বারনই নদী দখল-দূষণমুক্ত করতে বিশেষ টাস্কফোর্স, প্রতিবেদন যাবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে- প্রতিমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ১১:০৬:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
Special task force to be formed to free Barnai River from encroachment and pollution; report to be submitted to the Prime Minister – State Minister

বারনই নদী দখল-দূষণমুক্ত করতে বিশেষ টাস্কফোর্স, প্রতিবেদন যাবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে- প্রতিমন্ত্রী
এম এম মামুনঃ
রাজশাহী ও নাটোর জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বারনই নদীকে দখল ও দূষণমুক্ত করে পুনরুজ্জীবিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। নদী খননের পর যাতে আবারও দখল বা ভরাট না হয়, তা নিশ্চিত করতে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতি মাসে সার্বিক প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় ‘রাজশাহী ও নাটোর জেলার অন্তর্গত বারনই নদী পুনরুজ্জীবিত, দূষণমুক্ত ও দখলমুক্তকরণ’ প্রকল্পের এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বারনই নদী ভরাট ও দূষণের শিকার। নদীর পানি এতটাই দূষিত যে, তা ব্যবহার করলে কিংবা নদী পারাপারের সময় মানুষের শরীরে ঘা হচ্ছে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মানুষের দুর্ভোগ কমানো এবং নদীর পানি দূষণমুক্ত করতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় নদীটি খনন ও পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নিয়েছে।
নদী খননের পর পুনরায় দখল ও ভরাট ঠেকানোর বিষয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, অতীতে অনেক নদী ও খাল খননের পর সেগুলো আবারও দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। বারনই নদীর ক্ষেত্রে যাতে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, এ লক্ষ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। টাস্কফোর্সের সদস্যরা প্রতি ১৫ দিন পরপর প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দেবেন। পাশাপাশি নদী ও খালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রতি মাসে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।
প্রকল্পের কাজ তদারকি ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুজন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্য থেকে দুজন এবং জেলা প্রশাসনের দুজন প্রতিনিধিকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি প্রকল্পের কাজ ও নদীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে।
বারনই নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নদী খননের পর যাতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের বর্জ্য কিংবা অন্য কোনো ময়লা ফেলে আবারও নদী ভরাট করা না হয়, সে বিষয়ে সিটি করপোরেশনের মেয়র ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বারনই নদী তার হারানো রূপ ফিরে পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।



















