দুবাই থেকে হ/ত্যা মামলার আসামিকে দেশে আনলো পিবিআই
- আপডেট সময় : ০২:১৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

দুবাই থেকে হ/ত্যা মামলার আসামিকে দেশে আনলো পিবিআই
শিবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আরিফ সরকারকে ইন্টারপোলের রেড নোটিশের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আরিফ সরকারকে (৪০) ইন্টারপোলের রেড নোটিশের মাধ্যমে দুবাই থেকে গ্রেফতার করে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
বৃহস্পতিবার বিকেলে পিবিআই নরসিংদীর পুলিশ সুপার এস এম ফরহাদ হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
গ্রেফতারকৃত আরিফ সরকার শিবপুর উপজেলার পুটিয়া কামারগাঁও গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিন সরকারের ছেলে। গত ৬ মে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা ১৩ মিনিটের দিকে নিজ বাসায় শিবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খানকে পিস্তল দিয়ে গুলি করে গুরুতর আহত করা হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর একই বছরের ৩১ মে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় তার ছেলে আমানুর রশিদ খান বাদী হয়ে ২০২৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি শিবপুর মডেল থানায় আরিফ সরকারসহ কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরে পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশে ২০২৩ সালের ২৩ জুন পিবিআই তদন্তভার গ্রহণ করে।
তদন্ত চলাকালে এর আগে একই মামলার আরেক আসামি মহসীনকে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্য ও তদন্তে প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে আরিফ সরকারের সম্পৃক্ততার বিষয়ে নিশ্চিত হয় পিবিআই।
পরে আরিফ সরকারের অবস্থান দুবাইয়ে শনাক্ত হলে তার বিরুদ্ধে আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয় এবং ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করে তাকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মামলার তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর আরিফ সরকারসহ অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পিবিআই।
সর্বশেষ ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই পুলিশ আরিফ সরকারকে গ্রেফতার করলে পিবিআই ও পুলিশ সদর দফতরের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ টিম তাকে দেশে ফিরিয়ে আনে। পরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে শিবপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর শিবপুর থানা পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করে।

















