ঝিনাইগাতীতে দুই পাকা রাস্তা নির্মাণে স্বস্তি, কৃষিপণ্য পরিবহনে সুবিধা
- আপডেট সময় : ০৫:২৮:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬৫ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইগাতীতে দুই পাকা রাস্তা নির্মাণে স্বস্তি, কৃষিপণ্য পরিবহনে সুবিধা
মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর প্রতিনিধিঃ
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে কাংশা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নওকুচি মহিলা মার্কেট এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বহেরাতলী মোড় থেকে জামে মসজিদ পর্যন্ত পাকা রাস্তা নির্মাণের ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। বিশেষ করে সীমান্ত ও পাহাড়ি এলাকার কৃষকরা কৃষিপণ্য পরিবহন ও যাতায়াতে সুবিধা পাওয়ায় খুশি হয়েছেন।
জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক দ্বিতীয় প্রকল্পের অধীনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাস্তা দুটির সিসি ঢালাইয়ের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়।
দুটি রাস্তা নির্মাণের ফলে সীমান্তবর্তী ও পাহাড়ি এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ অনেকটাই কমেছে। পাশাপাশি আদিবাসী জনগোষ্ঠীসহ স্থানীয় কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য সহজে বাজারজাত করতে পারছেন।
এলাকাবাসী জানান, আগে আঁকাবাঁকা মেঠোপথ দিয়ে চলাচল করতে হতো। বর্ষাকালে এসব পথে চলাচল আরও কঠিন হয়ে পড়ত। এখন সিসি ঢালাইয়ের রাস্তা নির্মাণ হওয়ায় তাঁদের চলাচলে স্বস্তি এসেছে। বাকি কাঁচা রাস্তাগুলোও পর্যায়ক্রমে পাকা করা হলে সীমান্ত এলাকার মানুষের দুর্ভোগ আরও কমবে বলে তারা আশা করছেন।
স্থানীয়রা আরও বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলের প্রতি তারা কৃতজ্ঞ। এ জন্য তারা তাকে ধন্যবাদ জানান।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, আমি এমপি হয়েছি মাত্র চার মাস হয়েছে। বিগত সময়ে বিএনপি অধ্যুষিত এলাকায় তেমন কোনো রাস্তাঘাটের কাজ হয়নি। ঝিনাইগাতী উপজেলায় এখনো অনেক কাঁচা রাস্তা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব কাঁচা রাস্তাঘাটের সমস্যা সমাধানে কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, জনগণ অনেক আশা নিয়ে আমাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত করেছে। তাদের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য।



















