ঠাকুরগাঁওয়ে ২৪ ঘণ্টায় তিন মৃত্যু-তরুণের আ/ত্ম/হ/ত্যা/সহ নানা ঘটনায় প্রা/ণহা/নি
- আপডেট সময় : ১০:০৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ৭২ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ে ২৪ ঘণ্টায় তিন মৃত্যু-তরুণের আ/ত্ম/হ/ত্যা/সহ নানা ঘটনায় প্রা/ণহা/নি
পরীক্ষায় ব্যর্থতা, অসুস্থতা ও নিখোঁজের পর মরদেহ উদ্ধার; পৃথক ঘটনায় ইউডি মামলা
ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় পৃথক তিনটি ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে এক কলেজছাত্রের আত্মহত্যা, এক বৃদ্ধের বিষপানে মৃত্যু এবং নিখোঁজের একদিন পর এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল ১০টার মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ জানিয়েছে, প্রতিটি ঘটনায় অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ভূল্লী থানার দেবীপুর ইউনিয়নের মুজাবর্নী গ্রামে অনার্স পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে অচিন্ত রায় (২৫) নামে এক তরুণ আত্মহত্যা করেছেন। তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্বজনদের ভাষ্য, পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। সোমবার দিবাগত রাতে মায়ের সঙ্গে কথাবার্তার একপর্যায়ে অভিমান করেন। পরে রাত ২টার দিকে ঘরের ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামে তসির উদ্দীন (৬২) নামে এক ব্যক্তি বিষপান করে মারা গেছেন। পরিবারের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। সোমবার সকালে পরিবারের অগোচরে কীটনাশক পান করলে তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার তার মৃত্যু হয়।
এদিকে, একই উপজেলার বানাগাঁও গ্রামে নিখোঁজের একদিন পর কনি রাম সিংহ (৫৭) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি কিছুদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। গত রোববার বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরদিন সকালে বাড়ির কাছে একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বুলবুল ইসলাম জানান, উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় ইউডি মামলা হয়েছে। ভূল্লী থানার ওসি নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, আত্মহত্যার ঘটনায় সেখানেও একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, তিনটি ঘটনার কোনোটিতেই পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফন বা সৎকারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।




















