ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাটোরে মসজিদের উন্নয়নে ৫০ হাজার টাকা দিলেন সাবেক পৌর মেয়র প্রার্থী আল মামুন বড়াইগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু বাগাতিপাড়ায় একই বিদ্যালয়ে দুই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান সাপাহারে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ গোদাগাড়ীতে অবৈধ সার মজুদ, ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা; জব্দ ১৩২ বস্তা রাজশাহীতে অনুমোদনহীন কসমেটিকস বিক্রি, দুই প্রতিষ্ঠানকে লাখ টাকা জরিমানা বাগাতিপাড়ায় পানির সংকটে পাট জাগ, পুকুর ভাড়া বিঘাপ্রতি ২ হাজার টাকা লালপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু পঞ্চগড় জেলার বিভিন্ন সড়ক যেন মরণফাঁদ, গর্ত-খানাখন্দে চরম দুর্ভোগ মাউশির এসইডিপি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করল লালপুরের দুই শিক্ষার্থী

অবহেলা আর অযত্নে হারানোর পথে হরিপুর রাজবাড়ি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১ ৪৮৮ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাজমুল হোসেন, চ্যানেল এ নিউজঃ
ঠাকুরগাঁও জেলা শহর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে হরিপুর উপজেলার কেন্দ্রস্থলে আজও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে হরিপুর রাজবাড়ি।
১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে এই অট্টালিকার নির্মাণ কাজ শুরু করেন রায় ঘনশ্যাম কুন্ডুর বংশধর কেন্দ্র রায় চৌধুরী। আর এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন তার পুত্র যোগেন্দ্র নারায়ন রায় চৌধুরী।
যোগেন্দ্র নারায়ণের সমাপ্তকৃত রাজবাড়িটি দ্বিতল ভবনের লতা পাতার নকশা এবং পূর্ব দেওয়ালের শীর্ষে রাজশ্রী যোগেন্দ্র নারায়ণের চৌদ্দটি আবক্ষ মূর্তি রয়েছে।
রাজশ্রী যোগেন্দ্র বিদ্যানুরাগী ছিলেন জন্য গ্রন্থগারও নির্মাণ নির্মাণ করা হয় সে সময়।ভবনটির পূর্ব পাশে একটি শিব মন্দির এবং মন্দিরের সামনে নট মন্দির রয়েছে।
১৯০০ সালের দিকে ঘনশ্যামের বংশধররা বিভক্ত হলে হরিপুর রাজবাড়ি টি দুটি অংশে বিভক্ত হয়।
এই ঐতিহাসিক রাজবাড়িটি এখন অনেকটাই বিলুপ্তির পথে। দেখার নেই কেউ ! অবহেলা আর অযত্নে ঐতিহাসিক রাজবাড়িটি আজ যেন বিড়ান বাড়ি।
তবুও এই ঐতিহাসিক স্থানটিতে ঠাকুরগাঁও সহ দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ ঘুরতে আসে। স্থানীয়দের দাবি এই ঐতিহাসিক রাজবাড়ীটিকে রক্ষণাবেক্ষণ করে ঐতিহ্য ধরে রাখা সরকারের পাশাপাশি স্থানীয়দের এগিয়ে আসা উচিত ।
ঐখানকার স্থানীয়রা বলেন, বর্তমান সরকার এ রাজবাড়ী টিকে সংস্কার করে বিনোদনের স্থান দিতে পারেন। আমরা বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় বসবাস করি আমরা গরীব মানুষ আমাদের ছেলেমেলেরা  বিনোদনের জন্য দূরে কোথাও যেতে পারেন না। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের জোর দাবি এই রাস্তাটি সংস্কার করে বিনোদনের স্থান করার জন্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অবহেলা আর অযত্নে হারানোর পথে হরিপুর রাজবাড়ি

আপডেট সময় : ১২:২৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১

নাজমুল হোসেন, চ্যানেল এ নিউজঃ
ঠাকুরগাঁও জেলা শহর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে হরিপুর উপজেলার কেন্দ্রস্থলে আজও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে হরিপুর রাজবাড়ি।
১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে এই অট্টালিকার নির্মাণ কাজ শুরু করেন রায় ঘনশ্যাম কুন্ডুর বংশধর কেন্দ্র রায় চৌধুরী। আর এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন তার পুত্র যোগেন্দ্র নারায়ন রায় চৌধুরী।
যোগেন্দ্র নারায়ণের সমাপ্তকৃত রাজবাড়িটি দ্বিতল ভবনের লতা পাতার নকশা এবং পূর্ব দেওয়ালের শীর্ষে রাজশ্রী যোগেন্দ্র নারায়ণের চৌদ্দটি আবক্ষ মূর্তি রয়েছে।
রাজশ্রী যোগেন্দ্র বিদ্যানুরাগী ছিলেন জন্য গ্রন্থগারও নির্মাণ নির্মাণ করা হয় সে সময়।ভবনটির পূর্ব পাশে একটি শিব মন্দির এবং মন্দিরের সামনে নট মন্দির রয়েছে।
১৯০০ সালের দিকে ঘনশ্যামের বংশধররা বিভক্ত হলে হরিপুর রাজবাড়ি টি দুটি অংশে বিভক্ত হয়।
এই ঐতিহাসিক রাজবাড়িটি এখন অনেকটাই বিলুপ্তির পথে। দেখার নেই কেউ ! অবহেলা আর অযত্নে ঐতিহাসিক রাজবাড়িটি আজ যেন বিড়ান বাড়ি।
তবুও এই ঐতিহাসিক স্থানটিতে ঠাকুরগাঁও সহ দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ ঘুরতে আসে। স্থানীয়দের দাবি এই ঐতিহাসিক রাজবাড়ীটিকে রক্ষণাবেক্ষণ করে ঐতিহ্য ধরে রাখা সরকারের পাশাপাশি স্থানীয়দের এগিয়ে আসা উচিত ।
ঐখানকার স্থানীয়রা বলেন, বর্তমান সরকার এ রাজবাড়ী টিকে সংস্কার করে বিনোদনের স্থান দিতে পারেন। আমরা বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় বসবাস করি আমরা গরীব মানুষ আমাদের ছেলেমেলেরা  বিনোদনের জন্য দূরে কোথাও যেতে পারেন না। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের জোর দাবি এই রাস্তাটি সংস্কার করে বিনোদনের স্থান করার জন্য।