বাগাতিপাড়ায় জামায়াত-শিবিরের শোকরানা মিছিল-সমাবেশ ও সংখ্যালঘুদের সাথে সাক্ষাৎ
- আপডেট সময় : ০২:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অগাস্ট ২০২৪ ২৮৮ বার পড়া হয়েছে

বাগাতিপাড়ায় জামায়াত-শিবিরের শোকরানা মিছিল-সমাবেশ ও সংখ্যালঘুদের সাথে সাক্ষাৎ
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় দীর্ঘ কয়েক বছর পর প্রধান সড়কে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম ও ইসলামি ছাত্র শিবিরের আয়োজনে স্বৈরশাসক পতনের জন্য শোকরানা মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৯ আগস্ট) জম্মা নামাজ পর সাড়ে ৩ টায় উপজেলার প্রাণকেন্দ্র মালঞ্চি বাজারে জড়ো হতে থাকেন সংগঠনটির নেতা কর্মীরা, পরে সেখানে থেকে মোটরসাইকেল যোগে দয়ারামপুর ও তমালতলা বাজার এলাকায় স্বৈরশাসক পতনের জন্য শোকরানা মিছিল করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন বাজারের অবস্থিত অনন্য ধর্মালম্বীদের উপাসনালয় গিয়ে খোঁজ খবর নিতে দেখা যায় ও সংখ্যালঘুদের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেন দলটির নেতা কর্মীরা।
শুক্রবার শোকরানা মিছিল শেষে উপজেলার ছাতিয়ানতলা বাজারে গিয়ে পথসভা করেন তারা। পথসভার প্রথমেই এ বিজয় ও স্বৈরশাসনের পতনের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালা নিকট শুকরিয়া আদায় করেন ও গভীর ভাবে স্মরণ করেন সে সকল ছাত্রদের যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ এ বিজয়, এছাড়াও যারা আন্দোলন মৃত্যু বরন করেছেন তাদেরকে শহীদের মর্যাদা ও যারা জীবিত আছেন তাদেরকে গাজী হিসেবে যেন মহান আল্লাহ তায়ালা কবুল করেন সেই দোয়া করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাগাতিপাড়া শাখার আমির মাওলানা আফজাল হোসেন।

সাবেক ছাত্রনেতা আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জেলা দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, বাগাতিপাড়া থানা শাখার আমির মাওলানা আফজাল হোসেন, নায়েবে আমির আনোয়ার হোসেন, সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মমতাজ আলী সহ ছাত্র শিবিরের সভাপতি মিঠু সরকার ও সেক্রেটারি শাহীন আলম।
বক্তারা বলেন, জামায়াত-শিবির চাইলে বড় সমাবেশ করতে পারতো, কিন্তু তারা সেটা না-করে, তারা শহীদদের বাড়িতে বাড়িতে হাজির হচ্ছে ও তারা হসপিটালের দরজায় গিয়ে অসুস্থদের দেখছে। তারা হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধদের উপসনালয়গুলো পাহারা দিচ্ছেন, বিগত ১৬ বছরে সবচেয়ে মাজলুম দলটি সকলকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। কারণ এই দলটি রাসূলের আদর্শ বুকে ধারণ করে চলে। তারা আরো বলেন, মক্কা বিজয়ের পরে আল্লাহর রাসূল (সা:) মক্কার কাবার চত্বরে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন আমি আমার ভাই ইউসুফকে অনুসরণ করছি, আমার ভাই ইউসুফ তার ভাইদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছিল আমি মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কার সবাইকে ক্ষমা করে দিলাম। সুতরাং আমরাও বাগাতিপাড়ার সকলেই ভাই ভাই, আমাদের মধ্যে কোন হিংসা বিদ্বেষ নেই, আসুন আমরা সকলেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশটাকে ঘুষ, সুদ ও দূর্নীতি মুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয় নিই।

অপরদিকে বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির বৃহস্পতিবার নানা ধরণের কর্মসূচি পালন করেন, উল্লেখ্যযোগ্য বাগাতিপাড়া মডেল থানার ওসিসহ সকল স্টাফদের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেন এবং একে অপরের সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আহবান করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন মন্দির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করেন। কোন মন্দির অনিরাপদ মনে হলে সেখানে সংগঠনের ছাত্রদের দিয়ে নিরাপত্তার বিষয় নিশ্চিত করেন।


















