তানোরে জনরোষের মুখে নিয়োগ পরীক্ষা পন্ড!
- আপডেট সময় : ০৯:৪৯:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩ ২৯৭ বার পড়া হয়েছে

তানোরে জনরোষের মুখে নিয়োগ পরীক্ষা পন্ড!
তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
তানোরে জনরোষের মুখে নিয়োগ পরীক্ষা পন্ড! রাজশাহীর তানোর পৌরসভা দাখিল মাদ্রাসায় জনবল নিয়োগের পরীক্ষা না নিয়ে জনরোষের মুখে লাপাত্তা হয়েছে সুপার ও সভাপতি। পন্ড হয়েছে নিয়োগ পরীক্ষা। ডিজির প্রতিনিধি ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাও বাধ্য হয়ে রাস্তা থেকেই ফিরে গেছে। একারণে মাদরাসা এলাকায় বিস্ফোরণমুখ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। জানা গেছে, তানোর পৌরসভা দাখিল মাদরাসায় আয়া ও নিরাপত্তা কর্মী দুটি পদে জনবল নিয়োগের পরীক্ষার জন্য (১৯মে শুক্রবার) দিন ধার্য ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন আবেদনকারীরা পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা মাদরাসায় অবস্থান করেন।
কিন্তু পচ্ছন্দের প্রার্থীর নিয়োগ হবে কি না সেটা নিয়ে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হলে সভাপতি ইকবাল মোল্লা ও সুপার মুনসুর রহমান কৌশলে লাপাত্তা হয়। এ ঘটনায় চাকরি প্রত্যাশীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে সুপার এবং সভাপতির অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মাদরাসা চত্ত্বরে বিক্ষোভ করে। নিয়োগ পরীক্ষার খবর শোনে গ্রামের প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ সেখানে জড়ো হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সহকারী শিক্ষক বলেন, আয়া ও নিরাপত্তা কর্মী দুটি পদের বিপরীতে সুপার প্রায় ৬ জনের কাছে থেকে টাকা নিয়েছে। আর এই জন্য তিনি বেশ কদিন যাবত মাদরাসায় আসছেন না। কারণ সুপার মাদরাসায় আশামাত্র পাওনাদারগণ ধরবে। একারণে সুপার কৌশল করে বার বার পরীক্ষা পেছাচ্ছে। গত ৩০ মার্চ চাকরির নামে দেয়া ৪ লাখ টাকা আদায়ের জন্য সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে, চাকরি প্রার্থীর স্বজনরা সুপার মুনসুর রহমানকে ধরে উত্তম-মধ্যম দিয়ে থানায় দিতে চান। কিন্তু স্থানীয়দের অনুরোধে তালন্দ ইউপি চেয়ারম্যান বসে মিমাংসা করে দেন। তবে সুপারের দাবি এসব সুদের টাকা।
সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, তানোর পৌরসভা দাখিল মাদ্রাসায় নিরাপত্তা ও আয়া পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য গত ১৪ মে শনিবার মাদ্রাসার প্যাডে সুপার মুনসুরের স্বাক্ষরিত নিয়োগ পরীক্ষার জন্য স্বাক্ষাৎকার/প্রবেশপত্র দেওয়া হয়। নিরাপত্তা কর্মী পদের আবেদনকারী সাফিউল ইসলাম, আশিক হাসান ও আয়া পদে নাসিমা, শিমানা ও জুথিসহ আরো কয়েকজন জানান, গত ১৪মে প্রবেশপত্র দিয়ে বলা হয়েছে ১৯মে শুক্রবার সকাল ৯ টার সময় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সে অনুযায়ী তারা শুক্রবার সকাল ৮টায় মাদরাসায় উপস্থিত হয়েছিলেন। কিন্ত্ত দুপুর ১২টার পর তাদের জানানো হয় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে মাদরাসার সুপার মুনসুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি রাজশাহীতে আছেন, সমস্যার জন্য পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিতের বিষয়ে আবেদনকারীরা না কি কিছুই জানেন না এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন হঠাৎ কর্মকর্তা অসুস্থ এজন্য স্থগিত জানানোর সময় পাওয়া যায়নি। এবিষয়ে জানতে চাইলে মাদরাসার সভাপতি ইকবাল মোল্লা জানান, রাজশাহীতে পরীক্ষা হয়ে গেছে এই মাত্র সই স্বাক্ষর হলো।























