বাগাতিপাড়ায় ইমামের ওপর হা’মলার পর ভাইকেও কু/পিয়ে জখম
- আপডেট সময় : ০৩:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ৪৬৮ বার পড়া হয়েছে

বাগাতিপাড়ায় ইমামের ওপর হা’মলার পর ভাইকেও কু/পিয়ে জখম
গুরুতর আহত অবস্থায় রামেক হাসপাতালে ভর্তি
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় একটি মসজিদ কমিটি নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় এক মসজিদের ইমাম আবুল খায়েরের ওপর হামলার ঘটনার পরদিনই তার ছোট ভাই ইয়াকুব আলী কুবাদের ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরপর দুই দিনে একই পরিবারের দুই সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম আবুল খায়েরের ওপর দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেন। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এ পাঠানো হয়।
এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে ইমাম আবুল খায়েরের ছোট ভাই ইয়াকুব আলী কুবাদের ওপর আবারও হামলার ঘটনা ঘটে। আবুল খায়ের ও ইয়াকুব আলী কুবাদ উপজেলার পৌরসভা এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে।
জানা যায়, ইয়াকুব আলী কুবাদ পাশের গ্রামে তার চাচার বাড়িতে যাওয়ার পথে একা পেয়ে ৪–৫ জন হামলাকারী তাকে ঘিরে ধরে মারধর শুরু করে। প্রাণ বাঁচাতে তিনি দৌড়ে পাশের মোজাম্মেলের বাড়িতে আশ্রয় নিতে গেলে হামলাকারীরা সেখানেও ঢুকে তাকে বেধড়ক মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
আহত ইয়াকুব আলী কুবাদ জানান, হামলাকারীদের মধ্যে মিরাজ, মিরাজের ছেলে মেহেদী ও সাইফুলসহ আরও কয়েকজন ছিলেন, যারা এর আগেও তার বড় ভাইকে জখম করেছিল।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ইয়াকুব আলী কুবাদকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার সজিবুর রহমান বলেন, রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে পৌরসভার ঠুনিপাড়া মহল্লার সাবেক কমিশনার মহসিন আলি দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
বাগাতিপাড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুরুল আলম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।























