ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরে পড়ে ফুপু ভাস্তির মৃত্যু!
- আপডেট সময় : ০২:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২০২ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরে পড়ে ফুপু ভাস্তির মৃত্যু!
নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরে পড়ে ফুপু ভাস্তির মৃত্যু। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে পুকুরের পানিতে পড়ে মল্লিকা রানী (১৩) ও ময়না রানী (১০) নামে ফুপু ভাস্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ৬ নং ভানোর ইউপি`র ৯ নং ওয়ার্ডের আরাজী দুলেপুর গড়পাড়া গ্রামে পুকুরের পানিতে গোসুলের সময় এই দুই জনের মৃত্যু হয়। মৃত মল্লিকা রানী উপজেলার নেকমরদ কুশুমউদ্দীন বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ও গড়পাড়া গ্রামের মহেন রায়ের মেয়ে এবং ময়না রানী একই গ্রামের মালা রায়ের মেয়ে ও গণ্ডগ্রাম প্রাইমারি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তারা দুইজন সম্পর্কে ফুপু ও ভাতিজি ছিল বলেও জানা গেছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছোট্ট ভাতিজা পুকুরে গোসল করার সময় গভীর পানিতে চলে গেলে সাতার না জানা দুই ফুপু ও বোন তাকে উদ্ধার করতে গেলে তারাও গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় ময়নার বাবা মালা রায় কাজ থেকে ফেরার পথে চিৎকার শুনতে পেয়ে পানিতে নেমে যায় এবং মেয়ে কে উদ্ধার করে ডাঙ্গায় নিয়ে আসে। এদিকে মল্লিকা রানীর মা ভারতী রানী চিৎকার শুনতে পেয়ে মেয়েকে খোঁজ করতে গেলে পানিতে নেমে যায় এবং মেয়ের ওড়না খুঁজে পায়। এবং প্রায় ২০ মিনিট খোঁজাখুঁজির পরে মৃত অবস্থায় মল্লিকাকে খুঁজে পাই পরিবারের লোকজন। পরে নেকমরদ বাজারে পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে দু’জনকেই মৃত্যু ঘোষণা করেন তিনি।
ময়নার বাবা মালা রায় বলেন, আমি কাজ থেকে ফেরার পথে একজন ছোট্ট বাচ্চা চিৎকার করে আমাকে বলে আমার মেয়ে পানিতে পড়ে গেছে তখন আমিও পানিতে নেমে যায় এবং খোঁজাখুঁজি করে মেয়েকে খুঁজে পাই।
অপরদিকে মল্লিক রানীর মা ভারতী রানী বলেন, মেয়েরা প্রতিদিন গোসল করতে যায় পুকুরে আমি বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা আবারও গোসল করতে গেছে, কিছুক্ষণ পর আমি চিৎকার শুনতে পেলে সেখানে গিয়ে দেখি একজনকে ময়না কে মৃত অবস্থায় খুঁজে পেয়েছে এবং আমার মেয়েকে আমি খুঁজতে থাকি এবং এক পর্যায়ে আমি আমার মেয়ের ওর না খুঁজে পাই পরে এলাকার লোকজন খোঁজাখুঁজির প্রায় ২০ মিনিট পরে আমার মেয়েকে খুঁজে পাই।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল আনাম ডন ঘটনার সততা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে আমরা সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পোঁছেছি। পারিবারিক ভাবে কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ সৎকারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। একই ঘটনায় প্রিতি নামে আর এক শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।




















