ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শেরপুরে ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারির মামলায় ১০ ডিলারসহ ১৫ জন কারাগারে সাপাহারে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি নিয়ে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের মতবিনিময় পঞ্চগড়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার লালপুরে মাদক ও সাইবার প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬; ১০৬ পিস ইয়াবা, ৬৮ সিম ও ৯ মোবাইল উদ্ধার শিবগঞ্জে ৩৪ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো গুণী প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত স্বপ্না রানী নলডাঙ্গায় হ/ত্যাচেষ্টার অভিযোগে দুই যুবক গ্রেপ্তার, চাপাতি উদ্ধার নলডাঙ্গায় হালতি বিলের অভয়াশ্রমে মাছ শিকার, ২৬ জনকে জরিমানা শাজাহানপুরে মুড়ি কারখানায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা, ধ্বংস ১০০ কেজি শিল্প লবণ রাআইকন ২০২৬-এর এইচটিএ প্রদর্শনীতে চ্যাম্পিয়ন বাউয়েটের টিম রেজিলিক্স

রাজশাহীতে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাস শ্রমিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মে ২০২৪ ২৯০ বার পড়া হয়েছে

Collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীতে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাস শ্রমিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ!

নিজস্ব প্রতিবেদক, এম এম মামুনঃ
রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিকদের চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে বিক্ষোভ করেছে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা। বুধবার (১ মে) রাজশাহী বাস টার্মিনাল টার্মিনালের সামনে প্রধান সড়কে বাস ও বাঁশ দিয়ে রাস্তা অবরোধ করে এই বিক্ষোভ করে তারা। এ সময় অন্যান্য যানবাহন চলাচলে দেওয়া হয় বাধা। রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ উঠিয়ে নেন।

সূত্রে জানা যায়, এর আগেও শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে ২০২২ সালে সংবাদ সম্মেলন করেন, সংগঠনের সাবেক কোষাধ্যক্ষ জহুরুল ইসলাম জনি। তিনি বলেন, মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতাকে শ্রমিকেরা নির্বাচিত করেছেন তাদের জীবন-জীবিকার মান উন্নয়নের জন্য। কিন্তু হাজার হাজার শ্রমিকের টাকা আত্মসাৎ করে জীবন ও জীবিকা নিয়ে খেলায় মেতেছেন ইউনিয়নের নেতারা। সংগঠনের আয় হলেও জমার খাতায় কারচুপি। প্রতিদিন রাজশাহীর মিনিবাস থেকে আঞ্চলিক কমিটির নামে প্রায় ২০০ গাড়ি থেকে ২০ টাকা করে নেওয়া হয়। ঢাকার লোকাল গাড়ি থেকে ৩১০ টাকা করে তোলা হয়। কিন্তু খাতায় জমা হয় মাত্র ১০০ টাকা। ঢাকার কোচ থেকে প্রতিদিন হাজার টাকা আদায় করা হলেও জমার খাতায় নেই।

রাজশাহীর বাইরে বগুড়া ও রংপুর অঞ্চলের গাড়িপ্রতি দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা তোলা হলেও জমা হয় না। ১০১ জন শ্রমিকের নামে ৩০ টাকা করে তোলা হয়। জমার খাতায় যোগ হয় মাত্র ২০ টাকা করে।
রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হামিদুল আলম সাজু অভিযোগ করে সাংবাদিকদের জানান, রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব হোসেন চৌধুরী দীর্ঘদিন থেকে শ্রমিকদের টাকা আত্মসাৎ করে আসছিলেন। তার কাছে শ্রমিকদের পাওনা ৪ কোটি টাকার বেশি। তাকে বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও শ্রমিকদের অর্থ ফেরত না দেয়ায় প্রতিবাদস্বরূপ তারা আজকের এই কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। তারা টাকা ফেরত না পেলে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা দিবেন।
তবে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব চৌধুরী বলেন, আমি কোন অন্যায় করিনি কোন টাকা আত্মসাৎ করিনি। যা আয় সেটি নিয়ম মতো শ্রমিকদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীতে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাস শ্রমিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ!

আপডেট সময় : ০২:২৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মে ২০২৪

রাজশাহীতে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাস শ্রমিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ!

নিজস্ব প্রতিবেদক, এম এম মামুনঃ
রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিকদের চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে বিক্ষোভ করেছে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা। বুধবার (১ মে) রাজশাহী বাস টার্মিনাল টার্মিনালের সামনে প্রধান সড়কে বাস ও বাঁশ দিয়ে রাস্তা অবরোধ করে এই বিক্ষোভ করে তারা। এ সময় অন্যান্য যানবাহন চলাচলে দেওয়া হয় বাধা। রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ উঠিয়ে নেন।

সূত্রে জানা যায়, এর আগেও শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে ২০২২ সালে সংবাদ সম্মেলন করেন, সংগঠনের সাবেক কোষাধ্যক্ষ জহুরুল ইসলাম জনি। তিনি বলেন, মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতাকে শ্রমিকেরা নির্বাচিত করেছেন তাদের জীবন-জীবিকার মান উন্নয়নের জন্য। কিন্তু হাজার হাজার শ্রমিকের টাকা আত্মসাৎ করে জীবন ও জীবিকা নিয়ে খেলায় মেতেছেন ইউনিয়নের নেতারা। সংগঠনের আয় হলেও জমার খাতায় কারচুপি। প্রতিদিন রাজশাহীর মিনিবাস থেকে আঞ্চলিক কমিটির নামে প্রায় ২০০ গাড়ি থেকে ২০ টাকা করে নেওয়া হয়। ঢাকার লোকাল গাড়ি থেকে ৩১০ টাকা করে তোলা হয়। কিন্তু খাতায় জমা হয় মাত্র ১০০ টাকা। ঢাকার কোচ থেকে প্রতিদিন হাজার টাকা আদায় করা হলেও জমার খাতায় নেই।

রাজশাহীর বাইরে বগুড়া ও রংপুর অঞ্চলের গাড়িপ্রতি দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা তোলা হলেও জমা হয় না। ১০১ জন শ্রমিকের নামে ৩০ টাকা করে তোলা হয়। জমার খাতায় যোগ হয় মাত্র ২০ টাকা করে।
রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হামিদুল আলম সাজু অভিযোগ করে সাংবাদিকদের জানান, রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব হোসেন চৌধুরী দীর্ঘদিন থেকে শ্রমিকদের টাকা আত্মসাৎ করে আসছিলেন। তার কাছে শ্রমিকদের পাওনা ৪ কোটি টাকার বেশি। তাকে বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও শ্রমিকদের অর্থ ফেরত না দেয়ায় প্রতিবাদস্বরূপ তারা আজকের এই কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। তারা টাকা ফেরত না পেলে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা দিবেন।
তবে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব চৌধুরী বলেন, আমি কোন অন্যায় করিনি কোন টাকা আত্মসাৎ করিনি। যা আয় সেটি নিয়ম মতো শ্রমিকদের মাঝে বিতরণ করা হয়।