ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাটোর শহরের বিভিন্ন সড়কে শোভা পাচ্ছে কালিমাখচিত পতাকা মাদকের ছোবলে অনেক পরিবারের স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে- ভূমিমন্ত্রী যশোর সীমান্তে ১৩টি স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক নাটোরে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত ঝিনাইগাতীতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরিবারের জমি দখলচেষ্টা ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ঢাকায় সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক সংলাপ শুরু, উদ্বোধন হলো ফিনিক্স সামিট ২০২৬ বাগাতিপাড়ায় লাভের আশায় মাচায় পটোল চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা নর-সুন্দর শ্রমিক ইউনিয়নে সভাপতি পদে দুই সহোদর ভাইয়ের লড়াই গোদাগাড়ীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত লোকসানের ধাক্কায় রাজশাহীতে বন্ধ হচ্ছে পোলট্রি খামার

শেরপুরের সীমান্তবর্তী পাহাড় রক্ষায় ঝিনাইগাতী প্রশাসনের কঠোর অবস্থান

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:৫৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫ ৩৬৩ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শেরপুরের সীমান্তবর্তী পাহাড় রক্ষায় ঝিনাইগাতী প্রশাসনের কঠোর অবস্থান

শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলায় পাহাড় ও টিলা রক্ষায় ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও বাজার এলাকায় প্রচারপত্র বিতরণ,মাইকিং এবং সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাহাড় ও টিলা দেশের অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ। নির্বিচারে পাহাড় কাটা হলে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী পাহাড় বা টিলা কর্তন দণ্ডনীয় অপরাধ। এ আইন ভঙ্গ করলে জরিমানা ও কারাদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। প্রচারণার মূল শ্লোগান “পাহাড় ধ্বংস নয়, পাহাড় রক্ষা চাই”। এছাড়া প্রচারণায় বলা হয়েছে,পাহাড়/টিলা কাটা বন্ধ করি,পরিবেশ রক্ষা করি,ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন,পাহাড় ও টিলা দেশের অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ। নির্বিচারে পাহাড় কাটা হলে ভূমিধস, বন্যা, মাটি ধস ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয়, যা ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি করে। তাই পাহাড় রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে। পাহাড় কাটা শুধু পরিবেশের ক্ষতি নয়, আইনেও এটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে কঠোর বার্তা দেন।

এদিকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বার্ড কনজারভেশন সোসাইটি ঝিনাইগাতী উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন সুবর্ন এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, প্রশাসনের এই উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। তবে শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না, জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করতে হবে। মানুষকে বোঝাতে হবে, প্রকৃতিকে ধ্বংস করলে আমাদের অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়বে। তাই বলছি, প্রকৃতিকে ধ্বংস নয়, প্রকৃতিকে ভালোবাসলেই টিকে থাকবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শেরপুরের সীমান্তবর্তী পাহাড় রক্ষায় ঝিনাইগাতী প্রশাসনের কঠোর অবস্থান

আপডেট সময় : ০২:৫৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

শেরপুরের সীমান্তবর্তী পাহাড় রক্ষায় ঝিনাইগাতী প্রশাসনের কঠোর অবস্থান

শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলায় পাহাড় ও টিলা রক্ষায় ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও বাজার এলাকায় প্রচারপত্র বিতরণ,মাইকিং এবং সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাহাড় ও টিলা দেশের অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ। নির্বিচারে পাহাড় কাটা হলে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী পাহাড় বা টিলা কর্তন দণ্ডনীয় অপরাধ। এ আইন ভঙ্গ করলে জরিমানা ও কারাদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। প্রচারণার মূল শ্লোগান “পাহাড় ধ্বংস নয়, পাহাড় রক্ষা চাই”। এছাড়া প্রচারণায় বলা হয়েছে,পাহাড়/টিলা কাটা বন্ধ করি,পরিবেশ রক্ষা করি,ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন,পাহাড় ও টিলা দেশের অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ। নির্বিচারে পাহাড় কাটা হলে ভূমিধস, বন্যা, মাটি ধস ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয়, যা ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি করে। তাই পাহাড় রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে। পাহাড় কাটা শুধু পরিবেশের ক্ষতি নয়, আইনেও এটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে কঠোর বার্তা দেন।

এদিকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বার্ড কনজারভেশন সোসাইটি ঝিনাইগাতী উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন সুবর্ন এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, প্রশাসনের এই উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। তবে শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না, জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করতে হবে। মানুষকে বোঝাতে হবে, প্রকৃতিকে ধ্বংস করলে আমাদের অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়বে। তাই বলছি, প্রকৃতিকে ধ্বংস নয়, প্রকৃতিকে ভালোবাসলেই টিকে থাকবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।