ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মেধাতালিকায় প্রথম হয়েও নিয়োগপত্র পাননি ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী জুয়েল রাণীশংকৈলে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীর মৃত্যু বাগমারায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ক্লাব কাপ ওপেন তায়কোয়ানডোতে রাজশাহী দোজাংয়ের ১৫ পদক শিবগঞ্জ সীমান্তে ১১ লাখ টাকার ভারতীয় মোবাইলসহ আটক ১ ভোলাহাটে ছেলের ছু/রিকাঘা/তে সৎ মা নিহত রাজশাহীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫৯ বাগাতিপাড়ায় প্রাণিসম্পদ দপ্তরে জনবল সংকট, ব্যাহত সেবা আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্মেলনে বাউয়েট শিক্ষার্থীর ‘বেস্ট পোস্টার প্রেজেন্টার’ পুরস্কার পুঠিয়ায় বিদ্যালয়ে তালা, প্রধান ফটকে বাঁশের বেড়া; দাতা সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ

মেধাতালিকায় প্রথম হয়েও নিয়োগপত্র পাননি ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী জুয়েল

মো. কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়ঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৫২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে

Juwal Photo

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মেধাতালিকায় প্রথম হয়েও নিয়োগপত্র পাননি ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী জুয়েল

মো. কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়ঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেও নিয়োগপত্র পাননি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী জুয়েল ইসলাম। ২০২৫ সালের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর দ্বিতীয় দফায় অন্য প্রার্থীরা নিয়োগপত্র পেলেও এখনো তার নামে নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।

জুয়েল ইসলাম জানান, ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলায় তিনি মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। তার দাবি, অনেক প্রার্থী ইতোমধ্যে চাকরিতে যোগদান করলেও তিনি এখনো নিয়োগপত্র পাননি।

জুয়েল বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বোদা উপজেলায় মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করি। অনেকে চাকরিতে যোগদান করলেও আমি এখনো নিয়োগপত্র পাইনি।

নিজের পারিবারিক অবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাদের পরিবার নিম্নবিত্ত। পরিবারের সম্পদ বলতে ১৬ থেকে ১৭ শতাংশ বসতভিটা ছাড়া আর কোনো সম্পদ বা আয়ের উৎস নেই। এরই মধ্যে তাঁর চাকরিতে প্রবেশের বয়সও শেষ হয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

জুয়েল আরও বলেন, আমরা তিন ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। খুব কষ্ট করে লেখাপড়া করতে হয়েছে। কিন্তু কী কারণে আমার নাম চূড়ান্ত তালিকায় আসছে না, তা বুঝতে পারছি না।

বিষয়টি জানতে তিনি একাধিকবার জেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করেছেন বলেও দাবি করেন জুয়েল ইসলাম। তবে সেখান থেকে তাকে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি বলে জানান তিনি।

জুয়েলের আকুতি, কর্তৃপক্ষের কাছে আমার আবেদন, আমাকে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হোক। আমার খেটে খাওয়া পরিবারের কথা বিবেচনা করে হলেও যেন আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এদিকে বৃহস্পতিবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্তদের যোগদানের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সুপারিশ পাওয়ার পরও অনেকের নাম চূড়ান্ত নিয়োগের তালিকায় না থাকায় তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে কেউ কেউ পরবর্তী সময়ে নিয়োগপত্র পেয়েছেন, আবার অনেকেই এখনো নিয়োগপত্রের অপেক্ষায় রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মেধাতালিকায় প্রথম হয়েও নিয়োগপত্র পাননি ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী জুয়েল

আপডেট সময় : ০৯:৫২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

মেধাতালিকায় প্রথম হয়েও নিয়োগপত্র পাননি ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী জুয়েল

মো. কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়ঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেও নিয়োগপত্র পাননি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী জুয়েল ইসলাম। ২০২৫ সালের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর দ্বিতীয় দফায় অন্য প্রার্থীরা নিয়োগপত্র পেলেও এখনো তার নামে নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।

জুয়েল ইসলাম জানান, ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলায় তিনি মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। তার দাবি, অনেক প্রার্থী ইতোমধ্যে চাকরিতে যোগদান করলেও তিনি এখনো নিয়োগপত্র পাননি।

জুয়েল বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বোদা উপজেলায় মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করি। অনেকে চাকরিতে যোগদান করলেও আমি এখনো নিয়োগপত্র পাইনি।

নিজের পারিবারিক অবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাদের পরিবার নিম্নবিত্ত। পরিবারের সম্পদ বলতে ১৬ থেকে ১৭ শতাংশ বসতভিটা ছাড়া আর কোনো সম্পদ বা আয়ের উৎস নেই। এরই মধ্যে তাঁর চাকরিতে প্রবেশের বয়সও শেষ হয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

জুয়েল আরও বলেন, আমরা তিন ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। খুব কষ্ট করে লেখাপড়া করতে হয়েছে। কিন্তু কী কারণে আমার নাম চূড়ান্ত তালিকায় আসছে না, তা বুঝতে পারছি না।

বিষয়টি জানতে তিনি একাধিকবার জেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করেছেন বলেও দাবি করেন জুয়েল ইসলাম। তবে সেখান থেকে তাকে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি বলে জানান তিনি।

জুয়েলের আকুতি, কর্তৃপক্ষের কাছে আমার আবেদন, আমাকে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হোক। আমার খেটে খাওয়া পরিবারের কথা বিবেচনা করে হলেও যেন আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এদিকে বৃহস্পতিবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্তদের যোগদানের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সুপারিশ পাওয়ার পরও অনেকের নাম চূড়ান্ত নিয়োগের তালিকায় না থাকায় তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে কেউ কেউ পরবর্তী সময়ে নিয়োগপত্র পেয়েছেন, আবার অনেকেই এখনো নিয়োগপত্রের অপেক্ষায় রয়েছেন।