ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতেই ভোটকেন্দ্রে যাব: রাবি উপাচার্য

এম এম মামুন, রাজশাহীঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১১৪ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতেই ভোটকেন্দ্রে যাব: রাবি উপাচার্য

তরুণদের রক্তের ঋণ শোধের নৈতিক দায় উল্লেখ করে গণভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীবের

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার লক্ষ্যেই ভোটকেন্দ্রে যাবেন বলে জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব। তিনি বলেন, হাজারো তরুণের রক্তের বিনিময়ে গড়ে ওঠা নতুন বাংলাদেশের পথকে এগিয়ে নিতে এই ‘হ্যাঁ’ ভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দায়িত্ব ও নৈতিক দায়বদ্ধতার প্রতীক।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত গণভোট–২০২৬ বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপাচার্য।

তিনি বলেন, গণভোটের কোনো নির্দিষ্ট প্রতীক না থাকলেও তাঁর নিজের ভেতরে একটি প্রতীক রয়েছে।
“আমার মনের গভীরে একটি মার্কা আছে—সেটি লাল। এই লাল হলো আমাদের সন্তানদের রক্তের চিহ্ন।”

উপাচার্য আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ স্মরণ করলে স্পষ্ট হয় যে দেশের সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য গণভোটের প্রস্তুতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া মানে শুধু একটি মত প্রকাশ নয়; এটি তরুণদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো এবং তাদের রক্তের ঋণ শোধের প্রতীক।

রাষ্ট্রের বিদ্যমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন,
“১২ তারিখের ভোটকে ঘিরে দেশে এক ধরনের প্রবল উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাষ্ট্রে কিছু গোষ্ঠী বিদ্যমান ব্যবস্থাকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু দেশে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে, যা আর পেছনের দিকে ফেরানো সম্ভব নয়। কেউ হয়তো আগের পদ্ধতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার চেষ্টা করতে পারে, কিন্তু আমি লিখে দিতে পারি—এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে।”

তিনি বলেন, তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ভয় ও দুর্বলতা একসময় ছিল, তা ভেঙে গেছে।
“যারা ভয় পায় না, তাদের আতঙ্ক সৃষ্টি করে শাসন করা দুঃস্বপ্ন ছাড়া কিছু নয়। এখন তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষ আর কোনো কিছুকেই ভয় পায় না।”

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রিয়াজ। এ ছাড়া রাবির উপ-উপাচার্যদ্বয়, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং জুলাই যোদ্ধারা সভায় অংশ নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতেই ভোটকেন্দ্রে যাব: রাবি উপাচার্য

আপডেট সময় : ০২:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতেই ভোটকেন্দ্রে যাব: রাবি উপাচার্য

তরুণদের রক্তের ঋণ শোধের নৈতিক দায় উল্লেখ করে গণভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীবের

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার লক্ষ্যেই ভোটকেন্দ্রে যাবেন বলে জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব। তিনি বলেন, হাজারো তরুণের রক্তের বিনিময়ে গড়ে ওঠা নতুন বাংলাদেশের পথকে এগিয়ে নিতে এই ‘হ্যাঁ’ ভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দায়িত্ব ও নৈতিক দায়বদ্ধতার প্রতীক।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত গণভোট–২০২৬ বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপাচার্য।

তিনি বলেন, গণভোটের কোনো নির্দিষ্ট প্রতীক না থাকলেও তাঁর নিজের ভেতরে একটি প্রতীক রয়েছে।
“আমার মনের গভীরে একটি মার্কা আছে—সেটি লাল। এই লাল হলো আমাদের সন্তানদের রক্তের চিহ্ন।”

উপাচার্য আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ স্মরণ করলে স্পষ্ট হয় যে দেশের সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য গণভোটের প্রস্তুতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া মানে শুধু একটি মত প্রকাশ নয়; এটি তরুণদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো এবং তাদের রক্তের ঋণ শোধের প্রতীক।

রাষ্ট্রের বিদ্যমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন,
“১২ তারিখের ভোটকে ঘিরে দেশে এক ধরনের প্রবল উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাষ্ট্রে কিছু গোষ্ঠী বিদ্যমান ব্যবস্থাকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু দেশে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে, যা আর পেছনের দিকে ফেরানো সম্ভব নয়। কেউ হয়তো আগের পদ্ধতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার চেষ্টা করতে পারে, কিন্তু আমি লিখে দিতে পারি—এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে।”

তিনি বলেন, তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ভয় ও দুর্বলতা একসময় ছিল, তা ভেঙে গেছে।
“যারা ভয় পায় না, তাদের আতঙ্ক সৃষ্টি করে শাসন করা দুঃস্বপ্ন ছাড়া কিছু নয়। এখন তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষ আর কোনো কিছুকেই ভয় পায় না।”

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রিয়াজ। এ ছাড়া রাবির উপ-উপাচার্যদ্বয়, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং জুলাই যোদ্ধারা সভায় অংশ নেন।