ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আ’হত শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগে রাবি মেডিকেলে তালা রাঙামাটিতে সাংগ্রাই জল উৎসবে মাতোয়ারা মারমা তরুণ-তরুণী রায়গঞ্জে আগুনে পুড়ে ছাই দরিদ্র কৃষকের ঘরবাড়ি পঞ্চগড়ে মাদকসহ ৩ জন আটক, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ মোট ৪ জন গ্রেপ্তার রাজশাহীতে আলুর স্তূপে পচন, গরমে লোকসানের বোঝা বাড়ছে কৃষকের গোদাগাড়ীতে ডিজেল সংকটে নৌকা চলাচল বন্ধের পথে, অচল পদ্মা-মহানন্দার চরাঞ্চল রাজশাহীতে ক্রেতা সেজে অভিযান: তেল মজুদকারী আটক, জরিমানা ৫ হাজার টাকা সিংড়ায় পুকুরে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের ম/র্মা/ন্তি/ক মৃ’ত্যু পুঠিয়ায় চাঁদা না পেয়ে মুদি দোকানিকে ছুরিকাঘাতে হ’ত্যা, ঘাতক আটক বাগাতিপাড়ায় স্কুলের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, রাতে কাজের অভিযোগ

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুদকের অভিযান

এম এম মামুন রাজশাহী:
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫ ২৭৯ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুদকের অভিযান

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীরা নিজের কাজ ফেলে রোগীদের ট্রলি ঠেলে বেড়ান। এর বিনিময়ে তারা রোগীদের স্বজনদের কাছ থেকে আদায় করেন টাকা। আবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তাদেরকে মজুরি দিয়ে থাকে। বুধবার (২৫ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) রাজশাহীর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের একটি দল এনফোর্সমেন্ট অভিযানে গিয়ে এ চিত্র দেখেছে।

পাশাপাশি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালকদের ভাড়া নিয়ে দৈরাত্মও দুদকের নজরে এসেছে। এ দুটি ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুদক কর্মকর্তারা।

সম্প্রতি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের আউটডোর ডিসপেনসারির ফার্মাসিস্ট ইনচার্জ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে পাওয়া এক লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদক একটি এনফোর্সমেন্ট টিম গঠন করে। দুদকে করা অভিযোগে বলা হয়, রফিকুল ইসলামের শর্ট স্লিপে সকল প্রকার ওষুধের গড়মিল আছে। মন্টিলুকাস, ফেকসু, মেটফরমিন, ওরস্যালাইন, মেট্রো, ডায়াগন টু, জিটিএন ও প্যারাসিটামল খরচের সাথে স্লিপের মিল থাকে না বলেও এতে উল্লেখ করা হয়। মেইন স্টোরের ফার্মাসিস্ট মীর শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগ যাচাইয়ে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমির হোসাইনকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি টিম গঠন করে দেয়া হয়। টিমের সদস্যরা বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালে অভিযান চালান। তারা বেশকিছু নথিপত্রও নিয়ে যান।

অভিযান শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক আমির হোসাইন বলেন, ‘অভিযানে আমরা স্টোর রুমের খাতা দেখেছি। রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে আমরা কমিশন বরাবর প্রতিবেদন দেব।’

অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীরা ট্রলি পরিচালনা করে। তাদের দৈরাত্ম লক্ষ্য করেছি। এছাড়া হাসপাতালের বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নিয়েও দৈরাত্ম দেখেছি। প্রাথমিকভাবে এ দুটি ক্ষেত্রে অনিয়ম দেখেছি। আমরা এ ব্যাপারে প্রতিবেদন দাখিল করব। তারপর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. হাসানুল হাসিব বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দুদক পেয়েছে, যারা কনসার্ন আজই তাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তাদেরকে তাদের নিজেদের কাজ করতে হবে, সেটা বলা হয়েছে।’ ওষুধ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ রকম ভৌতিক কমপ্লেইন থাকেই। এটা নিয়ে আমরা ভাবছি না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুদকের অভিযান

আপডেট সময় : ০৩:৩৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুদকের অভিযান

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীরা নিজের কাজ ফেলে রোগীদের ট্রলি ঠেলে বেড়ান। এর বিনিময়ে তারা রোগীদের স্বজনদের কাছ থেকে আদায় করেন টাকা। আবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও তাদেরকে মজুরি দিয়ে থাকে। বুধবার (২৫ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) রাজশাহীর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের একটি দল এনফোর্সমেন্ট অভিযানে গিয়ে এ চিত্র দেখেছে।

পাশাপাশি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালকদের ভাড়া নিয়ে দৈরাত্মও দুদকের নজরে এসেছে। এ দুটি ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুদক কর্মকর্তারা।

সম্প্রতি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের আউটডোর ডিসপেনসারির ফার্মাসিস্ট ইনচার্জ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে পাওয়া এক লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদক একটি এনফোর্সমেন্ট টিম গঠন করে। দুদকে করা অভিযোগে বলা হয়, রফিকুল ইসলামের শর্ট স্লিপে সকল প্রকার ওষুধের গড়মিল আছে। মন্টিলুকাস, ফেকসু, মেটফরমিন, ওরস্যালাইন, মেট্রো, ডায়াগন টু, জিটিএন ও প্যারাসিটামল খরচের সাথে স্লিপের মিল থাকে না বলেও এতে উল্লেখ করা হয়। মেইন স্টোরের ফার্মাসিস্ট মীর শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগ যাচাইয়ে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমির হোসাইনকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি টিম গঠন করে দেয়া হয়। টিমের সদস্যরা বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালে অভিযান চালান। তারা বেশকিছু নথিপত্রও নিয়ে যান।

অভিযান শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক আমির হোসাইন বলেন, ‘অভিযানে আমরা স্টোর রুমের খাতা দেখেছি। রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে আমরা কমিশন বরাবর প্রতিবেদন দেব।’

অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীরা ট্রলি পরিচালনা করে। তাদের দৈরাত্ম লক্ষ্য করেছি। এছাড়া হাসপাতালের বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া নিয়েও দৈরাত্ম দেখেছি। প্রাথমিকভাবে এ দুটি ক্ষেত্রে অনিয়ম দেখেছি। আমরা এ ব্যাপারে প্রতিবেদন দাখিল করব। তারপর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. হাসানুল হাসিব বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দুদক পেয়েছে, যারা কনসার্ন আজই তাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তাদেরকে তাদের নিজেদের কাজ করতে হবে, সেটা বলা হয়েছে।’ ওষুধ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ রকম ভৌতিক কমপ্লেইন থাকেই। এটা নিয়ে আমরা ভাবছি না।