ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পঞ্চগড়ে আলোচিত মানিক হ/ত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি, বড় বোন গ্রেপ্তার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন ঠাকুরগাঁওয়ে ডিসি অফিসের কর্মচারী ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা, তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে আদালতের তলব সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের দুই সহোদর নিহত, গ্রামে শোকের মাতম রায়পুরায় নদীতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসার চার শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ে বজ্রপাতে বাবা-ছেলের মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে বাগাতিপাড়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন রাজশাহীতে ধ/র্ষ/ণ মামলার রায় পুনর্বিবেচনা ও শি/শু ধ’র্ষ’ণে’র বিচার দাবিতে মানববন্ধন যাত্রীবেশে নারীকে কু’পিয়ে ছিনতাই, ১৮ ঘণ্টার মধ্যেই মূল হোতাসহ দুইজন গ্রেপ্তার পঞ্চগড়ে মহারাজার দিঘি থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার, পাশে মিলল চিরকুট

নিয়ামতপুরে মামলা নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ছলচাতুরির অভিযোগ

আল আমিন স্বাধীন, মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১২:৪০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫ ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিয়ামতপুরে মামলা নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ছলচাতুরির অভিযোগ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে মারধরের একটি মামলা নিয়ে থানা পুলিশের বিরুদ্ধে ছলচাতুরির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মারধরের ঘটনায় মামলা না নিয়ে প্রতিপক্ষের দেওয়া ৫ লাখ টাকার চাঁদাবাজির একটি মামলা রেকর্ডভূক্ত করে পুলিশ। এর ৪দিন পর প্রধান অভিযুক্তকে বাদ দিয়ে মারধরের মামলা নেওয়া হয়। শনিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে মান্দা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন মামলার বাদী সেকেন্দার আলী। তিনি নিয়ামতপুর উপজেলার ঝাঁজিরা গ্রামের মৃত ফজর উদ্দিন মোল্লার ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে সেকেন্দার আলী বলেন, ‘নিয়ামতপুরের বালাহৈর মৌজায় চার ইউনিটের একটি ফ্ল্যাট বাসা নিয়ে আমার ৩ নম্বর ভাই সাইদুর রহমানের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। গত ৩ এপ্রিল ছোটভাই সাইফুল ইসলামের ইউনিটের তালা ভেঙে দখল করে নেন ৩ নম্বর ভাই সাইদুর রহমান।’
ভুক্তভোগী সেকেন্দার আলী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমার ছেলে আল আমিন ও ভাতিজা আব্দুর রহমান সেখানে গেলে তাদের মারধর করে সাইদুর রহমান, তার স্ত্রী রাবেয়া বেগমসহ ভাড়াটিয়া লোকজন। পরে স্থানীয় লোকজন আহত আল আমিন ও আব্দুর রহমানকে নিয়ামতপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন। হামলাকারীরা আল আমিনের একটি মোটরসাইকেল বাড়িতে আটকে রাখে। ঘটনায় ওইদিন সাইদুর রহমান, রাবেয়া বেগমসহ ৬জনের বিরুদ্ধে নিয়ামতপুর থানায় অভিযোগ করি।’

সংবাদ সম্মেলনে সেকেন্দার আলী অভিযোগ করে বলেন, ‘ঘটনায় পুলিশ আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে টালবাহানা করতে থাকে। গত ৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নিয়ামতপুর বাজারের একটি দোকানে থানার এসআই এমদাদুল হক একটি টাইপ করা কাগজে আমার স্বাক্ষর নেন। আমাকে ওই কাগজটি পড়তেও দেওয়া হয়নি। পরে দেখি প্রধান অভিযুক্ত রাবেয়া বেগমের নাম বাদ দিয়ে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।’

ভুক্তভোগী সেকেন্দার আলীর অভিযোগ, ‘মারধরের ওই ঘটনায় একই তারিখ ও সময় উল্লেখ করে গত ৭ এপ্রিল ১০টা ৫ মিনিটে আমিসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকার চাঁদা দাবির একটি মামলা রেকর্ডভূক্ত করা হয়। আর মারধরের মামলাটি রেকর্ড করা হয় এর ২৫ মিনিট পর ১০টা ৩০ মিনিটে। থানা পুলিশের এ ধরণের ছলচাতুরিতে আমি হতবাক হয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জোর দাবি করছি।’
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সাইদুর রহমানের মোবাইলফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান মোবাইলফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে মান্দা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জাকিরুল ইসলাম বলেন, এ সংক্রান্ত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নিয়ামতপুরে মামলা নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ছলচাতুরির অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:৪০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

নিয়ামতপুরে মামলা নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ছলচাতুরির অভিযোগ

নওগাঁর নিয়ামতপুরে মারধরের একটি মামলা নিয়ে থানা পুলিশের বিরুদ্ধে ছলচাতুরির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মারধরের ঘটনায় মামলা না নিয়ে প্রতিপক্ষের দেওয়া ৫ লাখ টাকার চাঁদাবাজির একটি মামলা রেকর্ডভূক্ত করে পুলিশ। এর ৪দিন পর প্রধান অভিযুক্তকে বাদ দিয়ে মারধরের মামলা নেওয়া হয়। শনিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে মান্দা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন মামলার বাদী সেকেন্দার আলী। তিনি নিয়ামতপুর উপজেলার ঝাঁজিরা গ্রামের মৃত ফজর উদ্দিন মোল্লার ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে সেকেন্দার আলী বলেন, ‘নিয়ামতপুরের বালাহৈর মৌজায় চার ইউনিটের একটি ফ্ল্যাট বাসা নিয়ে আমার ৩ নম্বর ভাই সাইদুর রহমানের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। গত ৩ এপ্রিল ছোটভাই সাইফুল ইসলামের ইউনিটের তালা ভেঙে দখল করে নেন ৩ নম্বর ভাই সাইদুর রহমান।’
ভুক্তভোগী সেকেন্দার আলী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমার ছেলে আল আমিন ও ভাতিজা আব্দুর রহমান সেখানে গেলে তাদের মারধর করে সাইদুর রহমান, তার স্ত্রী রাবেয়া বেগমসহ ভাড়াটিয়া লোকজন। পরে স্থানীয় লোকজন আহত আল আমিন ও আব্দুর রহমানকে নিয়ামতপুর হাসপাতালে ভর্তি করেন। হামলাকারীরা আল আমিনের একটি মোটরসাইকেল বাড়িতে আটকে রাখে। ঘটনায় ওইদিন সাইদুর রহমান, রাবেয়া বেগমসহ ৬জনের বিরুদ্ধে নিয়ামতপুর থানায় অভিযোগ করি।’

সংবাদ সম্মেলনে সেকেন্দার আলী অভিযোগ করে বলেন, ‘ঘটনায় পুলিশ আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে টালবাহানা করতে থাকে। গত ৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নিয়ামতপুর বাজারের একটি দোকানে থানার এসআই এমদাদুল হক একটি টাইপ করা কাগজে আমার স্বাক্ষর নেন। আমাকে ওই কাগজটি পড়তেও দেওয়া হয়নি। পরে দেখি প্রধান অভিযুক্ত রাবেয়া বেগমের নাম বাদ দিয়ে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।’

ভুক্তভোগী সেকেন্দার আলীর অভিযোগ, ‘মারধরের ওই ঘটনায় একই তারিখ ও সময় উল্লেখ করে গত ৭ এপ্রিল ১০টা ৫ মিনিটে আমিসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকার চাঁদা দাবির একটি মামলা রেকর্ডভূক্ত করা হয়। আর মারধরের মামলাটি রেকর্ড করা হয় এর ২৫ মিনিট পর ১০টা ৩০ মিনিটে। থানা পুলিশের এ ধরণের ছলচাতুরিতে আমি হতবাক হয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জোর দাবি করছি।’
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সাইদুর রহমানের মোবাইলফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান মোবাইলফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে মান্দা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জাকিরুল ইসলাম বলেন, এ সংক্রান্ত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।