১৩ উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু হচ্ছে ১০ মার্চ
- আপডেট সময় : ০১:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪০৬ বার পড়া হয়েছে

১৩ উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু হচ্ছে ১০ মার্চ
এক কার্ডেই মিলবে একাধিক সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা; পাঁচ কার্যদিবসে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত
সরকার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করতে দেশের ১৩টি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১০ মার্চ প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় জানানো হয়, শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রাথমিকভাবে যেসব এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে সেগুলো হলো— বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাগঞ্জ।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। নির্বাচিত পরিবারগুলোকে চার শ্রেণিতে ভাগ করা হবে— হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত।
অর্থ বিভাগের সচিব জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সমন্বিত করা হবে। এর আওতায় থাকবে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কার্ড এবং ভ্যালনারেবল উইমেন বেনিফিটসহ অন্যান্য সুবিধা। উপকারভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর ও ইউনিয়নের নাম বাধ্যতামূলক থাকবে। দ্বৈত সুবিধা রোধে অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে তথ্য আন্তঃসংযোগ স্থাপন করা হবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে পাঁচজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বড় পরিবারের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচজনের জন্য পৃথক কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না, তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সুবিধা পাবেন।
উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে। অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। নারীদের খানা প্রধান হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, যদিও তারা অন্য ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না; তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সুবিধা পেতে পারবেন।
সরকার জানিয়েছে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারকে সামাজিক নিরাপত্তা প্রদানে আরও সমন্বিত ও কার্যকর কাঠামো গড়ে তোলা হবে।




















