে অবগত করেন। সেসময় ইউএনও সাহেব ঐ শিক্ষার্থী ও অভিভাবককে দেখা করতে বলেন।

পরীক্ষার্থী ফারজানা ও পিতা আনিকুল ইউএনও’র বাস ভবনের সামনে দেখা করতে গেলে ইউএনও তাদের ধমক দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন এবং বলেন যে তোমার মেয়েকে মাদ্রাসায় পড়াতে হবে না, ইসলাম শিক্ষা গ্রহন করে কি লাভ।তোমার মেয়েকে বিরাশি স্কুলে পরীক্ষা দেওয়াও। তাছাড়া তুমি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা করেছ।

এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার রমজান আলী বলেন, তারা আদালতে মামলা করেছে সব জবাব আদালতে দেব। তাছাড়া ঐ শিক্ষার্থীর ছাত্রীত্ব বাতিল করা হয়েছে।
বে-সরকারি নীতিমালায় একজন শিক্ষাথর্ীর ছাত্রীত্ব কি প্রক্রিয়ায় বাতিল করতে হয়
জানতে চাওয়া হলে তিনি তা জবাব না দিয়ে এড়িয়ে যান।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহি অফিসার সোহেল সুলতান জুরকার নাইন কবির বলেন, যেহেতু সে শিক্ষার্থীর নাম অন্য স্কুলে আছে সে কারণে তার ছাত্রীত্ব বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর আনিকুল ইসলাম বাদী হয়ে বিজ্ঞ রাণীশংকৈল সহকারী জজ আদালত ঠাকুরগাঁওয়ে ভুয়া ভোটার তালিকা করা এবং মাদ্রাসা সুপারের ভাই নিঃসন্তান মোজাম্মেল হককে ভোটার করার অভিযোগে মামলা করেন। যাহার মামলা নং ৭৩/২০২২।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ফারজানার!

আপডেট সময় : ০১:৪৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২

মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ফারজানার!

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁওঃ
মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ফারজানার!
আদালতে মামলা করায় পরীক্ষা দেওয়া হলো না ৭ম শ্রেণী মাদ্রাসার পড়ুয়া শিক্ষার্থী ফারজানার। উল্টো অপমানিত হতে হয়েছে প্রশাসনের কাছে ঐ শিক্ষার্থীকে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, সরকার যেখানে ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরাতে আনন্দ স্কুলসহ বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন করছে। সেখানে চাপোর পারব্বর্তীপুর দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রীকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়নি দাবী অভিভাবকের। এনিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষা গ্রহনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন জেলা প্রশাসকের দপ্তরে।
অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়, গত ২৭ নভেম্বর রাণীশংকৈল উপজেলায় বার্ষিক পরীক্ষা অনূষ্ঠিত হয়। সে পরীক্ষায় ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ফারজানা আক্তার যথাসময়ে পরীক্ষা দিতে যায় চাপোর পারব্বর্তীপুর দাখিল মাদ্রাসায়। সে সময় মাদ্রাসা সুপার তাকে বলেন যে তোমাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না। কারণ তোমার ছাত্রীত্ব বাতিল
করা হয়েছে। বিষয়টি অভিভাবক মহল জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহি অফিসারকে অবগত করেন। সেসময় ইউএনও সাহেব ঐ শিক্ষার্থী ও অভিভাবককে দেখা করতে বলেন।

পরীক্ষার্থী ফারজানা ও পিতা আনিকুল ইউএনও’র বাস ভবনের সামনে দেখা করতে গেলে ইউএনও তাদের ধমক দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন এবং বলেন যে তোমার মেয়েকে মাদ্রাসায় পড়াতে হবে না, ইসলাম শিক্ষা গ্রহন করে কি লাভ।তোমার মেয়েকে বিরাশি স্কুলে পরীক্ষা দেওয়াও। তাছাড়া তুমি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা করেছ।

এ প্রসঙ্গে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার রমজান আলী বলেন, তারা আদালতে মামলা করেছে সব জবাব আদালতে দেব। তাছাড়া ঐ শিক্ষার্থীর ছাত্রীত্ব বাতিল করা হয়েছে।
বে-সরকারি নীতিমালায় একজন শিক্ষাথর্ীর ছাত্রীত্ব কি প্রক্রিয়ায় বাতিল করতে হয়
জানতে চাওয়া হলে তিনি তা জবাব না দিয়ে এড়িয়ে যান।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহি অফিসার সোহেল সুলতান জুরকার নাইন কবির বলেন, যেহেতু সে শিক্ষার্থীর নাম অন্য স্কুলে আছে সে কারণে তার ছাত্রীত্ব বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর আনিকুল ইসলাম বাদী হয়ে বিজ্ঞ রাণীশংকৈল সহকারী জজ আদালত ঠাকুরগাঁওয়ে ভুয়া ভোটার তালিকা করা এবং মাদ্রাসা সুপারের ভাই নিঃসন্তান মোজাম্মেল হককে ভোটার করার অভিযোগে মামলা করেন। যাহার মামলা নং ৭৩/২০২২।