রাজশাহীতে ২ লাখ ৩৩ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিটে কর্মরত ৫ লাখের বেশি মানুষ
- আপডেট সময় : ০৯:১৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬ ৭২ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে ২ লাখ ৩৩ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিটে কর্মরত ৫ লাখের বেশি মানুষ
রাজশাহী জেলায় মোট ২ লাখ ৩৩ হাজার ২৭৫টি অর্থনৈতিক ইউনিটে ৫ লাখ ১ হাজার ৭৮৭ জন কর্মরত রয়েছেন। এসব ইউনিটের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই স্থায়ী প্রতিষ্ঠান। এছাড়া অস্থায়ী ইউনিট ও অর্থনৈতিক খানার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় পরিসংখ্যান দপ্তর আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪-এর চূড়ান্ত ফলাফল অবহিতকরণ ও স্ট্যাটিস্টিক্যাল বিজনেস রেজিস্টার’ বিষয়ক সেমিনারে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
সেমিনারে জানানো হয়, রাজশাহীর মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের মধ্যে ৪৯ দশমিক ৮২ শতাংশ স্থায়ী, ৪ দশমিক ৫১ শতাংশ অস্থায়ী এবং ৪৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ অর্থনৈতিক খানা।
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. রেজাউল আলম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিভাগীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের যুগ্ম পরিচালক মো. আব্দুল হালিম। এ সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্মসচিব মো. জাকির হোসেন আলোচনায় অংশ নেন।
উপস্থাপিত তথ্যে বলা হয়, সারা দেশে মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ১ কোটি ১৭ লাখ। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩ কোটি ৬ লাখ মানুষ কাজ করছেন। দেশের ৩৭ শতাংশ অর্থনৈতিক ইউনিট শহরাঞ্চলে এবং ৬৩ শতাংশ গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত। কর্মরত জনবলের মধ্যে ৮৩ শতাংশ পুরুষ এবং ১৭ শতাংশ নারী।
রাজশাহী বিভাগে মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ১৬ লাখ ৮১ হাজার এবং কর্মরত জনবল ৩৪ লাখ ৯ হাজার। বিভাগের মধ্যে ৩ লাখ ৩৭ হাজার ইউনিট নিয়ে বগুড়া জেলা শীর্ষে রয়েছে। অন্যদিকে ৮৭ হাজার ৮৩২টি ইউনিট নিয়ে জয়পুরহাট জেলা সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। নওগাঁ ও সিরাজগঞ্জ যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকলেও রাজশাহী জেলার অবস্থান চতুর্থ।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, শিল্প উদ্যোক্তা, চেম্বার প্রতিনিধিসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, নির্ভুল জাতীয় পরিসংখ্যান প্রণয়নের জন্য জরিপকারীদের কাছে সঠিক তথ্য প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমেই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল করা সম্ভব।

















