ঢাকা ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রায়গঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার গাড়ি পঞ্চগড়ে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সারওয়ার বকুল গ্রেপ্তার রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতির কক্ষে তালা, পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন রাজশাহীতে পেঁয়াজের বাজারে নজিরবিহীন দরপতন, চরম সংকটে কৃষক সাপাহার সীমান্তে নারী-শিশুসহ ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ বড়াইগ্রামে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগাতিপাড়ার অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক সামগ্রী বিক্রির বিক্রির দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা মান্দায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ে শেয়ালের কামড়ে শিশুসহ আহত ৯, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায় ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল: দেবীগঞ্জের পিআইও বাবুল চন্দ্র রায় বদলি, গঠিত দুটি তদন্ত কমিটি

প্যারোলে মুক্তি না পেয়ে জেলগেটেই মায়ের মুখ দেখলেন সাবেক এমপি আসাদ

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ০১:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫ ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্যারোলে মুক্তি না পেয়ে জেলগেটেই মায়ের মুখ দেখলেন সাবেক এমপি আসাদ

মায়ের মৃত্যুর খবরে শেষবারের মতো মাকে দেখার জন্য প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ। তবে অনুমতি না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকেই অ্যাম্বুলেন্সে আনা হয় মায়ের মরদেহ। দূর থেকেই শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখেন আসাদুজ্জামান আসাদ। সোমবার (২ জুন) রাত সোয়া ৮টার দিকে এ দৃশ্য দেখা যায় রাজশাহী জেলগেটে।

আসাদুজ্জামান রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবার রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর তিনি গ্রেপ্তার হন এবং বর্তমানে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। সোমবার বিকেলে সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদের মা সালেহা বেগম (৮০) এর মৃত্যু হয়। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়। তবে নিরাপত্তা বিবেচনায় সেই আবেদন নাকচ করে কারা কর্তৃপক্ষ।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আসাদুজ্জামান আসাদ রাজশাহী নগরীর লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের সাত ভাই-বোনের মধ্যে পাঁচ ভাইই আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। চার ভাই এখনো আত্মগোপনে, আর আসাদুজ্জামান কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

মায়ের মৃত্যুর পর এই চার ভাই-ই মায়ের মুখ পর্যন্ত দেখতে পারেননি। শুধু এসেছিলেন সালেহা বেগমের তৃতীয় সন্তান আক্তারুজ্জামান। তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন, পেশায় একজন প্রাইভেট কার চালক।আক্তারুজ্জামান জানান, তিনি বিকেলে বাড়ি গিয়ে মায়ের মুখ দেখেছেন, তবে নিরাপত্তা শঙ্কায় অংশ নিতে পারেননি জানাজায়। সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় রাজশাহী নগরীর মহিষবাথান গোরস্থানে জানাজা শেষে সালেহা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) উম্মে কুলসুম সম্পা বলেন, বিষয়টি নিয়ে সাবেক এমপি আসাদের চাচা দরখাস্ত দিয়েছিলেন। তারা চেয়েছিলেন কারা ফটকে মৃত মাকে দেখার ব্যবস্থা করতে। তাই করা হয়েছে।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বলেন, মানবিক বিবেচনায় মরদেহটি জেলগেটে এনে সাবেক এমপিকে দূর থেকে দেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্যারোলে মুক্তি না পেয়ে জেলগেটেই মায়ের মুখ দেখলেন সাবেক এমপি আসাদ

আপডেট সময় : ০১:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

প্যারোলে মুক্তি না পেয়ে জেলগেটেই মায়ের মুখ দেখলেন সাবেক এমপি আসাদ

মায়ের মৃত্যুর খবরে শেষবারের মতো মাকে দেখার জন্য প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ। তবে অনুমতি না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকেই অ্যাম্বুলেন্সে আনা হয় মায়ের মরদেহ। দূর থেকেই শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখেন আসাদুজ্জামান আসাদ। সোমবার (২ জুন) রাত সোয়া ৮টার দিকে এ দৃশ্য দেখা যায় রাজশাহী জেলগেটে।

আসাদুজ্জামান রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবার রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর তিনি গ্রেপ্তার হন এবং বর্তমানে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। সোমবার বিকেলে সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদের মা সালেহা বেগম (৮০) এর মৃত্যু হয়। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়। তবে নিরাপত্তা বিবেচনায় সেই আবেদন নাকচ করে কারা কর্তৃপক্ষ।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আসাদুজ্জামান আসাদ রাজশাহী নগরীর লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের সাত ভাই-বোনের মধ্যে পাঁচ ভাইই আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। চার ভাই এখনো আত্মগোপনে, আর আসাদুজ্জামান কারাগারে বন্দি রয়েছেন।

মায়ের মৃত্যুর পর এই চার ভাই-ই মায়ের মুখ পর্যন্ত দেখতে পারেননি। শুধু এসেছিলেন সালেহা বেগমের তৃতীয় সন্তান আক্তারুজ্জামান। তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন, পেশায় একজন প্রাইভেট কার চালক।আক্তারুজ্জামান জানান, তিনি বিকেলে বাড়ি গিয়ে মায়ের মুখ দেখেছেন, তবে নিরাপত্তা শঙ্কায় অংশ নিতে পারেননি জানাজায়। সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় রাজশাহী নগরীর মহিষবাথান গোরস্থানে জানাজা শেষে সালেহা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) উম্মে কুলসুম সম্পা বলেন, বিষয়টি নিয়ে সাবেক এমপি আসাদের চাচা দরখাস্ত দিয়েছিলেন। তারা চেয়েছিলেন কারা ফটকে মৃত মাকে দেখার ব্যবস্থা করতে। তাই করা হয়েছে।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বলেন, মানবিক বিবেচনায় মরদেহটি জেলগেটে এনে সাবেক এমপিকে দূর থেকে দেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।