পঞ্চগড়ে ডাকাতির রহস্য উদঘাটন: ৬ জন গ্রেফতার, প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার
- আপডেট সময় : ০৪:০০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬ ৫১৭ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ে ডাকাতির রহস্য উদঘাটন: ৬ জন গ্রেফতার, প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার
লুণ্ঠিত মালামাল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, মূল পরিকল্পনাকারী প্রতিবেশী
পঞ্চগড়ে সংঘটিত এক চাঞ্চল্যকর ডাকাতির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় লুণ্ঠিত মালামাল ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে পঞ্চগড় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের যুগিভিটা এলাকায় প্রিন্সিপাল মফিজার রহমান কলেজের অধ্যক্ষ মো. নুরুল্লাহর বাড়িতে সশস্ত্র ডাকাত দল হানা দেয়। এ সময় তারা পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে প্রায় ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার (মূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা), নগদ ২ লাখ ২০ হাজার টাকা ও একটি স্মার্টফোন লুট করে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা দায়ের হলে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ডিবি পুলিশের একটি দল এসআই মো. আবু হোসেন ও এসআই মো. নাহিদ হাসানের নেতৃত্বে তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ৪ মার্চ গভীর রাতে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৫ মার্চ রাত ১টা ৩৫ মিনিটে মূল পরিকল্পনাকারী মো. আলম (৩৭) কে তার নিজ এলাকা যুগিভিটা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মজিবর রহমান (৩৫), রমজান আলী (৩০), সাদ্দাম হোসেন (৩০), আশিক (১৯), জুবায়ের ওরফে জিদান (১৯) ও মো. আলম (৩৭)।
পুলিশ জানায়, তাদের তথ্যের ভিত্তিতে লুণ্ঠিত একটি স্মার্টফোন, একটি সিম কার্ড এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি সাবল, একটি ছোট ছুরি ও দুটি বড় ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তদন্তে জানা গেছে, মূল পরিকল্পনাকারী আলম ভুক্তভোগী নুরুল্লাহর প্রতিবেশী। আর্থিক সংকটের কারণে তিনি নুরুল্লাহ হজে যাওয়ার সময় বাড়িতে ডাকাতির পরিকল্পনা করেন এবং সহযোগীদের নিয়ে ঘটনাটি ঘটান।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আলম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে সাদ্দাম, জুবায়ের ওরফে জিদান, রমজান, মজিবর ও আশিক দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং আলম জেলহাজতে রয়েছেন।























