পঞ্চগড়ে শীতের দাপটে কাপছে জনজীবন, তাপমাত্রা ১১.৫ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে
- আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ৩০২ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ে শীতের দাপটে কাপছে জনজীবন, তাপমাত্রা ১১.৫ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে
মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন মেঘে রোদের দেখা নেই, বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ
দেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বেড়েছে গরম কাপড়ের চাহিদা ও বেচাকেনা, বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ।
তেতুঁলিয়া আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ থেকে ১০০ শতাংশ। যদিও তাপমাত্রার পারদ এক অঙ্ক থেকে দুই অঙ্কে উঠেছে, তবে শীতের তীব্রতা কমেনি।
গত কয়েক দিন সকাল পেরিয়ে দুপুরের আগে সূর্যের দেখা মিললেও শনিবার সারাদিন আকাশ ছিল মেঘে ঢাকা। রোদের দেখা না মেলায় শীত আরও তীব্র অনুভূত হয়। ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
এর আগের দিন শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেদিন কিছুটা রোদ থাকলেও শীতের অনুভূতি ছিল প্রবল।
আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, চলতি মৌসুমে ১৯ ডিসেম্বর পঞ্চগড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এরপর থেকে তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে। এ মৌসুমে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রির ঘরে অবস্থান করছে।
শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ। বোদা উপজেলার সোনাচান্দি এলাকার ভ্যানচালক আমিনুর রহমান (৩০) বলেন, “এমন শীতে ভাড়া পাওয়া যায় না। সকালে বের হলেও যাত্রী মেলে না। ঠান্ডায় শরীর জমে আসে।”
এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে ভিড় বেড়েছে। সোয়েটার, কম্বল, জ্যাকেট ও শাল বিক্রি বেড়েছে কয়েকগুণ।
তেতুঁলিয়া আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক রোকনুজ্জামান জানান, “মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশা আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। দুই থেকে তিন দিন সূর্যের দেখা না-ও মিলতে পারে। ফলে শীত আরও বাড়তে পারে।”


























