রানীশংকৈলে কাউন্সিলর ও ব্যবসায়ীর মধ্যে হাতাহাতি; আহত- ৪!
- আপডেট সময় : ০৩:০৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৩ ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

রানীশংকৈলে কাউন্সিলর ও ব্যবসায়ীর মধ্যে হাতাহাতি; আহত- ৪!
নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
রানীশংকৈলে কাউন্সিলর ও ব্যবসায়ীর মধ্যে হাতাহাতি; আহত- ৪! পৌর কাউন্সিলর ও ব্যবসায়ী মহলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মাঝে উত্তেজনা হাতাহাতি সৃষ্টি হয়।এতে আহত হয় কাউন্সিলর সহ ৪ জন। ঘটনা টি ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল পৌর শহরের সোনালী ব্যাংকের সামনে রবিবার (১৫ জানুয়ারী) দুপুর সাড়ে ১২ টায়।
আহতরা হলেন, পৌর কাউন্সিল আবু তালেব,রন্টি পাল,মিন্টু বসাক,ও সুমন বসাক। আহতরা রানীশংকৈল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।পরে কাউন্সিলর আবু তালেব কে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর রের্ফাড করেন।
এপ্রসঙ্গে আবু তালেব বলেন, ব্যবসায়ীদের সাথে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মেয়রের উপস্থিতিতে কয়েক জন ব্যবসায়ী তার উপর অর্তকৃত হামলা চালায়।এতে তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন।
ঘটনার বিষয়ে দোকান মালিক বিক্রম পাল বলেন, আমি দোকান খুলে পুজা করছিলাম তখন পৌর সভার ৫ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবু তালেব শহরের ৩ নং ও ২ নং ওয়ার্ডের ভাই ভাই হার্ডওয়্যার দোকানের সামনে থাকা মালালাম ভেঙ্গে ফেলেছেন বলে অভিযোগ দোকান মালিক বিক্রম পালের।মালামাল ভাংচুরের বিষয়ে কর্মরত ম্যানেজার আব্দুল গফুর বলেন,কাউন্সিলর দোকানে এসেই বলে মালামাল দোকানের বাহিরে রাখা যাবে না,সব মালামাল ভিতরে রাখতে হবে।এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটি মধ্যে কোন বুঝে উঠার আগেই বাহিরে থাকা মালামাল ফেলে দেন এবং মালামালের উপরে উঠে লাফালাফি করে আমাদের অনেক মালামাল ভেঙ্গে ফেলেন।এবং তিনি অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের আচরণ করে বলে অভিযোগ স্থানীয় ব্যবসায়ী দের।
পরে খবর পেয়ে পৌর মেয়র ঘটনা স্থলে এসে কাউন্সিলর আবু তালেবের কাছে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে সে সময় মেয়রের সামনেই ব্যবসায়ী ও কাউন্সিলরের সাথে বাক বিতন্ডা চলে এবং বসাক বস্ত্রালয়ের মালিক কে সার্টের কলার ধরে মিন্টু বসাক কে লাথি মারেন এবং মেয়রের সামনেই বিক্রম পালের ছেলে রন্টি পালকে কে চিয়ার দিয়ে মারধর করে এবং সুমন নামে একজনেরও নাক ফাটিয়ে দিলে পরে এক পর্যায়ে ব্যবসায়ীরা কাউন্সিলর কে ধরে ফেলে এবং মারধর করে নাক ফাঁটিয়ে দেয়।
খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
এধরনের ঘটনায় প্রায় কয়েক ঘন্টা যাবত শহরের সকল ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীগণ।পরে মেয়র এর সুষ্ঠ বিচারের আশ্বাস দিলে পুনরায় দোকান খুলেন ব্যবসায়ীগণ।
এবিষয়ে রানীশংকৈল পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না সেই কাউন্সিল কেন কি কারণে ব্যবসায়ীদের সাথে এই ধরনের আচরণ করেছেন।এবং পৌর সভা থেকেও কোন এধরনের অনুমতি দেওয়া হয়নি।আমি খবর পেয়ে সেখানে গেলে কাউন্সিল ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক ধরনের হাতাহাতি হয় আমার সামনেই।তবে পৌর মেয়র কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এক ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অন্য কোন ওয়ার্ডে গিয়ে তার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে না, বা কোন আইন নেই। তিনি এটা কেন করলেন বা কি কারণ আমরা এটি তদন্ত করলে আসল বিষয় টা জানতে পারবো।
এ রিপোর্ট লেখা পযন্ত থানায় কোন অভিযোগ হয়নি প্রস্তুতি চলছিলো।



















