পঞ্চগড়ে বিএনপি প্রার্থী নওশাদ জমিরের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ অসত্য: জেলা বিএনপি
- আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ে বিএনপি প্রার্থী নওশাদ জমিরের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ অসত্য: জেলা বিএনপি
নির্বাচনী আচরণবিধি সর্বদা অনুসরণ করা হয়েছে দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে ব্যাখ্যা
পঞ্চগড়–১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও অসত্য দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে পঞ্চগড় জেলা বিএনপি।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে পঞ্চগড় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পঞ্চগড়–১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর এজেন্ট ব্যারিস্টার নওফেল জমির।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রার্থী বা তার কর্মীদের কোনো কার্যক্রমেই আচরণবিধি বা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা লঙ্ঘিত হয়নি। বরং শুরু থেকেই প্রার্থী প্রচলিত আইন ও নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে আসছেন।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, গত ২৩ জানুয়ারি জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশনায় পরিচালিত অভিযানে প্রার্থী বা তার কর্মীদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই—কোন বিধি কীভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে।
ব্যারিস্টার নওফেল জমির জানান, বিএনপি প্রার্থীর প্রচারণায় ব্যবহৃত ব্যানারগুলো আচরণবিধির ৭(ঙ) ধারা অনুযায়ী সম্পূর্ণ বৈধ। ব্যবহৃত ব্যানারগুলোর মাপ ছিল যথাক্রমে ১০ ফুট × ৩.৫ ফুট, ৭ ফুট × ৩ ফুট এবং ৫ ফুট × ৩ ফুট—যা বিধি অনুযায়ী অনুমোদিত সীমার মধ্যেই রয়েছে। সুতরাং বৈধ ব্যানারকে ‘ফেস্টুন’ হিসেবে চিহ্নিত করে ভাঙচুর ও অপসারণ আইনসিদ্ধ হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের বিপরীতে ভিডিও প্রমাণ ও প্রাসঙ্গিক তথ্য সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয় এবং স্পষ্টভাবে জানানো হয় যে, প্রার্থী বা তার পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘন ঘটেনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম কাজল, জাসাস সভাপতি মো. ইউনূস শেখ, ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন রনিকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।




















