রাজশাহীতে বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস পালিত, সংরক্ষণে সচেতনতার আহ্বান
- আপডেট সময় : ০৮:১৯:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস পালিত, সংরক্ষণে সচেতনতার আহ্বান
নিউজ ডেস্কঃ
রাজশাহীতে বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফোরাম এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) যৌথ আয়োজনে শনিবার (১০ অক্টোবর) এ কর্মসূচি পালিত হয়।
আলোচনা সভায় পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা
দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১১টায় পদ্মা গার্ডেন-সংলগ্ন রাজশাহী আধুনিক পাঠাগারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. জামাত খান, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) রাজশাহী জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সেলিনা বেগম, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশনের সহসভাপতি মিজানুর রহমান, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ডা. বি কে দাম, দুঃস্থ মানবকল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সরকার এবং বাপা পবা উপজেলা শাখার সভাপতি রহিমা বেগম ও সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী চৌধুরী।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাখির ভূমিকা অপরিসীম
আলোচনা সভায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরিযায়ী পাখির গুরুত্ব এবং পাখি সংরক্ষণে সবার করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, পাখি পরিবেশের খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইঁদুর ও বিভিন্ন ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ খাওয়ার মাধ্যমে পাখি ফসল উৎপাদনে সহায়তা করে। পাশাপাশি পরিবেশের পরিবর্তন বোঝার গুরুত্বপূর্ণ জৈবিক সূচক হিসেবেও পাখি ভূমিকা রাখে।
বক্তারা আরও বলেন, ফুলের পরাগায়নসহ প্রকৃতির নানা প্রক্রিয়ায় পাখির অবদান রয়েছে। পাখির সৌন্দর্য মানুষের মনেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই প্রকৃতির ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পাখি সংরক্ষণ সবার নৈতিক দায়িত্ব।
পাখি শিকার ও পাচার বন্ধে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান
সভা থেকে পাখি শিকার ও পাচার বন্ধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো এবং পাখি শিকারিদের প্রতিহত করতে সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
আলোচনা সভা শেষে পরিযায়ী পাখি সংরক্ষণে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে পদ্মার তীরবর্তী এলাকায় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। আয়োজকদের মতে, পরিযায়ী পাখির আবাসস্থল ও বিচরণক্ষেত্র সংরক্ষণ, নিরাপদ পরিযায়ন নিশ্চিত করা এবং পাখি শিকার ও পাচার বন্ধে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোই ছিল এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
























