রাজশাহী-১ আসনে জামায়াত প্রার্থী মুজিবুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
- আপডেট সময় : ০২:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৬২ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী-১ আসনে জামায়াত প্রার্থী মুজিবুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
গোদাগাড়ীতে বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিএনপি প্রার্থীকে ১,৮৮৪ ভোটে পরাজিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
এ আসনের মোট ১৬০টি কেন্দ্রের ফলাফলে জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী শরীফ উদ্দীন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯০২ ভোট। ফলে ১ হাজার ৮৮৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন তিনি।
দুই উপজেলার ফলাফলে দেখা যায়, গোদাগাড়ী উপজেলায় মুজিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৪৬০ ভোট এবং তানোর উপজেলায় পেয়েছেন ৬২ হাজার ৩২৪ ভোট। এছাড়া তিনি পোস্টাল ভোট পেয়েছেন ২ হাজার ২টি।
অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী শরীফ উদ্দীন গোদাগাড়ীতে পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৩৩৬ ভোট এবং তানোরে পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৬৭৪ ভোট। তার পোস্টাল ভোট ছিল ৮৯২টি।
এ ছাড়া এবি পার্টির প্রার্থী আব্দুর রহমান মুহাসেনী (ঈগল) পেয়েছেন ১ হাজার ৮০ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী আল সাআদ (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ৬৫০ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের মীর মোহাম্মদ শাহজাহান (ট্রাক) পেয়েছেন ৩৯৬ ভোট।
নির্বাচন কর্মকর্তারা জানান, পোস্টাল ভোটে ব্যবধান আরও বৃদ্ধি পায়। পোস্টাল ভোটে জামায়াত প্রার্থী ২ হাজার ২ ভোট এবং বিএনপি প্রার্থী ৮৯২ ভোট পাওয়ায় চূড়ান্ত ব্যবধান দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৮৪ ভোটে।
একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৯৬০টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৭৪ হাজার ৯৪৯টি। এর মধ্যে গোদাগাড়ীতে ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৫১ হাজার ২০৯ এবং তানোরে ৮৬ হাজার ৭৫১টি। অন্যদিকে গোদাগাড়ীতে ‘না’ ভোট ৪২ হাজার ৭৬৩ এবং তানোরে ৩২ হাজার ১৮৬টি।
ফলাফল ঘোষণার পর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান সমর্থকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দুই প্রধান প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান কম হওয়ায় আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল তীব্র। বিশেষ করে তানোরে বিএনপি এগিয়ে থাকলেও গোদাগাড়ীতে জামায়াত প্রার্থীর বড় ব্যবধানই শেষ পর্যন্ত ফল নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছে। এ ফলাফল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।




















