ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিংড়ায় জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সালিশ অমান্য করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ নাটোরে ফিলিং স্টেশনে বাইকারদের ওপর হামলার অভিযোগ বাগাতিপাড়ায় মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, ইয়াবাসহ ভ্যানচালক আটক পঞ্চগড়ে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় রংপুরে আটক ২ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গু/লি/তে বিজিবি সদস্য আহত রাজশাহীতে অ/স্ত্রসহ আটক কিশোরকে উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশ অবরু/দ্ধ রাজশাহীতে যুবলীগ নেতার পুকুরে বি/ষ, ৩০ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ রাজশাহীতে সড়ক দু’র্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃ’ত্যু বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থান, আ/ত্ম/হ/ত্যার হু’মকি গোদাগাড়ীতে পাগলা কুকুরের তাণ্ডব, শিশুসহ আহত ৫

বিআরটিএ’র রাজশাহী সার্কেল অফিসে গ্রাহকসেবা বন্ধ

এম এম মামুন, নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪ ২৩৮ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিআরটিএ’র রাজশাহী সার্কেল অফিসে গ্রাহকসেবা বন্ধ

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) রাজশাহী সার্কেল অফিসে গ্রাহকসেবা বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন সেবা নিতে আসা গ্রাহকরা। বুধবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১০ টার পর বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) রাজশাহী সার্কেল অফিসে গিয়ে দেখা গেছে, প্রধান ফটক দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতেই মূল ফটকে ঝুলানো ব্যানারে লাল রঙে লেখা- ‘সকল ধরনের সেবা প্রদান বন্ধ’। গত ১৯ জুলাই ঢাকা সদর কার্যালয়ে সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রাজশাহী বিআরটিএর গ্রাহক পর্যায়ের সব সেবা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে না জেনে অনেক গ্রাহক সেবা নিতে গিয়ে যাচ্ছেন ফেরত, পড়ছেন ভোগান্তিতে। আর গ্রাহক পর্যায়ের সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অলস সময় পার করছেন বিআরটিএ কর্মকর্তারা।

রাজশাহী বিআরটিএ কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ১৯ জুলাই দুষ্কৃতকারীদের হামলায় বিআরটিএর সদর কার্যালয়ে রক্ষিত সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিআরটিএ রাজশাহী সার্কেল কার্যালয়ে সব ধরনের গ্রাহকসেবা প্রদান বন্ধ রয়েছে। বুধবার সরেজমিনে রাজশাহী বিআরটিএ কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, রাজশাহী বিভাগীয় ও জেলা বিআরটিএ কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অফিসে এসেছেন ঠিকই। কিন্তু তারা আরাম-আয়েশ ও মোবাইল ফোন ঘেঁটে সময় পার করছেন। মূল ফটকের ভেতরে কার্যালয় চত্বরে কয়েকজন আনসার সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। প্রধান ফটকের ডানপাশে সেবা কার্যক্রম বন্ধের কথা উল্লেখ করে লাল অক্ষরে ছোট্ট ব্যানার টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এরপরও ভবনের গেটে বেশ কয়েকজন গ্রাহককে সেবা নিতে যেতে দেখা গেছে। সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকার বিষয়টি এর আগে বিজ্ঞপ্তি আকারে গণমাধ্যমে প্রচার করা হলেও অনেক গ্রাহক বিষয়টি না জেনেই সেবা নিতে এসে ফিরে যাচ্ছেন। শুধু দুর্ঘটনার রিপোর্টের বিষয়ে পর্যালোচনা ছাড়া রাজশাহী বিআরটিএ অফিসে কোনো কাজই করা হচ্ছে না।

রাজশাহী বিআরটিএ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সাধারণত রাজশাহী বিআরটিএ কার্যালয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন, মোটরযান নিবন্ধন, রিকন্ডিশন মোটরযানের নিবন্ধন, রেট্রো রিফ্লেক্টিভ নাম্বার প্লেট প্রদান কার্যক্রম, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সনদ প্রদান কার্যক্রম, ফিটনেসের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট কার্যক্রম, মোটরযানের মালিকানা বদলি, মোটরযান এনডোর্সমেন্ট, ইঞ্জিন পরিবর্তন, টায়ারের সাইজ (প্রস্থ) পরিবর্তন, ফিটনেস নবায়ন, ট্যাক্স টোকেন নবায়ন, রুট পারমিট নবায়ন ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম হয়ে থাকে। কিন্তু গত ১৯ জুলাইয়ের পর থেকে এ সব সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
বুধবার সেবা নিতে আসা এক ব্যক্তি জানান, গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের জন্য এসেছিলেন বিআরটিএ কার্যালয়ে। তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম না যে, গ্রাহকসেবার সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূর থেকে আমি এসেছি। কর্তৃপক্ষ বলছে, ঢাকা থেকে সার্ভার বন্ধ থাকায় তারা কাজ করছে পারছেন না। আগামী রোববার নাগাদ সেবা কার্যক্রম চালু হতে পারে বলে তারা জানিয়েছেন।’

ফিটনেস নবায়নের জন্য এসেছিলেন আবু বাক্কার নামের এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, ‘সেবা কার্যক্রম বন্ধের বিষয়ে নাকি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কবে কোন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল তা আমার চোখে পড়েনি। আমি ফিটনেস নবায়নের কাজে এসেছিলাম। কিন্তু কাজ না হওয়ায় ফিরে যাচ্ছি। এভাবে মঙ্গলবার সকালে দেড় ঘণ্টায় অন্তত ১০ গ্রাহককে সেবা নিতে এসে ফিরে যেতে দেখা গেছে।

বিআরটিএর রাজশাহী বিভাগীয় সার্কেলের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) শফিকুজ্জামান ভূঞা বলেন, ‘স্বাভাবিক সময়ে সাধারণত রাজশাহী বিআরটিএ কার্যালয়ে ফিটনেস ও নিবন্ধনের জন্য দৈনিক গড়ে ৩০-৪০ গ্রাহক সেবা নিতে আসত। ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য সপ্তাহে যে পরীক্ষা নেওয়া হতো তাতে অন্তত ২৫০-৩০০ জন অংশ নিত। কিন্তু ঢাকায় সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আপাতত বিভাগীয় পর্যায়ের সব সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সেবা কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গ্রাহকরা যাতে মাঠপর্যায়ে ভোগান্তির শিকার না হন সেজন্য গত ১৬ জুলাই থেকে যাদের মোটরযান ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, অগ্রিম আয়কর, রুট পারমিট, ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন সংক্রান্ত কাগজপত্রের মেয়াদ ১৯ জুলাই অতিক্রান্ত হয়েছে বা ১৫ সেপ্টেম্বর অতিক্রান্ত হবে, তাদের মোটরযানের উল্লিখিত সেবা সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রে বৈধতার মেয়াদ ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করে গত সপ্তাহ (বুধবার) আমাদের মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে। সুতরাং সাময়িকভাবে সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় গ্রাহকদের বিপদে পড়ারও কোনো সম্ভাবনা নেই।’ তবে খুব দ্রুত সেবা কার্যক্রম চালু হবে বলেও আশাপ্রকাশ করেন এই বিআরটিএ কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিআরটিএ’র রাজশাহী সার্কেল অফিসে গ্রাহকসেবা বন্ধ

আপডেট সময় : ০৩:৫১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪

বিআরটিএ’র রাজশাহী সার্কেল অফিসে গ্রাহকসেবা বন্ধ

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) রাজশাহী সার্কেল অফিসে গ্রাহকসেবা বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন সেবা নিতে আসা গ্রাহকরা। বুধবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১০ টার পর বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) রাজশাহী সার্কেল অফিসে গিয়ে দেখা গেছে, প্রধান ফটক দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতেই মূল ফটকে ঝুলানো ব্যানারে লাল রঙে লেখা- ‘সকল ধরনের সেবা প্রদান বন্ধ’। গত ১৯ জুলাই ঢাকা সদর কার্যালয়ে সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রাজশাহী বিআরটিএর গ্রাহক পর্যায়ের সব সেবা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে না জেনে অনেক গ্রাহক সেবা নিতে গিয়ে যাচ্ছেন ফেরত, পড়ছেন ভোগান্তিতে। আর গ্রাহক পর্যায়ের সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অলস সময় পার করছেন বিআরটিএ কর্মকর্তারা।

রাজশাহী বিআরটিএ কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ১৯ জুলাই দুষ্কৃতকারীদের হামলায় বিআরটিএর সদর কার্যালয়ে রক্ষিত সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিআরটিএ রাজশাহী সার্কেল কার্যালয়ে সব ধরনের গ্রাহকসেবা প্রদান বন্ধ রয়েছে। বুধবার সরেজমিনে রাজশাহী বিআরটিএ কার্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, রাজশাহী বিভাগীয় ও জেলা বিআরটিএ কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অফিসে এসেছেন ঠিকই। কিন্তু তারা আরাম-আয়েশ ও মোবাইল ফোন ঘেঁটে সময় পার করছেন। মূল ফটকের ভেতরে কার্যালয় চত্বরে কয়েকজন আনসার সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। প্রধান ফটকের ডানপাশে সেবা কার্যক্রম বন্ধের কথা উল্লেখ করে লাল অক্ষরে ছোট্ট ব্যানার টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এরপরও ভবনের গেটে বেশ কয়েকজন গ্রাহককে সেবা নিতে যেতে দেখা গেছে। সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকার বিষয়টি এর আগে বিজ্ঞপ্তি আকারে গণমাধ্যমে প্রচার করা হলেও অনেক গ্রাহক বিষয়টি না জেনেই সেবা নিতে এসে ফিরে যাচ্ছেন। শুধু দুর্ঘটনার রিপোর্টের বিষয়ে পর্যালোচনা ছাড়া রাজশাহী বিআরটিএ অফিসে কোনো কাজই করা হচ্ছে না।

রাজশাহী বিআরটিএ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সাধারণত রাজশাহী বিআরটিএ কার্যালয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন, মোটরযান নিবন্ধন, রিকন্ডিশন মোটরযানের নিবন্ধন, রেট্রো রিফ্লেক্টিভ নাম্বার প্লেট প্রদান কার্যক্রম, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সনদ প্রদান কার্যক্রম, ফিটনেসের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট কার্যক্রম, মোটরযানের মালিকানা বদলি, মোটরযান এনডোর্সমেন্ট, ইঞ্জিন পরিবর্তন, টায়ারের সাইজ (প্রস্থ) পরিবর্তন, ফিটনেস নবায়ন, ট্যাক্স টোকেন নবায়ন, রুট পারমিট নবায়ন ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম হয়ে থাকে। কিন্তু গত ১৯ জুলাইয়ের পর থেকে এ সব সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
বুধবার সেবা নিতে আসা এক ব্যক্তি জানান, গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের জন্য এসেছিলেন বিআরটিএ কার্যালয়ে। তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম না যে, গ্রাহকসেবার সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূর থেকে আমি এসেছি। কর্তৃপক্ষ বলছে, ঢাকা থেকে সার্ভার বন্ধ থাকায় তারা কাজ করছে পারছেন না। আগামী রোববার নাগাদ সেবা কার্যক্রম চালু হতে পারে বলে তারা জানিয়েছেন।’

ফিটনেস নবায়নের জন্য এসেছিলেন আবু বাক্কার নামের এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, ‘সেবা কার্যক্রম বন্ধের বিষয়ে নাকি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কবে কোন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল তা আমার চোখে পড়েনি। আমি ফিটনেস নবায়নের কাজে এসেছিলাম। কিন্তু কাজ না হওয়ায় ফিরে যাচ্ছি। এভাবে মঙ্গলবার সকালে দেড় ঘণ্টায় অন্তত ১০ গ্রাহককে সেবা নিতে এসে ফিরে যেতে দেখা গেছে।

বিআরটিএর রাজশাহী বিভাগীয় সার্কেলের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) শফিকুজ্জামান ভূঞা বলেন, ‘স্বাভাবিক সময়ে সাধারণত রাজশাহী বিআরটিএ কার্যালয়ে ফিটনেস ও নিবন্ধনের জন্য দৈনিক গড়ে ৩০-৪০ গ্রাহক সেবা নিতে আসত। ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য সপ্তাহে যে পরীক্ষা নেওয়া হতো তাতে অন্তত ২৫০-৩০০ জন অংশ নিত। কিন্তু ঢাকায় সার্ভার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আপাতত বিভাগীয় পর্যায়ের সব সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সেবা কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গ্রাহকরা যাতে মাঠপর্যায়ে ভোগান্তির শিকার না হন সেজন্য গত ১৬ জুলাই থেকে যাদের মোটরযান ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, অগ্রিম আয়কর, রুট পারমিট, ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন সংক্রান্ত কাগজপত্রের মেয়াদ ১৯ জুলাই অতিক্রান্ত হয়েছে বা ১৫ সেপ্টেম্বর অতিক্রান্ত হবে, তাদের মোটরযানের উল্লিখিত সেবা সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রে বৈধতার মেয়াদ ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করে গত সপ্তাহ (বুধবার) আমাদের মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে। সুতরাং সাময়িকভাবে সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় গ্রাহকদের বিপদে পড়ারও কোনো সম্ভাবনা নেই।’ তবে খুব দ্রুত সেবা কার্যক্রম চালু হবে বলেও আশাপ্রকাশ করেন এই বিআরটিএ কর্মকর্তা।