ঢাকা ১১:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাগাতিপাড়ায় জুয়েলারি ব্যবসায়ীর ওপর হা’মলা, স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট; আটক ১ গোদাগাড়ীতে খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ৭ বছরের শিশুর মান্দায় গো’বর ফেলা নিয়ে বিরোধ, লা’ঠির আ/ঘাতে আহত ১ মহাদেবপুরে ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ রাণীশংকৈলে সজিনা চাষ সম্প্রসারণে রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন পঞ্চগড়ে বৃষ্টিতে টমেটোর ক্ষতি, দামে কিছুটা স্বস্তি কৃষকদের পবার টিসিবি গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পণ্য পুড়ে ছাই রাজশাহীতে ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে কৃষি শ্রমিকের মৃত্যু বাগাতিপাড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় শিশু গুরুতর আহত রুহির চিকিৎসায় ইউএনও কার্যালয়ের সহায়তা, এগিয়ে আসার আহ্বান

ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই ২৫ হাজার মানুষের ভরসা!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুন ২০২২ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই ভরসা

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই ২৫ হাজার মানুষের ভরসা!

আলমগীর হোসেন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই ২৫ হাজার মানুষের ভরসা! ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দুই ইউনিয়নের রহিমানপুর, আকচা নিমবাড়ি, মাদারগঞ্জ ও হরিহরপুর হাজীপাড়া গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা সুখ নদীতে অবস্থিত ভাঙ্গা বাঁশের সাঁকো। ঝড়-বৃষ্টিতে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে সাঁকো পারাপার। চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও। কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ায়ও পোহাতে হয় দুর্ভোগ। সম্প্রতি সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় শহরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এসব মানুষের। বছরের পর বছর একটি ব্রিজের অপেক্ষায় হাজারো মানুষ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভোট এলেই নেতাদের মুখে শুধু কথার ফুলঝুরি ফোটে। ভোট শেষ হলে তাদের আর দেখা মেলে না। বছরের পর বছর শুধু একটিই আশ্বাস ব্রিজ হবে। কিন্তু কবে হবে তা কেউই জানেন না। একটি ব্রিজের অভাবে এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হচ্ছেন। হঠাৎ সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ। বর্ষাকাল এলেই এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল-কলেজে তেমন যেতে পারছে না। এখানে একটি ব্রিজ নির্মিত হলে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবের পাশাপাশি সময় ও অর্থের সাশ্রয় হবে বলে জানান ভুক্তোভুগীরা।

বেলাল হোসেন, মনোয়ার বেগম, স্কুলছাত্র নাদিম, কলেজছাত্রী খুকুমনি সহ কয়েকজন বলেন, এ গ্রামে যারা বসবাস করেন সবাই দিনমজুর। একদিন বাড়ি থেকে বের না হলে না খেয়ে থাকতে হয় সবাইকে। প্রতি বছর চাঁদা তুলে বাঁশের সাঁকোটি মেরামত করি আমরা। এবার পুরোপুরি ভেঙে গেছে। আমরা বাঁশের সাঁকো পার হয়ে স্কুলে যাই। পার হওয়ার সময় খুব ভয় লাগে। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় স্কুল যেতে পারছি না। মেম্বার, চেয়ারম্যানরা ব্রিজের আশ্বাস দিলেও কেউ ব্রিজটি করে দিচ্ছেন না। আমরা চাই একটি ব্রিজ।

এ ব্যাপারে রহিমানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান বলেন, ব্রিজের জন্য কয়েক দফায় আবেদন করা হয়েছে। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। দেখা যাক কবে এ সমস্যার সমাধান হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই ২৫ হাজার মানুষের ভরসা!

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুন ২০২২

ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই ২৫ হাজার মানুষের ভরসা!

আলমগীর হোসেন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই ২৫ হাজার মানুষের ভরসা! ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দুই ইউনিয়নের রহিমানপুর, আকচা নিমবাড়ি, মাদারগঞ্জ ও হরিহরপুর হাজীপাড়া গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা সুখ নদীতে অবস্থিত ভাঙ্গা বাঁশের সাঁকো। ঝড়-বৃষ্টিতে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে সাঁকো পারাপার। চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও। কৃষিপণ্য আনা-নেওয়ায়ও পোহাতে হয় দুর্ভোগ। সম্প্রতি সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় শহরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এসব মানুষের। বছরের পর বছর একটি ব্রিজের অপেক্ষায় হাজারো মানুষ।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভোট এলেই নেতাদের মুখে শুধু কথার ফুলঝুরি ফোটে। ভোট শেষ হলে তাদের আর দেখা মেলে না। বছরের পর বছর শুধু একটিই আশ্বাস ব্রিজ হবে। কিন্তু কবে হবে তা কেউই জানেন না। একটি ব্রিজের অভাবে এলাকাবাসী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হচ্ছেন। হঠাৎ সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ। বর্ষাকাল এলেই এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল-কলেজে তেমন যেতে পারছে না। এখানে একটি ব্রিজ নির্মিত হলে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবের পাশাপাশি সময় ও অর্থের সাশ্রয় হবে বলে জানান ভুক্তোভুগীরা।

বেলাল হোসেন, মনোয়ার বেগম, স্কুলছাত্র নাদিম, কলেজছাত্রী খুকুমনি সহ কয়েকজন বলেন, এ গ্রামে যারা বসবাস করেন সবাই দিনমজুর। একদিন বাড়ি থেকে বের না হলে না খেয়ে থাকতে হয় সবাইকে। প্রতি বছর চাঁদা তুলে বাঁশের সাঁকোটি মেরামত করি আমরা। এবার পুরোপুরি ভেঙে গেছে। আমরা বাঁশের সাঁকো পার হয়ে স্কুলে যাই। পার হওয়ার সময় খুব ভয় লাগে। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় স্কুল যেতে পারছি না। মেম্বার, চেয়ারম্যানরা ব্রিজের আশ্বাস দিলেও কেউ ব্রিজটি করে দিচ্ছেন না। আমরা চাই একটি ব্রিজ।

এ ব্যাপারে রহিমানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান বলেন, ব্রিজের জন্য কয়েক দফায় আবেদন করা হয়েছে। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। দেখা যাক কবে এ সমস্যার সমাধান হয়।