ঢাকা ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লালপুরে ৩১ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে রাজশাহীতে সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট ও ভোগান্তি শ্রমিকদের দ্বন্দ্বে রাজশাহী থেকে বাস চলাচল বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা নেসকোর চেয়ারম্যান হলেন গোদাগাড়ীর কৃতী সন্তান মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন মোহনপুরে শিব নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ঝুঁকিতে, প্লাবনের শঙ্কায় বিস্তীর্ণ জনপদ জাসাস নেতা আকবর আলীর ওপর হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে নলডাঙ্গায় মানববন্ধন জাতীয় জরিপে লিগ্যাল এইড সচেতনতায় দেশের সেরা চারে ঠাকুরগাঁও মোহনপুরে কীটনাশক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত, ১০ হাজার টাকা জরিমানা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দাবিতে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও মান্দার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের ঝুলিতে দুই জাতীয় পুরস্কার, রাষ্ট্রপতির হাত থেকে সম্মাননা গ্রহণ

আলুর দামে বড় ধরনে দরপতন,পুঁজি হারাতে বসেছেন রাজশাহীর চাষিরা!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২৪২ বার পড়া হয়েছে

পুঁজি হারাতে বসেছেন আলু চাষীরা

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আলুর দামে বড় ধরনে দরপতন,পুঁজি হারাতে বসেছেন রাজশাহীর চাষিরা!

এম এম মামুন, রাজশাহি:
আলুর দামে বড় ধরনে দরপতন,পুঁজি হারাতে বসেছেন রাজশাহীর আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা। হিমাগারে আলু মজুত করে বিপাকে পড়েছেন আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা। বাজারে অন্য সবজির দাম বেশি হলেও তুলনা মূলকভাবে আলুর দাম কম। ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষি ও ব্যবসায়ীদের। গত বছরও হিমাগারে আলু রেখে লোকসান গুনেছিলেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা। আলুচাষিদের দাবি, উৎপাদন ও হিমাগারে সংরক্ষণের খরচের হিসাবে প্রতি কেজি আলুতে লোকসান হচ্ছে ৩/৪ টাকা। চাষিরা আলু বিক্রির জন্য হিমাগারে অপেক্ষা করলেও ক্রেতা পাচ্ছেন না। হিমাগার সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বাজারে আলুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু সিন্ডিকেটের কারণে আলুর দাম পাচ্ছেন না চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

আলু ব্যবসায়ীরা বলেন, প্রথম দিকে আলুর দাম ছিল ২২ টাকা কেজি। এ বছরের প্রথম দিকে যারা আলু বিক্রি করেছেন, তাদের মধ্যে হাতে গোনা কিছু ব্যবসায়ী সামান্য লাভের মুখ দেখেছেন। বাকিরা এখন পর্যন্ত লোকসানের মধ্যে রয়েছেন।
রাজশাহীর পবা ও তানোর উপজেলার কয়েকজন বাণিজ্যিক আলুচাষির সাথে কথা বলে জানা গেছে, মৌসুমের শুরুতে হিমাগারে সংরক্ষণের সময় আলুর যে দাম ছিল বর্তমানে বস্তা প্রতি দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কম। বর্ষাকাল শেষ হওয়ার এই সময়টাতে দূরের পাইকারি ব্যবসায়ীরা রাজশাহীতে আলু কিনতে ভিড় করেন। কিন্তু এবার তেমনটা ঘটছে না।
রাজশাহীর পবা উপজেলার ধর্মহাটা গ্রামের আলুচাষি শেখ জয়নুল জানান, জমি থেকে আলু সংগ্রহের সময় এমনিতেই দাম কম থাকে। এ কারণে চাষিরা হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করেন। মার্চে আলু হিমাগারে তুলে সেপ্টেম্বর থেকে বের করা শুরু হয়। অক্টোবর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত চলে আলু আবাদের মৌসুম। ছয় মাসের জন্য হিমাগারে আলু রাখা হয় ভাড়ার বিনিময়ে। চাষিরা আলু বিক্রি করে হিমাগারের ভাড়া পরিশোধ করেন এবং লাভসহ পুঁজিও তুলে নেন। কিন্তু গত বছর থেকে আলুর দামে বিপর্যয় চলছে। গত বছর চাষি ও ব্যবসায়ীরা বস্তা প্রতি ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনেছেন আলু বিক্রি না হওয়ায়। বিপুল পরিমাণ আলু হিমাগারগুলোতে পড়ে থেকে নষ্ট হয়েছে। এবারও লোকসানের আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় রয়েছে চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

পবা উপজেলার বায়া সরকার কোল্ড স্টোরেজের আলু ব্যবসায়ী শামিম হোসেন বলেন, এবছর তিনি ১০ হাজার বস্তা আলু কোল্ড স্টোরেজ রেখেছে। প্রতি বস্তায় তার লোকসান হচ্ছে ৩০০ টাকা। পবা উপজেলার আলু চাষি শহিদুল ইসলাম জানান, তিনি এ বছর ৭০ বিঘা জমিতে আলুর আবাদ করেছিলেন। যেখানে আড়াই হাজার বস্তার মতো আলু কোল্ড স্টোরেজে রেখেছেন। এর মধ্যে কিছু বিক্রি করেছেন। আর কিছু আছে। এবার আলু বিক্রি করে তার অনেক লোকসান হচ্ছে। তবে এবারও তিনি গত বছরের মতোই আলুর আবাদ করবেন। কেননা অন্য কিছু আবাদ করার মতো সুযোগটা কম। সামনের বছর দাম যে এমন থাকবে এমনও তো না।
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার খাঁড়ইল গ্রামের বাণিজ্যিক আলুচাষি মতিউর রহমান বলেন, গত মৌসুমে প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ ছিল ১৭ টাকা। পরিবহণ ও হিমাগারে আলু সংরক্ষণে কেজিপ্রতি অতিরিক্ত খরচ হয় ৭ থেকে ৮ টাকা। সে হিসাবে কেজি প্রতি খরচ পড়েছে ২১ থেকে ২২ টাকা। বর্তমানে রাজশাহীতে পাইকারি বাজারে আলু প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১৮ টাকা থেকে ১৯ টাকা করে। ফলে কেজিতে লোকসান হচ্ছে ৩ থেকে ৪ টাকা।

রাজশাহী হিমাগার মালিক সমিতির সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীতে মোট ৩৬টি হিমাগার রয়েছে। এসব হিমাগারে প্রায় ৮২ লাখ বস্তায় ৪ লাখ ২৫ হাজার টন আলু সংরক্ষণ করা হয়েছিল। প্রতি হিমাগারেই এখনও ৬৫ থেকে ৭০ ভাগ আলু মজুত রয়েছে। সে হিসাবে প্রায় ৩ লাখ ৭৫ হাজার টন আলু মজুত আছে। হিমাগার মালিকদের সাথে চুক্তি অনুযায়ী চাষিদের এই বিপুল পরিমাণ আলু তুলে নিতে হবে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে। কোনো চাষি আলু উত্তোলনে সক্ষম না হলে তাকে হিমাগারের বাড়তি ভাড়া গুনতে হবে। কিন্তু বাজারে আলুর যে দাম তাতে এই সময়ে চাষিরা হিমাগার থেকে আলু বের করলে তাদের বস্তা প্রতি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা করে লোকসান গুনতে হবে।
রাজশাহী কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু বকর বলেন, খুচরা বাজারে ২৫ থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে আলু। আর পাইকারিতে সাড়ে ১৮ টাকা থেকে ১৯ টাকা। এ সমস্যার কারণে সিন্ডিকেটের পকেটে যাচ্ছে চাষিদের টাকা। তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত আলু চাষ হলেও চাহিদাও রয়েছে। কিন্তু বাজার ব্যবস্থাপনা ঠিক নেই। চাষিরা এ কারণেই লোকসানে পড়ছেন। কৃষকের এ সমস্যা সমাধানে আমরা সরকারি দপ্তরে বিষয়টি জানিয়েছি।

রাজশাহীর আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা পরপর দুই বছর আলুতে লোকসানের কারণে চলতি মৌসুমে আলুর আবাদ নিয়ে শঙ্কিত কৃষি বিভাগ।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোজদার হোসেন বলেন, এবার বিক্রির ভরা মৌসুমেও আলুর দাম কিছুটা কম। চাষি ও ব্যবসায়ীরা লোকসান গোনায় আগামীতে আলু আবাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আলুর দামে বড় ধরনে দরপতন,পুঁজি হারাতে বসেছেন রাজশাহীর চাষিরা!

আপডেট সময় : ০৫:০৮:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

আলুর দামে বড় ধরনে দরপতন,পুঁজি হারাতে বসেছেন রাজশাহীর চাষিরা!

এম এম মামুন, রাজশাহি:
আলুর দামে বড় ধরনে দরপতন,পুঁজি হারাতে বসেছেন রাজশাহীর আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা। হিমাগারে আলু মজুত করে বিপাকে পড়েছেন আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা। বাজারে অন্য সবজির দাম বেশি হলেও তুলনা মূলকভাবে আলুর দাম কম। ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষি ও ব্যবসায়ীদের। গত বছরও হিমাগারে আলু রেখে লোকসান গুনেছিলেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা। আলুচাষিদের দাবি, উৎপাদন ও হিমাগারে সংরক্ষণের খরচের হিসাবে প্রতি কেজি আলুতে লোকসান হচ্ছে ৩/৪ টাকা। চাষিরা আলু বিক্রির জন্য হিমাগারে অপেক্ষা করলেও ক্রেতা পাচ্ছেন না। হিমাগার সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বাজারে আলুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু সিন্ডিকেটের কারণে আলুর দাম পাচ্ছেন না চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

আলু ব্যবসায়ীরা বলেন, প্রথম দিকে আলুর দাম ছিল ২২ টাকা কেজি। এ বছরের প্রথম দিকে যারা আলু বিক্রি করেছেন, তাদের মধ্যে হাতে গোনা কিছু ব্যবসায়ী সামান্য লাভের মুখ দেখেছেন। বাকিরা এখন পর্যন্ত লোকসানের মধ্যে রয়েছেন।
রাজশাহীর পবা ও তানোর উপজেলার কয়েকজন বাণিজ্যিক আলুচাষির সাথে কথা বলে জানা গেছে, মৌসুমের শুরুতে হিমাগারে সংরক্ষণের সময় আলুর যে দাম ছিল বর্তমানে বস্তা প্রতি দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কম। বর্ষাকাল শেষ হওয়ার এই সময়টাতে দূরের পাইকারি ব্যবসায়ীরা রাজশাহীতে আলু কিনতে ভিড় করেন। কিন্তু এবার তেমনটা ঘটছে না।
রাজশাহীর পবা উপজেলার ধর্মহাটা গ্রামের আলুচাষি শেখ জয়নুল জানান, জমি থেকে আলু সংগ্রহের সময় এমনিতেই দাম কম থাকে। এ কারণে চাষিরা হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করেন। মার্চে আলু হিমাগারে তুলে সেপ্টেম্বর থেকে বের করা শুরু হয়। অক্টোবর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত চলে আলু আবাদের মৌসুম। ছয় মাসের জন্য হিমাগারে আলু রাখা হয় ভাড়ার বিনিময়ে। চাষিরা আলু বিক্রি করে হিমাগারের ভাড়া পরিশোধ করেন এবং লাভসহ পুঁজিও তুলে নেন। কিন্তু গত বছর থেকে আলুর দামে বিপর্যয় চলছে। গত বছর চাষি ও ব্যবসায়ীরা বস্তা প্রতি ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনেছেন আলু বিক্রি না হওয়ায়। বিপুল পরিমাণ আলু হিমাগারগুলোতে পড়ে থেকে নষ্ট হয়েছে। এবারও লোকসানের আশঙ্কায় দুশ্চিন্তায় রয়েছে চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

পবা উপজেলার বায়া সরকার কোল্ড স্টোরেজের আলু ব্যবসায়ী শামিম হোসেন বলেন, এবছর তিনি ১০ হাজার বস্তা আলু কোল্ড স্টোরেজ রেখেছে। প্রতি বস্তায় তার লোকসান হচ্ছে ৩০০ টাকা। পবা উপজেলার আলু চাষি শহিদুল ইসলাম জানান, তিনি এ বছর ৭০ বিঘা জমিতে আলুর আবাদ করেছিলেন। যেখানে আড়াই হাজার বস্তার মতো আলু কোল্ড স্টোরেজে রেখেছেন। এর মধ্যে কিছু বিক্রি করেছেন। আর কিছু আছে। এবার আলু বিক্রি করে তার অনেক লোকসান হচ্ছে। তবে এবারও তিনি গত বছরের মতোই আলুর আবাদ করবেন। কেননা অন্য কিছু আবাদ করার মতো সুযোগটা কম। সামনের বছর দাম যে এমন থাকবে এমনও তো না।
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার খাঁড়ইল গ্রামের বাণিজ্যিক আলুচাষি মতিউর রহমান বলেন, গত মৌসুমে প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ ছিল ১৭ টাকা। পরিবহণ ও হিমাগারে আলু সংরক্ষণে কেজিপ্রতি অতিরিক্ত খরচ হয় ৭ থেকে ৮ টাকা। সে হিসাবে কেজি প্রতি খরচ পড়েছে ২১ থেকে ২২ টাকা। বর্তমানে রাজশাহীতে পাইকারি বাজারে আলু প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১৮ টাকা থেকে ১৯ টাকা করে। ফলে কেজিতে লোকসান হচ্ছে ৩ থেকে ৪ টাকা।

রাজশাহী হিমাগার মালিক সমিতির সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীতে মোট ৩৬টি হিমাগার রয়েছে। এসব হিমাগারে প্রায় ৮২ লাখ বস্তায় ৪ লাখ ২৫ হাজার টন আলু সংরক্ষণ করা হয়েছিল। প্রতি হিমাগারেই এখনও ৬৫ থেকে ৭০ ভাগ আলু মজুত রয়েছে। সে হিসাবে প্রায় ৩ লাখ ৭৫ হাজার টন আলু মজুত আছে। হিমাগার মালিকদের সাথে চুক্তি অনুযায়ী চাষিদের এই বিপুল পরিমাণ আলু তুলে নিতে হবে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে। কোনো চাষি আলু উত্তোলনে সক্ষম না হলে তাকে হিমাগারের বাড়তি ভাড়া গুনতে হবে। কিন্তু বাজারে আলুর যে দাম তাতে এই সময়ে চাষিরা হিমাগার থেকে আলু বের করলে তাদের বস্তা প্রতি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা করে লোকসান গুনতে হবে।
রাজশাহী কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু বকর বলেন, খুচরা বাজারে ২৫ থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে আলু। আর পাইকারিতে সাড়ে ১৮ টাকা থেকে ১৯ টাকা। এ সমস্যার কারণে সিন্ডিকেটের পকেটে যাচ্ছে চাষিদের টাকা। তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত আলু চাষ হলেও চাহিদাও রয়েছে। কিন্তু বাজার ব্যবস্থাপনা ঠিক নেই। চাষিরা এ কারণেই লোকসানে পড়ছেন। কৃষকের এ সমস্যা সমাধানে আমরা সরকারি দপ্তরে বিষয়টি জানিয়েছি।

রাজশাহীর আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা পরপর দুই বছর আলুতে লোকসানের কারণে চলতি মৌসুমে আলুর আবাদ নিয়ে শঙ্কিত কৃষি বিভাগ।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোজদার হোসেন বলেন, এবার বিক্রির ভরা মৌসুমেও আলুর দাম কিছুটা কম। চাষি ও ব্যবসায়ীরা লোকসান গোনায় আগামীতে আলু আবাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।