ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাটোরে শিশুদের বইপাঠ ও গাছ চেনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে ঘুঘুর ছানা ধরতে গিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কিশোরের মৃত্যু দুই মাস ধরে ভাঙা কালভার্ট, চরম দুর্ভোগে বাগাতিপাড়া পৌরসভার হাজারো মানুষ বাগাতিপাড়ার মালঞ্চি বাজারে সিঁদ কেটে সাড়ে ৩ লাখ টাকার কীটনাশক চুরি মান্দায় ট্রাক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারে আর্থিক সহায়তায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন জয়পুরহাটে পিকনিকের বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে শি’শু হামিম’র মৃ/ত্যু মাধবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধ-র্ষ-ণে-র অভিযোগ, এক আসামি গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২৮ জনকে পুশ-ইন, বিজিবির বাধায় শুন্যরেখায় অবস্থান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ দেবীগঞ্জে মামী-ভাগ্নীকে ধ র্ষ ণে র অভিযোগ, ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রায়গঞ্জে তীব্র শীতে ফুটপাতে বেড়েছে গরম কাপড় কেনাকাটার ধুম

মোঃ মোকাদ্দেস হোসাইন সোহান, রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬ ৩২০ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রায়গঞ্জে তীব্র শীতে ফুটপাতে বেড়েছে গরম কাপড় কেনাকাটার ধুম

ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত জনজীবন, ফুটপাতই ভরসা নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে গত কয়েকদিনের তীব্র শীতে বেড়েছে ফুটপাতে গরম কাপড় কেনাকাটার ধুম। পৌষ মাসের শুরু থেকেই শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকে। কনকনে ঠান্ডার সঙ্গে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

তীব্র শীতের কারণে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের ফুটপাতের দোকানগুলোতে বেড়েছে গরম কাপড়ের চাহিদা। নিম্ন মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে দিনমজুর, রিকশাচালক, কৃষক ও সাধারণ মানুষ ফুটপাতের দোকানগুলো থেকেই শীত নিবারণের জন্য সোয়েটার, জ্যাকেট, চাদর, মাফলার ও কম্বল কিনছেন।

উপজেলার নিমগাছি, চান্দাইকোনা, ধানগড়া ও পাঙ্গাসী এলাকার ফুটপাত ঘুরে দেখা যায়, গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়। বিক্রেতারা জানান, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রিও বেড়েছে।

পাঙ্গাসী বাজার সিএনজি স্টেশন এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার হাটবারে সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হয়। ওই দিনগুলোতে সকাল থেকেই ক্রেতাদের ভিড় থাকে। তবে হাট ছাড়া অন্য দিনগুলোতে বিক্রি তুলনামূলক কম হয়।

গোতগাতি গ্রামের লুৎফর রহমান বলেন, “আমাদের মতো গরিব মানুষের পক্ষে দামি শীতের পোশাক কেনা সম্ভব না। ফুটপাতের দোকানই আমাদের একমাত্র ভরসা। কম দামে কিছু না কিছু পাওয়া যায়, তাই এখান থেকেই কিনি।”

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আপাতত শীতের তীব্রতা কমার সম্ভাবনা নেই। ফলে সামনের দিনগুলোতে শীতের কষ্ট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রায়গঞ্জে তীব্র শীতে ফুটপাতে বেড়েছে গরম কাপড় কেনাকাটার ধুম

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

রায়গঞ্জে তীব্র শীতে ফুটপাতে বেড়েছে গরম কাপড় কেনাকাটার ধুম

ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত জনজীবন, ফুটপাতই ভরসা নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে গত কয়েকদিনের তীব্র শীতে বেড়েছে ফুটপাতে গরম কাপড় কেনাকাটার ধুম। পৌষ মাসের শুরু থেকেই শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকে। কনকনে ঠান্ডার সঙ্গে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

তীব্র শীতের কারণে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের ফুটপাতের দোকানগুলোতে বেড়েছে গরম কাপড়ের চাহিদা। নিম্ন মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে দিনমজুর, রিকশাচালক, কৃষক ও সাধারণ মানুষ ফুটপাতের দোকানগুলো থেকেই শীত নিবারণের জন্য সোয়েটার, জ্যাকেট, চাদর, মাফলার ও কম্বল কিনছেন।

উপজেলার নিমগাছি, চান্দাইকোনা, ধানগড়া ও পাঙ্গাসী এলাকার ফুটপাত ঘুরে দেখা যায়, গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়। বিক্রেতারা জানান, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রিও বেড়েছে।

পাঙ্গাসী বাজার সিএনজি স্টেশন এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার হাটবারে সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হয়। ওই দিনগুলোতে সকাল থেকেই ক্রেতাদের ভিড় থাকে। তবে হাট ছাড়া অন্য দিনগুলোতে বিক্রি তুলনামূলক কম হয়।

গোতগাতি গ্রামের লুৎফর রহমান বলেন, “আমাদের মতো গরিব মানুষের পক্ষে দামি শীতের পোশাক কেনা সম্ভব না। ফুটপাতের দোকানই আমাদের একমাত্র ভরসা। কম দামে কিছু না কিছু পাওয়া যায়, তাই এখান থেকেই কিনি।”

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আপাতত শীতের তীব্রতা কমার সম্ভাবনা নেই। ফলে সামনের দিনগুলোতে শীতের কষ্ট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।