ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জীবনের বিনিময়ে হলেও স্বাধীনতা-গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকার রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের বহদ্দারহাটে দুই শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, জনমনে স্বস্তি বাগাতিপাড়ায় জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ কটিয়াদীতে টুপির ভেতর ইয়াবা, মুদি দোকানি গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ায় গ্রাম আদালত বিষয়ে সামাজিক নিরীক্ষা অনুষ্ঠিত পুঠিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জনের কারাদণ্ড সারের দাবিতে লালমনিরহাটে মহাসড়ক অবরোধ, আধাঘণ্টা পর সড়ক ছাড়লেন কৃষকরা লালপুরে মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধ, দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৯ লালপুরে ড্রেজার থেকে পদ্মায় পড়ে শিশুর মৃত্যু ঝিনাইগাতীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান দিনমজুর সাহাবুল!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২০:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০২৪ ২৭৪ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগৃহীত

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান দিনমজুর সাহাবুল!

বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
দিনমুজুরের কাজ করে অসুস্থ বৃদ্ধ পিতা, এক ছেলে, দুই মেয়ে ও স্ত্রীসহ ছয় সদস্য নিয়ে জীবন ভালোই চলছিল সাহাবুল ইসলামলের। হঠাৎ করেই প্রায় দেড় বছর আগে বাম পায়ে পচন রোগে আক্রান্ত হন তিনি। বর্তমানে চিকিৎসার অভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করতে বসেছেন অসহায় দরিদ্র দিনমুজুর সাহাবুল ইসলাম। প্রতিবন্ধী হয়ে বাঁচতে চাননা ৩৩ বছর বয়সী সাহাবুল ইসলাম। সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আগের মতো দিনমজরুরের কাজ করে দুবেলা দুমুঠো খেয়েই বেঁচে থাকতে চান তিনি ৬ সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সাহাবুল। সাহাবুল ইসলাম নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের মাড়িয়া তাঁতিপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, একাধিক ডাক্তারের শরনাপন্ন হয়েও সাহাবুল ইসলামের রোগ নির্ণয় করতে পারেননি তারা। মাস দুয়েক আগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, অপারেশন করলে এখনো পা ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তার জন্য প্রয়োজন হবে প্রায় লাখ খানেক টাকা। যা শুনে সাহাবুল এখন দিশেহারা হয়ে রাজশাহী হাসপাতাল থেকে ফিরে আসেন বাড়িতে। এখন জীবন যুদ্ধে টিকে থাকা নিয়ে হতাশায় পড়েছেন তিনি। এদিকে একমাত্র উপার্জনকারী সাহাবুলের পায়ের সমস্য নিয়ে চলাফেরা বন্ধ হওয়ায় কাজ করতে না পেরে ৬ সদস্যের সংসারে নেমে আসে ঘোর আধার। পরিবারটি যেন প্রতিনিয়ত ধুকে ধুকে মরছে। জীবন-জিবীকার জন্য তার স্ত্রী কাজ করছেন অন্যের বাড়িতে। সাহাবুলের বাড়িতে যারাই যাচ্ছে তাদের দিকে মায়ার দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকছে অবুঝ তিন শিশু সন্তান ও অসুস্থ বৃদ্ধ পিতা।

সাহাবুল ইসলাম জানান, বছর দেড়েক আগে বাম পায়ের টাকনু ফুলে যায়। তারপর আস্তে আস্তে সেখানে ঘা হয়ে ক্যালসিয়াম বের হতে থাকে। পরে বেশ কয়েকজন ডাক্তার দেখালেও তারা রোগ নির্ণয় করতে পারেনি। মাস দুয়েক আগে তার অবস্থা বেশি খারাপ হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে এক ডাক্তার জানান, এখানো অপারেশনের মাধ্যমে পা ভালো হবার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চিকিৎসা করতে প্রায় লাখ খানেক টাকা প্রয়োজন। সেই টাকা না থাকায় চিকিৎসা না করিয়ে সাহাবুলের পরিবার সেখান থেকে তাকে ফিরিয়ে আনেন। বর্তমানে তিনি দুই পায়ে ক্র্যাচে ভর করে চলছেন। রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে আবার কাজ কাম করে পরিবার নিয়ে বাঁচার ইচ্ছা তার।

দিনমুজুরের কাজ করে অসুস্থ বৃদ্ধ পিতা, এক ছেলে, দুই মেয়ে ও স্ত্রীসহ ছয় সদস্য নিয়ে জীবন ভালোই চলছিল সাহাবুল ইসলামলের। হঠাৎ করেই প্রায় দেড় বছর আগে বাম পায়ে পচন রোগে আক্রান্ত হন তিনি। বর্তমানে চিকিৎসার অভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করতে বসেছেন অসহায় দরিদ্র দিনমুজুর সাহাবুল ইসলাম। প্রতিবন্ধী হয়ে বাঁচতে চাননা ৩৩ বছর বয়সী সাহাবুল ইসলাম। সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আগের মতো দিনমজরুরের কাজ করে দুবেলা দুমুঠো খেয়েই বেঁচে থাকতে চান তিনি ৬ সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সাহাবুল। সাহাবুল ইসলাম নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের মাড়িয়া তাঁতিপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।
সংগৃহীত ছবি

অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে সাহাবুলের অসুস্থ পিতা লুৎফর রহমান বলেন, আমি বৃদ্ধ মানুষ চলতে পারিনা আবার আমার স্টোকও করছে। এদিকে আমার ছাওয়ালডারো এই অবস্থা আমার ছাওয়ালসহ আমরা কি করে বাচবো জানিনা। আপনেরা যদি পারেন আমার ছাওয়ালডাক সুস্থ্য করার ব্যবস্থা করে দেন।

সাহাবুলের স্ত্রী তানিয়া খাতুন বলেন, অভাব অনটনের মধ্য দিয়েও আমাদের সংসার ভালোই চলছিল। তবে আমার স্বামীর এই অবস্থা হওয়ায় আমরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোন মতে বেচে থাকার যুদ্ধ করতে পারলেও চিকিৎসা করানোর মত এত টাকা আমাদের নাই। জানিনা স্বামীকে কি করে বাচাবো।

সাহাবুলের এক প্রতিবেশী সাথি খাতুন বলেন, ইনারা পরিবার নিয়ে খুবই দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে। যদি সাহাবুলের চিকিৎসা করে বাচানো যেত তবে পরিবারটা হয়তো বেচে যেত। তার পরিবারের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান ব্যক্তির সহায়তা কামনা করে তার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর ০১৭৩৮ ৩৪৭৬৪৩ – এ যোগাযোগের অনুরোধ করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান দিনমজুর সাহাবুল!

আপডেট সময় : ১০:২০:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০২৪

সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান দিনমজুর সাহাবুল!

বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
দিনমুজুরের কাজ করে অসুস্থ বৃদ্ধ পিতা, এক ছেলে, দুই মেয়ে ও স্ত্রীসহ ছয় সদস্য নিয়ে জীবন ভালোই চলছিল সাহাবুল ইসলামলের। হঠাৎ করেই প্রায় দেড় বছর আগে বাম পায়ে পচন রোগে আক্রান্ত হন তিনি। বর্তমানে চিকিৎসার অভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করতে বসেছেন অসহায় দরিদ্র দিনমুজুর সাহাবুল ইসলাম। প্রতিবন্ধী হয়ে বাঁচতে চাননা ৩৩ বছর বয়সী সাহাবুল ইসলাম। সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আগের মতো দিনমজরুরের কাজ করে দুবেলা দুমুঠো খেয়েই বেঁচে থাকতে চান তিনি ৬ সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সাহাবুল। সাহাবুল ইসলাম নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের মাড়িয়া তাঁতিপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, একাধিক ডাক্তারের শরনাপন্ন হয়েও সাহাবুল ইসলামের রোগ নির্ণয় করতে পারেননি তারা। মাস দুয়েক আগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, অপারেশন করলে এখনো পা ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তার জন্য প্রয়োজন হবে প্রায় লাখ খানেক টাকা। যা শুনে সাহাবুল এখন দিশেহারা হয়ে রাজশাহী হাসপাতাল থেকে ফিরে আসেন বাড়িতে। এখন জীবন যুদ্ধে টিকে থাকা নিয়ে হতাশায় পড়েছেন তিনি। এদিকে একমাত্র উপার্জনকারী সাহাবুলের পায়ের সমস্য নিয়ে চলাফেরা বন্ধ হওয়ায় কাজ করতে না পেরে ৬ সদস্যের সংসারে নেমে আসে ঘোর আধার। পরিবারটি যেন প্রতিনিয়ত ধুকে ধুকে মরছে। জীবন-জিবীকার জন্য তার স্ত্রী কাজ করছেন অন্যের বাড়িতে। সাহাবুলের বাড়িতে যারাই যাচ্ছে তাদের দিকে মায়ার দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকছে অবুঝ তিন শিশু সন্তান ও অসুস্থ বৃদ্ধ পিতা।

সাহাবুল ইসলাম জানান, বছর দেড়েক আগে বাম পায়ের টাকনু ফুলে যায়। তারপর আস্তে আস্তে সেখানে ঘা হয়ে ক্যালসিয়াম বের হতে থাকে। পরে বেশ কয়েকজন ডাক্তার দেখালেও তারা রোগ নির্ণয় করতে পারেনি। মাস দুয়েক আগে তার অবস্থা বেশি খারাপ হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে এক ডাক্তার জানান, এখানো অপারেশনের মাধ্যমে পা ভালো হবার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চিকিৎসা করতে প্রায় লাখ খানেক টাকা প্রয়োজন। সেই টাকা না থাকায় চিকিৎসা না করিয়ে সাহাবুলের পরিবার সেখান থেকে তাকে ফিরিয়ে আনেন। বর্তমানে তিনি দুই পায়ে ক্র্যাচে ভর করে চলছেন। রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে আবার কাজ কাম করে পরিবার নিয়ে বাঁচার ইচ্ছা তার।

দিনমুজুরের কাজ করে অসুস্থ বৃদ্ধ পিতা, এক ছেলে, দুই মেয়ে ও স্ত্রীসহ ছয় সদস্য নিয়ে জীবন ভালোই চলছিল সাহাবুল ইসলামলের। হঠাৎ করেই প্রায় দেড় বছর আগে বাম পায়ে পচন রোগে আক্রান্ত হন তিনি। বর্তমানে চিকিৎসার অভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করতে বসেছেন অসহায় দরিদ্র দিনমুজুর সাহাবুল ইসলাম। প্রতিবন্ধী হয়ে বাঁচতে চাননা ৩৩ বছর বয়সী সাহাবুল ইসলাম। সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আগের মতো দিনমজরুরের কাজ করে দুবেলা দুমুঠো খেয়েই বেঁচে থাকতে চান তিনি ৬ সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সাহাবুল। সাহাবুল ইসলাম নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের মাড়িয়া তাঁতিপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।
সংগৃহীত ছবি

অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে সাহাবুলের অসুস্থ পিতা লুৎফর রহমান বলেন, আমি বৃদ্ধ মানুষ চলতে পারিনা আবার আমার স্টোকও করছে। এদিকে আমার ছাওয়ালডারো এই অবস্থা আমার ছাওয়ালসহ আমরা কি করে বাচবো জানিনা। আপনেরা যদি পারেন আমার ছাওয়ালডাক সুস্থ্য করার ব্যবস্থা করে দেন।

সাহাবুলের স্ত্রী তানিয়া খাতুন বলেন, অভাব অনটনের মধ্য দিয়েও আমাদের সংসার ভালোই চলছিল। তবে আমার স্বামীর এই অবস্থা হওয়ায় আমরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোন মতে বেচে থাকার যুদ্ধ করতে পারলেও চিকিৎসা করানোর মত এত টাকা আমাদের নাই। জানিনা স্বামীকে কি করে বাচাবো।

সাহাবুলের এক প্রতিবেশী সাথি খাতুন বলেন, ইনারা পরিবার নিয়ে খুবই দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে। যদি সাহাবুলের চিকিৎসা করে বাচানো যেত তবে পরিবারটা হয়তো বেচে যেত। তার পরিবারের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয়বান ব্যক্তির সহায়তা কামনা করে তার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর ০১৭৩৮ ৩৪৭৬৪৩ – এ যোগাযোগের অনুরোধ করেছেন।