ঢাকা ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাটোর শহরের বিভিন্ন সড়কে শোভা পাচ্ছে কালিমাখচিত পতাকা মাদকের ছোবলে অনেক পরিবারের স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে- ভূমিমন্ত্রী যশোর সীমান্তে ১৩টি স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক নাটোরে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত ঝিনাইগাতীতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরিবারের জমি দখলচেষ্টা ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ঢাকায় সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক সংলাপ শুরু, উদ্বোধন হলো ফিনিক্স সামিট ২০২৬ বাগাতিপাড়ায় লাভের আশায় মাচায় পটোল চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা নর-সুন্দর শ্রমিক ইউনিয়নে সভাপতি পদে দুই সহোদর ভাইয়ের লড়াই গোদাগাড়ীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত লোকসানের ধাক্কায় রাজশাহীতে বন্ধ হচ্ছে পোলট্রি খামার

শ্রীবরদীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩ দোকান পুড়ে ছাই,ক্ষতি প্রায় ৩ কোটি টাকা

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর:
  • আপডেট সময় : ০২:৫৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫ ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শ্রীবরদীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩ দোকান পুড়ে ছাই,ক্ষতি প্রায় ৩ কোটি টাকা

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ঝগড়ারচরের দক্ষিণ বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।সোমবার (৩০ জুন) ভোররাতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।এতে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিস ধারণা করছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।

পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মালিকরা হলেন, মেসার্স মুরাদ স্টোরের মো. মুরাদুজ্জামান,মেসার্স অনু এন্টারপ্রাইজের শ্রী চৈতন্য মোদক ও শিহাব স্টোরের মনিরুজ্জামান। এছাড়া আরও দুটি দোকানেও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। এদিকে শ্রীবরদী উপজেলা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়ার পরেও দেরিতে পৌঁছার অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, ভোরবেলায় স্থানীয়রা আগুনের খবর টের পেলেও ততক্ষণে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। মালামাল বের করারও কোনো সুযোগ ছিলনা। শ্রীবরদী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলেও তারা দেরিতে পৌঁছায় বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।জামালপুরের বকশীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ইউনিটও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মুরাদুজ্জামান বলেন, আমার দোকান ও দুইটি গোডাউনের সমস্ত মালপত্র পুড়ে গেছে। প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সব হারিয়ে এখন পথে বসেছি।
ব্যবসায়ী শ্রী চৈতন্য মোদক বলেন, “অগ্নিকাণ্ডে আমার একমাত্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি শেষ হয়ে গেল। অন্তত ৮০-৯০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমার পরিবারের জীবিকা বন্ধ হয়ে গেল।ক্ষতিগ্রস্ত অপর ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান বলেন,আমার দোকানের মালামালসহ প্রায় ৪০-৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি এখন নিঃস্ব।

স্থানীয় এক বাসিন্দা আব্দুল জলিল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “শ্রীবরদী থেকে ঝগড়ারচর পর্যন্ত রাস্তা পুরো পাকা ও প্রসস্থ। গাড়ি দ্রুত পৌঁছাতে পারার কথা, কিন্তু কেন তাদের আসতে দেরি হলো বুঝতে পারলাম না। দ্রুত ফায়ার সার্ভিস আসলে ক্ষয়ক্ষতি এতটা হতো না।

শ্রীবরদী ফায়ার সার্ভিসের সাব-স্টেশন অফিসার আশরাফ হোসেন বলেন,খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বকশীগঞ্জ ইউনিটও আমাদের সঙ্গে কাজ করেছে।পুরোপুরি আগুন নেভাতে দুই ঘণ্টার মতো সময় লেগেছে। ধারণা করছি বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন যাতে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শ্রীবরদীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩ দোকান পুড়ে ছাই,ক্ষতি প্রায় ৩ কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০২:৫৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

শ্রীবরদীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩ দোকান পুড়ে ছাই,ক্ষতি প্রায় ৩ কোটি টাকা

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার ঝগড়ারচরের দক্ষিণ বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।সোমবার (৩০ জুন) ভোররাতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।এতে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিস ধারণা করছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।

পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মালিকরা হলেন, মেসার্স মুরাদ স্টোরের মো. মুরাদুজ্জামান,মেসার্স অনু এন্টারপ্রাইজের শ্রী চৈতন্য মোদক ও শিহাব স্টোরের মনিরুজ্জামান। এছাড়া আরও দুটি দোকানেও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। এদিকে শ্রীবরদী উপজেলা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়ার পরেও দেরিতে পৌঁছার অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, ভোরবেলায় স্থানীয়রা আগুনের খবর টের পেলেও ততক্ষণে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। মালামাল বের করারও কোনো সুযোগ ছিলনা। শ্রীবরদী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হলেও তারা দেরিতে পৌঁছায় বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।জামালপুরের বকশীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ইউনিটও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মুরাদুজ্জামান বলেন, আমার দোকান ও দুইটি গোডাউনের সমস্ত মালপত্র পুড়ে গেছে। প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সব হারিয়ে এখন পথে বসেছি।
ব্যবসায়ী শ্রী চৈতন্য মোদক বলেন, “অগ্নিকাণ্ডে আমার একমাত্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি শেষ হয়ে গেল। অন্তত ৮০-৯০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমার পরিবারের জীবিকা বন্ধ হয়ে গেল।ক্ষতিগ্রস্ত অপর ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান বলেন,আমার দোকানের মালামালসহ প্রায় ৪০-৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমি এখন নিঃস্ব।

স্থানীয় এক বাসিন্দা আব্দুল জলিল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “শ্রীবরদী থেকে ঝগড়ারচর পর্যন্ত রাস্তা পুরো পাকা ও প্রসস্থ। গাড়ি দ্রুত পৌঁছাতে পারার কথা, কিন্তু কেন তাদের আসতে দেরি হলো বুঝতে পারলাম না। দ্রুত ফায়ার সার্ভিস আসলে ক্ষয়ক্ষতি এতটা হতো না।

শ্রীবরদী ফায়ার সার্ভিসের সাব-স্টেশন অফিসার আশরাফ হোসেন বলেন,খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বকশীগঞ্জ ইউনিটও আমাদের সঙ্গে কাজ করেছে।পুরোপুরি আগুন নেভাতে দুই ঘণ্টার মতো সময় লেগেছে। ধারণা করছি বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন যাতে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।