ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দুই মাস ধরে ভাঙা কালভার্ট, চরম দুর্ভোগে বাগাতিপাড়া পৌরসভার হাজারো মানুষ বাগাতিপাড়ার মালঞ্চি বাজারে সিঁদ কেটে সাড়ে ৩ লাখ টাকার কীটনাশক চুরি মান্দায় ট্রাক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারে আর্থিক সহায়তায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন জয়পুরহাটে পিকনিকের বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে শি’শু হামিম’র মৃ/ত্যু মাধবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধ-র্ষ-ণে-র অভিযোগ, এক আসামি গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ২৮ জনকে পুশ-ইন, বিজিবির বাধায় শুন্যরেখায় অবস্থান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ দেবীগঞ্জে মামী-ভাগ্নীকে ধ র্ষ ণে র অভিযোগ, ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা লালপুরে বিএনপি কর্মীকে কু পি য়ে জখমের অভিযোগ জামায়াত-শিবির কর্মীর বিরুদ্ধে বাগাতিপাড়ার কাদিরাবাদে বাউয়েটের ২২তম শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বড়াইগ্রামে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে ৬ জনের ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪ ২৪০ বার পড়া হয়েছে

6 persons sentenced to 14 years rigorous imprisonment in Natore

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বড়াইগ্রামে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে ৬ জনের ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড!

বিশেষ প্রতিনিধি নাটোরঃ
নাটোরের বড়াইগ্রামে শিশু অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৬ জনকে ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। রোববার ৩ মার্চ দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। ‌রায়ে সুজাব আলী, সুমন আলি, মোঃ রফিক, মোঃ ডাব্লু, মোঃ আতাহার আলী এবং মোঃ ইমদাদুল হককে ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডাদেশ দেন তিনি।

নাটোর জজ কোর্টের পিপি সিরাজুল ইসলাম জানান, ২০০৯ সালের ৫ মে জোয়ারী উচ্চ বিদ্যালয় অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া সংখ্যালঘু পরিবারের এক ছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় সুজাব আলী। পরে তাকে একটি কলাবাগানে নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পরের দিন ৬ মে সুজাবের বিরুদ্ধে বড়াইগ্রাম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর ওই অভিযুক্ত ছয় জন মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাদীকে ভয়-ভীতি এবং হুমকি দিয়ে আসছিল। এরই জেরে ১২ মে রাত আটটার দিকে মামলার সুজাব আলী, সুমন আলি, মোঃ রফিক, মোঃ ডাব্লু, মোঃ আতাহার আলী এবং মোঃ ইমদাদুল হক একটি মাইক্রোবাসে করে জোর করে ভিকটিমকে তুলে নিয়ে চলে যায়। এ সময় তার পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে লোকজন ছুটে আসলেও আসামিরা সশস্ত্র অবস্থায় থাকায় কেউ বাধা দিতে পারেনি। পরে বাদী থানায় যোগাযোগ করলে পুলিশ নিকটবর্তী বনপাড়া ফাড়িতে যেতে বলে। ফাড়িতে যোগাযোগ করেও প্রতিকার না পেয়ে আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালতে মামলা দায়েরের পর আদালতের নির্দেশে পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পুলিশ ঘটনা তদন্ত শেষে ওই ছয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করলে দীর্ঘ ১৫ বছর পর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে এই রায় ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামীরা আদালতে অনুপস্থিত ছিল বলেও জানান পিপি সিরাজুল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বড়াইগ্রামে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে ৬ জনের ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড!

আপডেট সময় : ০১:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪

বড়াইগ্রামে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে ৬ জনের ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড!

বিশেষ প্রতিনিধি নাটোরঃ
নাটোরের বড়াইগ্রামে শিশু অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৬ জনকে ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। রোববার ৩ মার্চ দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। ‌রায়ে সুজাব আলী, সুমন আলি, মোঃ রফিক, মোঃ ডাব্লু, মোঃ আতাহার আলী এবং মোঃ ইমদাদুল হককে ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডাদেশ দেন তিনি।

নাটোর জজ কোর্টের পিপি সিরাজুল ইসলাম জানান, ২০০৯ সালের ৫ মে জোয়ারী উচ্চ বিদ্যালয় অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া সংখ্যালঘু পরিবারের এক ছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় সুজাব আলী। পরে তাকে একটি কলাবাগানে নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পরের দিন ৬ মে সুজাবের বিরুদ্ধে বড়াইগ্রাম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর ওই অভিযুক্ত ছয় জন মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাদীকে ভয়-ভীতি এবং হুমকি দিয়ে আসছিল। এরই জেরে ১২ মে রাত আটটার দিকে মামলার সুজাব আলী, সুমন আলি, মোঃ রফিক, মোঃ ডাব্লু, মোঃ আতাহার আলী এবং মোঃ ইমদাদুল হক একটি মাইক্রোবাসে করে জোর করে ভিকটিমকে তুলে নিয়ে চলে যায়। এ সময় তার পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে লোকজন ছুটে আসলেও আসামিরা সশস্ত্র অবস্থায় থাকায় কেউ বাধা দিতে পারেনি। পরে বাদী থানায় যোগাযোগ করলে পুলিশ নিকটবর্তী বনপাড়া ফাড়িতে যেতে বলে। ফাড়িতে যোগাযোগ করেও প্রতিকার না পেয়ে আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালতে মামলা দায়েরের পর আদালতের নির্দেশে পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পুলিশ ঘটনা তদন্ত শেষে ওই ছয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করলে দীর্ঘ ১৫ বছর পর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে এই রায় ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামীরা আদালতে অনুপস্থিত ছিল বলেও জানান পিপি সিরাজুল ইসলাম।