ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লালপুরে পৌর কার্যালয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার লালপুরে নারীদের ভিডিও ধারণ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২ সংবাদ প্রকাশের সাত দিন পরও অপরিষ্কার পার্বতীপুর স্টেশনের পানি সংগ্রহস্থল গোদাগাড়ীতে সরকারি খাল ভরাটের অভিযোগ, জলাবদ্ধতায় ফসলি জমি রক্ষার দাবি দেবীগঞ্জে স্বামীর দাফনের কয়েক ঘণ্টা পর স্ত্রীরও মৃত্যু ঈশ্বরদীতে মাদকসহ তাঁতীদল নেতা আটক, ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে ৫০ ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার শ্রীনগরে পূজার প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা সভায় জামায়াত নেতাকে মারধরের অভিযোগ লালপুরে মেয়ের পরিচয়ে প্রবাসীর সঙ্গে প্রেম, বিয়ের নামে প্রতারণার অভিযোগ শেরপুরে ১০ কোটি টাকা পাওনার অভিযোগ, হাসপাতালের এমডি অনুপস্থিত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধার ও ভুলে পাঠানো টাকা ফেরত

সংবাদ প্রকাশের সাত দিন পরও অপরিষ্কার পার্বতীপুর স্টেশনের পানি সংগ্রহস্থল

দিনাজপুর, প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

Dinajpur News

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সংবাদ প্রকাশের সাত দিন পরও অপরিষ্কার পার্বতীপুর স্টেশনের পানি সংগ্রহস্থল

দিনাজপুর, প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশনে যাত্রীদের বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহের স্থান ময়লা-আবর্জনায় ভরে থাকার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের সাত দিন পরও তা পরিষ্কার করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের সঙ্গে সরেজমিনের চিত্রেও ভিন্নতা পাওয়া গেছে।

উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশনগুলোর একটি পার্বতীপুর স্টেশন। এ স্টেশন দিয়ে পঞ্চগড়, ঢাকা, খুলনা, রংপুর ও চিলাহাটিসহ বিভিন্ন গন্তব্যে আন্তনগর, লোকাল ও কমিউটার ট্রেন চলাচল করে। প্রতিদিন হাজারো যাত্রী এ স্টেশন ব্যবহার করেন।

গত ১ অক্টোবর ‘পরিষ্কার করা হয় না পানির ট্যাংকি, পার্বতীপুর স্টেশনে ময়লা-আবর্জনায় ভরা বিশুদ্ধ পানির স্থান, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পানি সংগ্রহ যাত্রীদের’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে যাত্রীদের পানি সংগ্রহের দুটি ট্যাপের আশপাশের অপরিচ্ছন্নতার চিত্র তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্যাপ দুটির আশপাশে পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতলসহ বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা পড়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে স্থানটি নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়েছে। সেখানে মশা-মাছির উপদ্রবও রয়েছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন পানির ট্যাংকি পরিষ্কার না করার অভিযোগও ওঠে।
তখন বিষয়টি পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার মো. রেজাউল ইসলামকে জানানো হলে তিনি বলেছিলেন, পরিষ্কারকর্মী কয়েক দিন ধরে কাজে না আসায় সমস্যা হয়েছে। বিষয়টি পরিষ্কারকর্মীর ইনচার্জকে জানানো হয়েছে এবং ওই দিনই পরিষ্কারের ব্যবস্থা করা হবে।

তবে সাত দিন পর বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পানি সংগ্রহের স্থানটি এখনও ময়লা-আবর্জনায় ভরা। বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ট্যাপের আশপাশে। ফলে আগের মতোই অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে যাত্রীদের পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার স্টেশন মাস্টার মো. রেজাউল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আগের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, পানি সংগ্রহের স্থান পরিষ্কার করা হয়েছে এবং সেখানে কোনো ময়লা-আবর্জনা নেই। তবে সরেজমিনের চিত্রে তার দাবির সঙ্গে ভিন্নতা পাওয়া যায়।

এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতির মধ্যে স্টেশনের পানি সংগ্রহের স্থানে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা। তাদের আশঙ্কা, ময়লা-আবর্জনা ও জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার হতে পারে।

যাত্রীদের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই রেলওয়ে জংশনে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি পানি সংগ্রহের স্থান ও পানির ট্যাংকি নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ডেঙ্গুর মৌসুমে ময়লা-আবর্জনা অপসারণ ও সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
তারা পানি সংগ্রহের স্থান ও পানির ট্যাংকি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে যাত্রীদের জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সংবাদ প্রকাশের সাত দিন পরও অপরিষ্কার পার্বতীপুর স্টেশনের পানি সংগ্রহস্থল

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

সংবাদ প্রকাশের সাত দিন পরও অপরিষ্কার পার্বতীপুর স্টেশনের পানি সংগ্রহস্থল

দিনাজপুর, প্রতিনিধিঃ
দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশনে যাত্রীদের বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহের স্থান ময়লা-আবর্জনায় ভরে থাকার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের সাত দিন পরও তা পরিষ্কার করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের সঙ্গে সরেজমিনের চিত্রেও ভিন্নতা পাওয়া গেছে।

উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশনগুলোর একটি পার্বতীপুর স্টেশন। এ স্টেশন দিয়ে পঞ্চগড়, ঢাকা, খুলনা, রংপুর ও চিলাহাটিসহ বিভিন্ন গন্তব্যে আন্তনগর, লোকাল ও কমিউটার ট্রেন চলাচল করে। প্রতিদিন হাজারো যাত্রী এ স্টেশন ব্যবহার করেন।

গত ১ অক্টোবর ‘পরিষ্কার করা হয় না পানির ট্যাংকি, পার্বতীপুর স্টেশনে ময়লা-আবর্জনায় ভরা বিশুদ্ধ পানির স্থান, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পানি সংগ্রহ যাত্রীদের’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে যাত্রীদের পানি সংগ্রহের দুটি ট্যাপের আশপাশের অপরিচ্ছন্নতার চিত্র তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্যাপ দুটির আশপাশে পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতলসহ বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা পড়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে স্থানটি নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়েছে। সেখানে মশা-মাছির উপদ্রবও রয়েছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন পানির ট্যাংকি পরিষ্কার না করার অভিযোগও ওঠে।
তখন বিষয়টি পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার মো. রেজাউল ইসলামকে জানানো হলে তিনি বলেছিলেন, পরিষ্কারকর্মী কয়েক দিন ধরে কাজে না আসায় সমস্যা হয়েছে। বিষয়টি পরিষ্কারকর্মীর ইনচার্জকে জানানো হয়েছে এবং ওই দিনই পরিষ্কারের ব্যবস্থা করা হবে।

তবে সাত দিন পর বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পানি সংগ্রহের স্থানটি এখনও ময়লা-আবর্জনায় ভরা। বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ট্যাপের আশপাশে। ফলে আগের মতোই অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে যাত্রীদের পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার স্টেশন মাস্টার মো. রেজাউল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আগের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, পানি সংগ্রহের স্থান পরিষ্কার করা হয়েছে এবং সেখানে কোনো ময়লা-আবর্জনা নেই। তবে সরেজমিনের চিত্রে তার দাবির সঙ্গে ভিন্নতা পাওয়া যায়।

এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতির মধ্যে স্টেশনের পানি সংগ্রহের স্থানে ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা। তাদের আশঙ্কা, ময়লা-আবর্জনা ও জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার হতে পারে।

যাত্রীদের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই রেলওয়ে জংশনে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি পানি সংগ্রহের স্থান ও পানির ট্যাংকি নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ডেঙ্গুর মৌসুমে ময়লা-আবর্জনা অপসারণ ও সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
তারা পানি সংগ্রহের স্থান ও পানির ট্যাংকি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার পাশাপাশি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে যাত্রীদের জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।