সংবাদ শিরোনাম ::
ভোজন রসিকদের চাহিদা মেটাচ্ছে জাহানারাদের কুমড়ো বড়ি
প্রতিনিধির নাম
- আপডেট সময় : ০৪:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২২ ১৪২ বার পড়া হয়েছে

ভোজন রসিকদের চাহিদা মেটাচ্ছে জাহানারাদের কুমড়ো বড়ি
সবুজ হোসেন রাজা, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ভোজন রসিকদের চাহিদা মেটাচ্ছে জাহানারাদের কুমড়ো বড়ি। সারা দেশের মতই সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরেও হালকা শীতের আগমন ঘটেছে। আর শীত মানেই হাজার বছর ধরে চলে আসা রেওয়াজ, বাঙালীর ঘরে ঘরে চলে হরেক রকম খাবারের উৎসব। শীত মানেই ভোজন রসিকদের জন্য আলাদা আমেজ। এই শীতকে কেন্দ্র করে বৈচিত্রময় খাবারের তালিকায় আলাদা স্বাদ আর গন্ধ নিয়ে ভোজন রসিকদের রসনা তৃপ্ত করতে যুক্ত হয়েছে কুমড়ো বড়ি। প্রতি বছর শীতের সময় গ্রামাঞ্চলের বেশিরভাগ বাড়িতে ‘কুমড়ো বড়ি’ তৈরির রেওয়াজ রয়েছে। মাছ ঝোলে বা সবজির সঙ্গে কুমড়ো বড়ি বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু খাবার।
এক সময় গ্রামের নারীরা নিজেদের পরিবারের জন্য কেবল অল্প পরিমান কুমড়ো বড়ি তৈরি করলেও এখন চিত্র পাল্টেছে। শীতের আগমনের সাথে সাথেই সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ঘরে ঘরে যেমন ‘কুমড়ো বড়ি’ তৈরির হিড়িক পড়েছে তেমনি উপজেলার অন্তত দুইশত নারী বাণিজ্যিক ভাবে তৈরি করছেন এই খাবার। সুস্বাদু এই খাবার শাহজাদপুর ছাড়িয়ে এখন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বড় শহরে ভোজন রসিকদের তৃপ্তি দিচ্ছে। এই কুমড়ো বড়ি বানিয়ে নিজেদের ভাগ্য বদল করেছেন অনেকেই।
এই কুমড়ো বড়ি বানিয়ে নিজের ভাগ্য বদলকারী একজন নারী সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের তালগাছি গ্রামের জাহানারা খাতুন। ৫০ বছর বয়সী এই নারী শীতের আগমনের সাথে সাথেই ব্যস্ত সময় পার করছেন কুমড়ো বড়ি বানাতে। দুই দশক সময় ধরে দক্ষ হাতে কুমড়ো বড়ি বানিয়ে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি করে বদল করেছেন নিজের ভাগ্য। এক সময় কেবল পরিবারে বাড়তি আয়ের জোগান দিতে এই খাবার বানানো শুরু করলেও এখন পুরোপুরি বাণিজ্যিক ভাবে তৈরি করছেন তিনি।
সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় জাহানারা খাতুনের সাথে। তিনি জানান- ‘গত ২০/২৫ বছর ধরে এই কুমড়ো বড়ি বানাচ্ছি।




















