ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতের আসামে আটক চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩৬ জন, কাজের সন্ধানে যাওয়ার তথ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭৫ অসহায় নারী পেলেন সেলাই মেশিন রাণীনগরে জাতীয় যুব দিবস পালিত, র‍্যালি ও যুব মেলা পুঠিয়ায় এইচএসসি-আলিমে তিন প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস, সামগ্রিক হার ৩৯.২১ শতাংশ ঝিনাইগাতীতে জাতীয় যুব দিবস পালিত, ৯ লাখ ৩০ হাজার টাকার ঋণ বিতরণ বাগাতিপাড়ায় বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী পুতুলের এইচএসসিতে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের ৪৬ শিক্ষার্থীর সবাই গোল্ডেন জিপিএ-৫ ঝিনাইগাতীতে বেলায়েত আলী মডেল হাই স্কুলের নতুন ভবন উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাসদের ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ, ৩৯ কলেজে কেউ পাস করেনি

পুঠিয়ায় এইচএসসি-আলিমে তিন প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস, সামগ্রিক হার ৩৯.২১ শতাংশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

Zero pass rate at three institutions in Puthia for HSC/Alim examinations

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পুঠিয়ায় এইচএসসি-আলিমে তিন প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস, সামগ্রিক হার ৩৯.২১ শতাংশ

তিন প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৩ জন, পাস করেননি কেউ; উপজেলার ২০ প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ১৪ জন।

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর পুঠিয়ায় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। উপজেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েও পাস করতে পারেননি কোনো পরীক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো বেলপুকুর মহিলা কলেজ, চকদমাদি আলিম মাদ্রাসা ও ধোকড়াকুল আলিম মাদ্রাসা। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা যথাক্রমে প্রায় ৩০, ২৮ ও ২৭ জন বলে জানা গেছে।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলও আশাব্যঞ্জক নয়। সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উপজেলার ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় অংশ নেন ১ হাজার ৯৪১ জন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭৬১ জন। পাসের হার ৩৯ দশমিক ২১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ১৪ জন।

জেনারেল শিক্ষা বোর্ডের অধীন বেলপুকুর মহিলা কলেজ থেকে এ বছর পাঁচজন পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেননি। কলেজটিতে শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় ৩০ জন রয়েছেন। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

ফলাফল খারাপ হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম বলেন, মহিলা কলেজ হওয়ায় অনেক ছাত্রী ভর্তি ও ফরম পূরণের পর বিয়ে হয়ে যাওয়ায় পরীক্ষায় অংশ নেন না। আবার কেউ কেউ ফেল করার ভয়ে পরীক্ষায় বসেন না। তবে তাঁর দাবি, অতীতে কলেজটির ফলাফল ভালো ছিল।

একই চিত্র দেখা গেছে চকদমাদি আলিম মাদ্রাসায়। এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে আলিম পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একমাত্র পরীক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। মাদ্রাসাটির দাখিল ও আলিম শাখা মিলিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ২৮ জন।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষের দাবি, আলিম শাখা এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষকদের পাঠদানে আগ্রহ কমেছে। তিনি বলেন, শিক্ষকরা নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না এবং কয়েকজন শিক্ষক বর্তমানে কর্মস্থলের বাইরে রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যেও পড়াশোনার আগ্রহ কমে গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

ধোকড়াকুল আলিম মাদ্রাসা থেকেও এ বছর সাতজন আলিম পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের কেউ পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠানটির দাখিল ও আলিম শাখা মিলিয়ে শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন প্রায় ২৭ জন।

মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ ওসমান গনি ফলাফল খারাপ হওয়ার কারণ হিসেবে শিক্ষকদের বেতন না পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। শিক্ষকরা বেতন না পাওয়ায় দীর্ঘদিন বিনা পারিশ্রমিকে পাঠদান চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। আলিম শাখা এমপিওভুক্ত হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও গুরুত্ব দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।

উপজেলার জেনারেল শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শহীদ নাদের আলী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার সবচেয়ে বেশি। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১০৯ জন। পাসের হার ৬৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনজন।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বানেশ্বর সরকারি কলেজ। সেখানে ৪৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ২৫৭ জন। পাসের হার ৫৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ। উপজেলায় সর্বোচ্চ পাঁচজন জিপিএ-৫ পেয়েছেন এই কলেজ থেকে।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা জামিরা কলেজের ৮০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৩ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৫৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

এছাড়া পুঠিয়া ইসলামিয়া মহিলা কলেজে ১৩৬ জনের মধ্যে ৬৮ জন, আইডিয়াল কলেজে ৭৯ জনের মধ্যে ২৮ জন, পঙ্গুশিশু নিকেতন কলেজে ৬৯ জনের মধ্যে ২৪ জন এবং ধোকড়াকুল কলেজে ৬৩ জনের মধ্যে ২০ জন পাস করেছেন।

পচামাড়িয়া কলেজে ২০৬ জনের মধ্যে ৫৭ জন, পুঠিয়া মহিলা কলেজে ৩৪ জনের মধ্যে নয়জন, লস্করপুর ডিগ্রি কলেজে ৯৫ জনের মধ্যে ২৩ জন এবং বিড়ালদহ কলেজে ২৫৫ জনের মধ্যে ৬১ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।

অন্যদিকে, পুঠিয়া মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২৬ জনের মধ্যে চারজন, ধোপাপাড়া মেমোরিয়াল কলেজে ১৮৮ জনের মধ্যে ২৭ জন এবং সরদা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ১০ জনের মধ্যে মাত্র একজন পাস করেছেন।

ফলাফল নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও শিক্ষার পরিবেশ পর্যালোচনার দাবি উঠেছে। তবে ফলাফল খারাপ হওয়ার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য ও বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু জাফর আলী বলেন, শিক্ষকদের এভাবে গুরুত্বহীনভাবে পাঠদান করা উচিত নয়। কেন ফলাফল খারাপ হয়েছে, তা খুঁজে বের করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীদের।

November 1, 2026
পুঠিয়ায় এইচএসসি-আলিমে তিন প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস, সামগ্রিক হার ৩৯.২১ শতাংশ
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com
Advertisement

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পুঠিয়ায় এইচএসসি-আলিমে তিন প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস, সামগ্রিক হার ৩৯.২১ শতাংশ

আপডেট সময় : ০৭:২০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

পুঠিয়ায় এইচএসসি-আলিমে তিন প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস, সামগ্রিক হার ৩৯.২১ শতাংশ

তিন প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৩ জন, পাস করেননি কেউ; উপজেলার ২০ প্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ১৪ জন।

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর পুঠিয়ায় ২০২৬ সালের এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। উপজেলার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েও পাস করতে পারেননি কোনো পরীক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো বেলপুকুর মহিলা কলেজ, চকদমাদি আলিম মাদ্রাসা ও ধোকড়াকুল আলিম মাদ্রাসা। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা যথাক্রমে প্রায় ৩০, ২৮ ও ২৭ জন বলে জানা গেছে।

উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলও আশাব্যঞ্জক নয়। সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উপজেলার ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় অংশ নেন ১ হাজার ৯৪১ জন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭৬১ জন। পাসের হার ৩৯ দশমিক ২১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ১৪ জন।

জেনারেল শিক্ষা বোর্ডের অধীন বেলপুকুর মহিলা কলেজ থেকে এ বছর পাঁচজন পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেননি। কলেজটিতে শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় ৩০ জন রয়েছেন। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

ফলাফল খারাপ হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম বলেন, মহিলা কলেজ হওয়ায় অনেক ছাত্রী ভর্তি ও ফরম পূরণের পর বিয়ে হয়ে যাওয়ায় পরীক্ষায় অংশ নেন না। আবার কেউ কেউ ফেল করার ভয়ে পরীক্ষায় বসেন না। তবে তাঁর দাবি, অতীতে কলেজটির ফলাফল ভালো ছিল।

একই চিত্র দেখা গেছে চকদমাদি আলিম মাদ্রাসায়। এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে আলিম পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একমাত্র পরীক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। মাদ্রাসাটির দাখিল ও আলিম শাখা মিলিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ২৮ জন।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষের দাবি, আলিম শাখা এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষকদের পাঠদানে আগ্রহ কমেছে। তিনি বলেন, শিক্ষকরা নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না এবং কয়েকজন শিক্ষক বর্তমানে কর্মস্থলের বাইরে রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যেও পড়াশোনার আগ্রহ কমে গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

ধোকড়াকুল আলিম মাদ্রাসা থেকেও এ বছর সাতজন আলিম পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের কেউ পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠানটির দাখিল ও আলিম শাখা মিলিয়ে শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন প্রায় ২৭ জন।

মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ ওসমান গনি ফলাফল খারাপ হওয়ার কারণ হিসেবে শিক্ষকদের বেতন না পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। শিক্ষকরা বেতন না পাওয়ায় দীর্ঘদিন বিনা পারিশ্রমিকে পাঠদান চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। আলিম শাখা এমপিওভুক্ত হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও গুরুত্ব দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।

উপজেলার জেনারেল শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শহীদ নাদের আলী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার সবচেয়ে বেশি। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১০৯ জন। পাসের হার ৬৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনজন।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বানেশ্বর সরকারি কলেজ। সেখানে ৪৫১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ২৫৭ জন। পাসের হার ৫৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ। উপজেলায় সর্বোচ্চ পাঁচজন জিপিএ-৫ পেয়েছেন এই কলেজ থেকে।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা জামিরা কলেজের ৮০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৩ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৫৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

এছাড়া পুঠিয়া ইসলামিয়া মহিলা কলেজে ১৩৬ জনের মধ্যে ৬৮ জন, আইডিয়াল কলেজে ৭৯ জনের মধ্যে ২৮ জন, পঙ্গুশিশু নিকেতন কলেজে ৬৯ জনের মধ্যে ২৪ জন এবং ধোকড়াকুল কলেজে ৬৩ জনের মধ্যে ২০ জন পাস করেছেন।

পচামাড়িয়া কলেজে ২০৬ জনের মধ্যে ৫৭ জন, পুঠিয়া মহিলা কলেজে ৩৪ জনের মধ্যে নয়জন, লস্করপুর ডিগ্রি কলেজে ৯৫ জনের মধ্যে ২৩ জন এবং বিড়ালদহ কলেজে ২৫৫ জনের মধ্যে ৬১ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।

অন্যদিকে, পুঠিয়া মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২৬ জনের মধ্যে চারজন, ধোপাপাড়া মেমোরিয়াল কলেজে ১৮৮ জনের মধ্যে ২৭ জন এবং সরদা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ১০ জনের মধ্যে মাত্র একজন পাস করেছেন।

ফলাফল নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও শিক্ষার পরিবেশ পর্যালোচনার দাবি উঠেছে। তবে ফলাফল খারাপ হওয়ার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য ও বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু জাফর আলী বলেন, শিক্ষকদের এভাবে গুরুত্বহীনভাবে পাঠদান করা উচিত নয়। কেন ফলাফল খারাপ হয়েছে, তা খুঁজে বের করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীদের।

November 1, 2026
পুঠিয়ায় এইচএসসি-আলিমে তিন প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস, সামগ্রিক হার ৩৯.২১ শতাংশ
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com
Advertisement