ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট ও সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে পঞ্চগড়ে ক্যাবের মানববন্ধন
- আপডেট সময় : ০৮:১৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট ও সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে পঞ্চগড়ে ক্যাবের মানববন্ধন
সরকার নির্ধারিত দামে তেল বিক্রি নিশ্চিত, মজুতদারদের শাস্তি ও বাজার তদারকি জোরদারের দাবি
ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট চক্রের কারসাজিতে বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রির প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) পঞ্চগড় জেলা শাখা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে পঞ্চগড়-ঢাকা মহাসড়কের পাশে এ কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে ভোজ্যতেলের বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়।
ক্যাবের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সরকার নির্ধারিত দামে ভোজ্যতেল বিক্রি অবিলম্বে নিশ্চিত করা, সয়াবিন তেলের বাজারে সক্রিয় সিন্ডিকেট চক্র চিহ্নিত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, বাজারে নিয়মিত ও কার্যকর তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করা, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও মজুতদারির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং নন-ফুড গ্রেড ড্রামে তেল সংরক্ষণ ও বিক্রি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা ক্যাবের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন প্রধান, সাধারণ সম্পাদক নাজিমউদ্দীন, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র রায়, দেশ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জহিরুল ইসলাম এবং গণমাধ্যমকর্মী ও ক্যাবের সহ-সভাপতি শহীদুল ইসলাম শহীদ।
বক্তারা বলেন, সরকার নির্ধারিত দামে খোলা সয়াবিন তেলের মূল্য ১৮৫ টাকা এবং বোতলজাত তেলের মূল্য ১৭০ টাকা হলেও বাস্তবে বাজারে বোতলজাত তেল ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ নির্ধারিত দামের তুলনায় প্রতি লিটারে প্রায় ৩০ টাকা বেশি আদায় করা হচ্ছে।
তাদের দাবি, এ চিত্র প্রমাণ করে বাজারে কার্যকর তদারকির ঘাটতি রয়েছে এবং অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। এতে সাধারণ ভোক্তারা ন্যায্য মূল্যে প্রয়োজনীয় পণ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
বক্তারা আরও বলেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে পণ্যের সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা একটি সংগঠিত প্রতারণা। এটি শুধু বাজার অস্থিরতার কারণ নয়, বরং ভোক্তার ন্যায্য মূল্যে পণ্য প্রাপ্তি ও নিরাপদ খাদ্য গ্রহণের অধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
সমাবেশ থেকে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।




















