গোদাগাড়ীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৯:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ৪৯ বার পড়া হয়েছে

গোদাগাড়ীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ হাসানুল জাহিদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ হাসানুল জাহিদ জানান, ‘ভিটামিন-এ খাওয়ান, মৃত্যুর ঝুঁকি কমান’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আগামী ২৮ জুন জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। এ কর্মসূচির আওতায় গোদাগাড়ী উপজেলায় মোট ৪৮ হাজার ২৮৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৫ হাজার ৭৬০ জন শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪২ হাজার ৫২৫ জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
ক্যাম্পেইন সফল করতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশাপাশি ২১৬টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এ সময় তিনি স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন এবং সরকারি এই উদ্যোগ থেকে কোনো শিশু যেন বাদ না পড়ে, সে জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
অন্যদিকে একই কর্মসূচিকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার সকালে গোদাগাড়ী পৌরসভা কার্যালয়ের সভাকক্ষে পৃথক একটি অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পৌরসভার সচিব সারোয়ার জাহান মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায়ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও ইসরাত জাহান।
পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সেমাজুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বলেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, অপুষ্টিজনিত জটিলতা প্রতিরোধ এবং সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নির্ধারিত দিনে অভিভাবকদের নিজ নিজ এলাকার কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।



















