ঢাকা ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রায়গঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার গাড়ি পঞ্চগড়ে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সারওয়ার বকুল গ্রেপ্তার রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতির কক্ষে তালা, পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন রাজশাহীতে পেঁয়াজের বাজারে নজিরবিহীন দরপতন, চরম সংকটে কৃষক সাপাহার সীমান্তে নারী-শিশুসহ ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ বড়াইগ্রামে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগাতিপাড়ার অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক সামগ্রী বিক্রির বিক্রির দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা মান্দায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ে শেয়ালের কামড়ে শিশুসহ আহত ৯, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায় ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল: দেবীগঞ্জের পিআইও বাবুল চন্দ্র রায় বদলি, গঠিত দুটি তদন্ত কমিটি

বিশ্বে শব্দদূষণে চতুর্থ স্থানে আছে রাজশাহী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৩:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মার্চ ২০২২ ২১১ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বে শব্দদূষণে চতুর্থ স্থানে আছে রাজশাহী

এম এম মামুন, রাজশাহী ব্যুরো:
বিশ্বে শব্দদূষণে চতুর্থ স্থানে আছে রাজশাহী।
শব্দদূষণে বিশ্বের চতুর্থ স্থানে নাম এসেছে রাজশাহীর। শব্দদূষণে শীর্ষ শহর ঢাকা। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনএপি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
‘ফ্রন্টিয়ারস ২০২: নয়েজ, ব্লেজেস অ্যান্ড মিসম্যাচেস’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনে দেখা যায়, শব্দদূষণের তালিকায় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অবস্থান প্রথম। দ্বিতীয় স্থানে ভারতের উত্তর প্রদেশের মুরাদাবাদ এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ।
তালিকার শীর্ষ ৫ শহরের মধ্যে রাজশাহী চতুর্থ এবং ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি পঞ্চম। অর্থাৎ শব্দ দূষণে শীর্ষ ৫ শহরের মধ্যে ৪টিই দক্ষিণ এশিয়ার।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, আবাসিক এলাকার জন্য অনুমতিযোগ্য শব্দের মাত্রা ৫৫ ডিবি (ডেসিবেল) এবং বাণিজ্যিক এলাকার জন্য ৭০ ডিবি। সেখানে ঢাকায় শব্দের মাত্রা ১১৯ ডিবি এবং রাজশাহীতে ১০৩ ডিবি পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘গাড়ির শব্দ, উড়োজাহাজ চলাচল, রেল চলাচল, যন্ত্রপাতি, শিল্প এবং বিভিন্ন উৎসব ও বিনোদনমূলক আয়োজনের শব্দ দূষণ মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।’

প্রতিবেদনটি বিশ্বব্যাপী শহরগুলোর শব্দদূষণের চিত্র তুলে ধরেছে। তাতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে প্রতি ১০ জন গণপরিবহন ব্যবহারকারীর মধ্যে ৯ জনের ক্ষেত্রেই শব্দের মাত্রা (৭০ ডেসিবেল) নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে। ওই শহরের মানুষ শ্রবণশক্তি হ্রাসের চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

অন্যদিকে হংকংয়ে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে দুজন এমন পরিবেশে বাস করে, যেখানে শব্দের তীব্রতার মাত্রা অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপের বড় বড় শহরের বাসিন্দারা এমন পরিবেশের মধ্যে থাকে, যেখানে শব্দের মাত্রা তাদের স্বাস্থ্যকে ব্যাপক ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিশ্বে শব্দদূষণে চতুর্থ স্থানে আছে রাজশাহী

আপডেট সময় : ০৫:২৩:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ মার্চ ২০২২

বিশ্বে শব্দদূষণে চতুর্থ স্থানে আছে রাজশাহী

এম এম মামুন, রাজশাহী ব্যুরো:
বিশ্বে শব্দদূষণে চতুর্থ স্থানে আছে রাজশাহী।
শব্দদূষণে বিশ্বের চতুর্থ স্থানে নাম এসেছে রাজশাহীর। শব্দদূষণে শীর্ষ শহর ঢাকা। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনএপি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
‘ফ্রন্টিয়ারস ২০২: নয়েজ, ব্লেজেস অ্যান্ড মিসম্যাচেস’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনে দেখা যায়, শব্দদূষণের তালিকায় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অবস্থান প্রথম। দ্বিতীয় স্থানে ভারতের উত্তর প্রদেশের মুরাদাবাদ এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ।
তালিকার শীর্ষ ৫ শহরের মধ্যে রাজশাহী চতুর্থ এবং ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি পঞ্চম। অর্থাৎ শব্দ দূষণে শীর্ষ ৫ শহরের মধ্যে ৪টিই দক্ষিণ এশিয়ার।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, আবাসিক এলাকার জন্য অনুমতিযোগ্য শব্দের মাত্রা ৫৫ ডিবি (ডেসিবেল) এবং বাণিজ্যিক এলাকার জন্য ৭০ ডিবি। সেখানে ঢাকায় শব্দের মাত্রা ১১৯ ডিবি এবং রাজশাহীতে ১০৩ ডিবি পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘গাড়ির শব্দ, উড়োজাহাজ চলাচল, রেল চলাচল, যন্ত্রপাতি, শিল্প এবং বিভিন্ন উৎসব ও বিনোদনমূলক আয়োজনের শব্দ দূষণ মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।’

প্রতিবেদনটি বিশ্বব্যাপী শহরগুলোর শব্দদূষণের চিত্র তুলে ধরেছে। তাতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে প্রতি ১০ জন গণপরিবহন ব্যবহারকারীর মধ্যে ৯ জনের ক্ষেত্রেই শব্দের মাত্রা (৭০ ডেসিবেল) নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে। ওই শহরের মানুষ শ্রবণশক্তি হ্রাসের চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

অন্যদিকে হংকংয়ে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে দুজন এমন পরিবেশে বাস করে, যেখানে শব্দের তীব্রতার মাত্রা অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপের বড় বড় শহরের বাসিন্দারা এমন পরিবেশের মধ্যে থাকে, যেখানে শব্দের মাত্রা তাদের স্বাস্থ্যকে ব্যাপক ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে।