ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মান্দায় জলাবদ্ধতায় অনাবাদি হাজারো বিঘা জমি, সমাধান চান মান্দার কৃষকেরা লালপুরে নয়শত পেঁপে গাছ কেটে ফেলেছে দূর্বৃত্তরা, কৃষকের ক্ষতি ৯ লাখ টাকা নাটোরে আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবিতে শোভাযাত্রা ও মতবিনিময় সভা মাধবপুরে বালুবোঝাই ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় নারীসহ সিএনজির ২ যাত্রী নিহত, আহত দুই মোহনপুরে রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কে অটোরিকশা-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪ নাটোরে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধ/র্ষ/ণে/র প্রতিবাদে মানববন্ধন, ধ/র্ষ/কে/র ফাঁ’সি’র দাবি রাণীশংকৈলে ক্লাস বন্ধ রেখে ‘ক্লাস পার্টি’, ক্ষোভ অভিভাবকদের লিবিয়ায় অপহৃত নওগাঁর প্রবাসী আলমগীরের মৃত্যুর খবর, আড়াই মাস ধরে নিখোঁজ ছিলেন গোদাগাড়ীতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস ও তিন দিনব্যাপী ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন ইসলামী ব্যাংক প্রভাবমুক্ত রাখার দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন

তানোরে ৪০ ফুট সুড়ঙ্গ খুঁড়েও মিলেনি শিশু সাজিদের সন্ধান

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ০৯:২৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ ৩০৯ বার পড়া হয়েছে

Collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তানোরে ৪০ ফুট সুড়ঙ্গ খুঁড়েও মিলেনি শিশু সাজিদের সন্ধান

রাজশাহীর তানোর উপজেলার কোয়েলহাট গ্রামের বিলে গভীর নলকূপের জন্য খনন করা গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদের সন্ধান এখনো মিলেনি। ফায়ার সার্ভিসের নিরলস প্রচেষ্টায় ৪০ ফুটের বেশি সুড়ঙ্গ mখোঁড়া হলেও এখন পর্যন্ত শিশুটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে গর্তটির গভীরতা আরও অনেক বেশি। স্থানীয়দের ভাষ্য—এই অঞ্চলে গভীর নলকূপ সাধারণত ১৩০ থেকে ১৪০ ফুট পর্যন্ত খনন করা হয়ে থাকে।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে শিশুটিকে উদ্ধারে নতুন করে সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ শুরু করেছে উদ্ধারকারী দল। এর আগে বুধবার থেকে চলা উদ্ধার অভিযানে ৪০ ফুট গভীর পর্যন্ত গর্ত খনন করা হয়। এরপর মূল সরু গর্তে পৌঁছাতে সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। তবে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শিশুটির কোনো দেখা মিলেনি।

বুধবার দুপুর ১টার দিকে মায়ের পেছনে হাঁটার সময় হঠাৎ ওই গর্তে পড়ে যায় দুই বছর বয়সী সাজিদ—কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের রাকিবুল ইসলামের ছেলে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। শিশুটিকে জীবিত রাখার জন্য বুধবার থেকেই পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে।

এলাকাটি উচ্চ খরাপ্রবণ হওয়ায় ১৩০–১৪০ ফুট গভীরেও ভূগর্ভস্থ পানির সন্ধান মেলে না। জমির মালিক কছির উদ্দিন প্রায় এক বছর আগে ৮ ফুট ব্যাসার্ধে নলকূপের গর্ত খনন করেছিলেন, কিন্তু পানি না পেয়ে কাজটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। সেই গর্তেই পড়ে যায় ছোট্ট সাজিদ।

ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে ক্যামেরা নামিয়েও শিশুটিকে দেখতে না পাওয়ায় আরও গভীরে খননের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনটি স্কেভেটর দিয়ে গর্তের চারপাশের মাটি খোঁড়ার কাজ চলছে।

ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সহকারী পরিচালক দিদারুল ইসলাম বলেন,
“উদ্ধার কাজ এখনও চলছে। আমরা শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে চাই।”

ঘটনার পর থেকে এলাকার হাজারো মানুষ উৎকণ্ঠা নিয়ে উদ্ধার তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তানোরে ৪০ ফুট সুড়ঙ্গ খুঁড়েও মিলেনি শিশু সাজিদের সন্ধান

আপডেট সময় : ০৯:২৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

তানোরে ৪০ ফুট সুড়ঙ্গ খুঁড়েও মিলেনি শিশু সাজিদের সন্ধান

রাজশাহীর তানোর উপজেলার কোয়েলহাট গ্রামের বিলে গভীর নলকূপের জন্য খনন করা গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদের সন্ধান এখনো মিলেনি। ফায়ার সার্ভিসের নিরলস প্রচেষ্টায় ৪০ ফুটের বেশি সুড়ঙ্গ mখোঁড়া হলেও এখন পর্যন্ত শিশুটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে গর্তটির গভীরতা আরও অনেক বেশি। স্থানীয়দের ভাষ্য—এই অঞ্চলে গভীর নলকূপ সাধারণত ১৩০ থেকে ১৪০ ফুট পর্যন্ত খনন করা হয়ে থাকে।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে শিশুটিকে উদ্ধারে নতুন করে সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ শুরু করেছে উদ্ধারকারী দল। এর আগে বুধবার থেকে চলা উদ্ধার অভিযানে ৪০ ফুট গভীর পর্যন্ত গর্ত খনন করা হয়। এরপর মূল সরু গর্তে পৌঁছাতে সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। তবে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শিশুটির কোনো দেখা মিলেনি।

বুধবার দুপুর ১টার দিকে মায়ের পেছনে হাঁটার সময় হঠাৎ ওই গর্তে পড়ে যায় দুই বছর বয়সী সাজিদ—কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের রাকিবুল ইসলামের ছেলে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। শিশুটিকে জীবিত রাখার জন্য বুধবার থেকেই পাইপের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে।

এলাকাটি উচ্চ খরাপ্রবণ হওয়ায় ১৩০–১৪০ ফুট গভীরেও ভূগর্ভস্থ পানির সন্ধান মেলে না। জমির মালিক কছির উদ্দিন প্রায় এক বছর আগে ৮ ফুট ব্যাসার্ধে নলকূপের গর্ত খনন করেছিলেন, কিন্তু পানি না পেয়ে কাজটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। সেই গর্তেই পড়ে যায় ছোট্ট সাজিদ।

ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে ক্যামেরা নামিয়েও শিশুটিকে দেখতে না পাওয়ায় আরও গভীরে খননের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনটি স্কেভেটর দিয়ে গর্তের চারপাশের মাটি খোঁড়ার কাজ চলছে।

ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সহকারী পরিচালক দিদারুল ইসলাম বলেন,
“উদ্ধার কাজ এখনও চলছে। আমরা শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে চাই।”

ঘটনার পর থেকে এলাকার হাজারো মানুষ উৎকণ্ঠা নিয়ে উদ্ধার তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করছেন।