পঞ্চগড়ে মুখে বিষ ঢেলে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে!
- আপডেট সময় : ০৫:০৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ে মুখে বিষ ঢেলে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে!
উমর ফারুক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি:
পঞ্চগড়ে মুখে বিষ ঢেলে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে! মারপিট করে মুখে বিষ ঢেলে মোছা: আর্নিকা (২৭) নামের এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১৫ আগষ্ট) ভোর রাতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার ১০ নং গরিনা বাড়ি ইউনিয়নে মানুপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত আর্নিকা ওই এলাকার মো: রাহিরুল ইসলামের স্ত্রী। তার ১২ বছর এবং ৬ বছরের ২টি সন্তান আছে।
নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, শশুর শাশুড়ি ও তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে আর্নিকার উপরে অত্যাচার করে থাকে। এর আগে বিচার-সালিশ হয়েছিল গত মঙ্গলবার ভোর রাতে আনিকাকে মেরে ঘাড় মটকে দিয়ে বন মারা বিষ খাইয়ে দেয় এমনই অভিযোগ মৃত আনিকার বাবা মার। এসময় আর্নিকার চেঁচামেচি এলাকাবাসী আসলে তাৎক্ষণিক সেখান থেকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে আর্নিকার অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এরপর নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান। পরে বাসায় নিয়ে আসলে এবং পুলিশ খবর পেয়ে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। নিহত গৃহবধূ ওই ইউনিয়নের যোদার পাড়া গ্রামের আনছারুল ইসলামের মেয়ে।
নিহত গৃহবধূর মা রাইকা বেগম বলেন, মানুপাড়া গ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে মো: রাহিরুল ইসলামের সাথে আমার মেয়ের বিয়ে হয়। সংসার জীবন তাদের সুখের ছিল না। যৌতুকের টাকার জন্য আমার মেয়েকে উঠতে বসতে মারত। আমার মেয়ের একটি ১২ বছর এবং ৬ বছরের সন্তান রয়েছে। তার ছেলে মেয়ের দিকে তাকিয়ে নির্মম অত্যাচারের সহ্য করি সংসার করত আমার মেয়ে কিন্তু তারা আমার মেয়েকে মেরে মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে মেরে ফেলেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে নিহত আর্নিকার শ্বশুর বাড়ির লোকজন দের সাথে কথা বললে, তিনি আত্মহত্যা করেছে বলে সাংবাদিকদের জানান। এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশের উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ হানিফ বলেন, আমরা খবর পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে আর্নিকার মরদেহ উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এর পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আত্মহত্যা নাকি হত্যা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলেই জানা যাবে।




















