ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঠাকুরগাঁও সীমান্তে মানসিক ভারসাম্যহীন ভারতীয় নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা, ফেরত পাঠালো বিজিবি রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ গ্রেপ্তার ৫ বড়বাড়ি সীমান্তে ১০ জনকে পুশইনের চেষ্টা, ৩৬ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জিরো লাইনে মানবেতর জীবন নাটোরে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারাগাছ বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও জলবায়ু সচেতনতা সভা নালিতাবাড়ী সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, বিজিবির কঠোর নজরদারিতে রুখে দেওয়া হলো অপপ্রয়াস রাণীনগরে পুলিশের উপর হামলা মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার ১ বাগাতিপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি ও আলোচনা সভা নাটোরে শিশুদের বইপাঠ ও গাছ চেনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে ঘুঘুর ছানা ধরতে গিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কিশোরের মৃত্যু দুই মাস ধরে ভাঙা কালভার্ট, চরম দুর্ভোগে বাগাতিপাড়া পৌরসভার হাজারো মানুষ

হেমন্তেই শিশির বিন্দুতে ঢেকে গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রকৃতি!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২২ ২০১ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ের প্রকৃতি হেমন্তেই শিশির বিন্দুতে ঢেকে গেছে

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হেমন্তেই শিশির বিন্দুতে ঢেকে গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রকৃতি!

আলমগীর হোসেন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
হেমন্তেই শিশির বিন্দুতে ঢেকে গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রকৃতি! গভীর রাত থেকে সকাল ৭ পর্যন্ত হালকা কুয়াশা ও শিশির বিন্দু ঢেকে ফেলছে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রকৃতিকে। ঋতু চক্রের পথ পরিক্রমায় এখনো শেষ হয়নি শরত বন্ধনা। এর মধ্যে শীতের আমেজকে অনেকে প্রকৃতির বৈরী খেয়াল বলে মনে করছেন। কয়েকদিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টির পরেও দিনে গরমের পাশাপাশি আকাশে ভাসছে সাদা মেঘের ভেলা।
মাঠে চোখ মেললেই দেখা যায় ঘাস ও ধানের কচি ডগায় জমছে শিশির বিন্দু। সেই সঙ্গে অনুভূত হচ্ছে হিম হাওয়া। যেন হেমন্ত তার প্রকৃতির সবটুকু উজাড় করে বিলিয়ে দিচ্ছে। বাংলা বর্ষ পঞ্জিকা মতে এখন শরত ঋতুর শেষ পর্যায়ে। কার্তিক কড়া নাড়ছে দোরগোড়ায়। কার্তিকে শুরু হবে হেমন্তের পথ চলা। শেষ হবে অগ্রহায়ণে। হেমন্তের পরে শীত ঋতু আসার নিয়ম প্রকৃতিতে। কিন্তু এবার হেমন্তেই শীতের আগমন ঘটবে বলে অনেকে মনে করছেন।
ক্লান্ত দুপুরে সোনাঝড়া রোদের পাশাপাশি সকাল সন্ধ্যায় ঘাসের ডগায় জমা শিশির বিন্দু, হিম বাতাস ও কুয়াশার উপস্থিতি এই বার্তাই দিচ্ছে কার্তিকের হাত ধরে চলে এলো নবান্নের ঋতু হেমন্ত।

এলাকাবাসীরা জানান, সকাল বেলায় মাঝে মধ্যে পুরো এলাকা কুয়াশায় ছেয়ে যাচ্ছে। ঘাস ও গাছের পাতায় জমে থাকছে শিশির বিন্দু। মাঠের পর মাঠ সবুজ খেত ফোঁটা ফোঁটা শিশির বিন্দুতে ঢেকে থাকে। আবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে সূর্যের তাপ। বিকেল হলে কমতে থাকে তাপমাত্রা।
এবার একটু আগাম শীতের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে বলে জানান রেজাউল করিম নামে একব্যক্তি। তিনি বলেন, শরতে সাধারণত শীত ও শিশির বিন্দু পড়তে কম দেখা যায়। প্রকৃতিতে সাধারণত এটা হবার কথা নয়। আকচা ইউনিনের সাগর নামে এক কৃষক বলেন, এ সময় শিশির বিন্দু ফসলের জন্য কিছুটা উপকার বয়ে আনবে। ভোর বেলা শিশির ভেজা পথে হাঁটতে খুব ভালো লাগছে। কয়েক দিনের বৃষ্টির পরে দিনে প্রচন্ড গরম আবার ভোররাতে শীত। শরতকালে এমনটা হওয়ার কথা না থাকলেও এমনটাই হচ্ছে। এদিকে গভীর রাত থেকে সকাল ৭-৮টা পর্যন্ত অনেক স্থানে শিশির পড়তে দেখা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হেমন্তেই শিশির বিন্দুতে ঢেকে গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রকৃতি!

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২২

হেমন্তেই শিশির বিন্দুতে ঢেকে গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রকৃতি!

আলমগীর হোসেন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
হেমন্তেই শিশির বিন্দুতে ঢেকে গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রকৃতি! গভীর রাত থেকে সকাল ৭ পর্যন্ত হালকা কুয়াশা ও শিশির বিন্দু ঢেকে ফেলছে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রকৃতিকে। ঋতু চক্রের পথ পরিক্রমায় এখনো শেষ হয়নি শরত বন্ধনা। এর মধ্যে শীতের আমেজকে অনেকে প্রকৃতির বৈরী খেয়াল বলে মনে করছেন। কয়েকদিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টির পরেও দিনে গরমের পাশাপাশি আকাশে ভাসছে সাদা মেঘের ভেলা।
মাঠে চোখ মেললেই দেখা যায় ঘাস ও ধানের কচি ডগায় জমছে শিশির বিন্দু। সেই সঙ্গে অনুভূত হচ্ছে হিম হাওয়া। যেন হেমন্ত তার প্রকৃতির সবটুকু উজাড় করে বিলিয়ে দিচ্ছে। বাংলা বর্ষ পঞ্জিকা মতে এখন শরত ঋতুর শেষ পর্যায়ে। কার্তিক কড়া নাড়ছে দোরগোড়ায়। কার্তিকে শুরু হবে হেমন্তের পথ চলা। শেষ হবে অগ্রহায়ণে। হেমন্তের পরে শীত ঋতু আসার নিয়ম প্রকৃতিতে। কিন্তু এবার হেমন্তেই শীতের আগমন ঘটবে বলে অনেকে মনে করছেন।
ক্লান্ত দুপুরে সোনাঝড়া রোদের পাশাপাশি সকাল সন্ধ্যায় ঘাসের ডগায় জমা শিশির বিন্দু, হিম বাতাস ও কুয়াশার উপস্থিতি এই বার্তাই দিচ্ছে কার্তিকের হাত ধরে চলে এলো নবান্নের ঋতু হেমন্ত।

এলাকাবাসীরা জানান, সকাল বেলায় মাঝে মধ্যে পুরো এলাকা কুয়াশায় ছেয়ে যাচ্ছে। ঘাস ও গাছের পাতায় জমে থাকছে শিশির বিন্দু। মাঠের পর মাঠ সবুজ খেত ফোঁটা ফোঁটা শিশির বিন্দুতে ঢেকে থাকে। আবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে সূর্যের তাপ। বিকেল হলে কমতে থাকে তাপমাত্রা।
এবার একটু আগাম শীতের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে বলে জানান রেজাউল করিম নামে একব্যক্তি। তিনি বলেন, শরতে সাধারণত শীত ও শিশির বিন্দু পড়তে কম দেখা যায়। প্রকৃতিতে সাধারণত এটা হবার কথা নয়। আকচা ইউনিনের সাগর নামে এক কৃষক বলেন, এ সময় শিশির বিন্দু ফসলের জন্য কিছুটা উপকার বয়ে আনবে। ভোর বেলা শিশির ভেজা পথে হাঁটতে খুব ভালো লাগছে। কয়েক দিনের বৃষ্টির পরে দিনে প্রচন্ড গরম আবার ভোররাতে শীত। শরতকালে এমনটা হওয়ার কথা না থাকলেও এমনটাই হচ্ছে। এদিকে গভীর রাত থেকে সকাল ৭-৮টা পর্যন্ত অনেক স্থানে শিশির পড়তে দেখা গেছে।