নির্বাচনে সহিংসতার কোনো সম্ভাবনা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- আপডেট সময় : ০২:০১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২০৩ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচনে সহিংসতার কোনো সম্ভাবনা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রাজশাহীতে মতবিনিময় সভা শেষে মন্তব্য; নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের তথ্য
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহিংসতার কোনো সম্ভাবনাই নেই। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মিলনায়তনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশের মধ্যে ‘মব’ ভীতি রয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘মব ভায়োলেন্স বলতে কোনো কিছু নেই। পুলিশের ভেতরে কোনো ভীতি কাজ করছে না।’ এ সময় তিনি উপস্থিত পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ কমিশনারকে দেখিয়ে বলেন, ‘এই যে তাকাইয়া দেখো, ভীত মনে হচ্ছে?’
তিনি জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে। যেসব কেন্দ্রে সীমানা প্রাচীর নেই, সেখানে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে বাঁশের বেড়া দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
অবৈধ অস্ত্র নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, নির্বাচনে সারাদেশে সেনাবাহিনীর প্রায় এক লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিজিবির ৩৭ হাজার, কোস্ট গার্ডের চার হাজার, পুলিশের দেড় লাখ, র্যাবের নয় হাজার এবং আনসারের পাঁচ লক্ষাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
এর আগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি। সভায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার ড. জিল্লুর রহমানসহ বিভাগের আট জেলার পুলিশ সুপার, আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) অংশ নেন।




















