ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে স্বামীকে হ-ত্যা-র অভিযোগে স্ত্রীরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মা ম লা

মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, পঞ্চগড়ঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫ ৪০৬ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড়ে স্বামীকে হ-ত্যা-র অভিযোগে স্ত্রীরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মা ম লা

পঞ্চগড়ে স্বামী হত্যার অভিযোগে স্ত্রী ও তার ভাই, বোনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। রবিবার পঞ্চগড় সদর থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন ভিকটিম মোস্তফিজুর রহমান দুলাল (৩৫) এর মা মর্জিনা বেওয়া।তিনি সদর উপজেলার তুলারডাঙ্গা এলাকার মৃত আফাজ উদ্দিনের স্ত্রী। আসামীরা হলেন, মৃত মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী ফেরদৌসি আক্তার জবা (৩০), তার ভাই তানভির হোসেন তনি (৩৫), ফাইজা আক্তার (২৩) তারা সদর উপজেলার মিলগেট ইসলামপুর এলাকার মৃত আব্দুল জলিলের সন্তান।

ওই মামলা সুত্রে জানা যায়,মোস্তাফিজুর রহমান দুলাল (৩৫) এর সাথে আসামীর প্রায় ১১ বছর পূর্বে বিয়ে হয়। তাদের ঔরশে দুই কন্যা সন্তানের জন্ম হয়।একজনের বয়স ১০,অপরজনের দুই বছর।বিয়ের পর দুলাল শশুর বাড়ির পাশে জায়গা নিয়ে বাড়ি করে সংসার করছিল।আসামীরা দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকে। বেশ কয়েকবার বিচার শালিশও হয় বিষয়টি।১৮ জুলাই শুক্রবার ঘটনার দিন সকালে এজাহারভুক্ত আসামীসহ অজ্ঞাত নামা ৫/৭ জন হাতে লোহার রড, বাঁশের লাঠি নিয়ে দুলাল এর বাড়ীতে গিয়ে মারপিট করে।যার ফলে দুলালের মুখে, বুকে, পেটে, পায়ে, বাম হাতে, কাঁধে ও থুতনিতে কালশিরা আঘাতের দাগ রয়েছে এবং গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।অবস্থা বেগতিক হলে আত্মহত্যার অপবাদ দিয়ে, আসামীরা পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়, কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থা খারাপ দেখে দ্রুত রংপুর মেডিকেলে রেফার্ড করেন। রংপুরে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে ভর্তি করে, আই.সি.ইউ-তে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ১৯ জুলাই দিবাগত রাত ১২.৪০ মিনিটে মৃত্যু হয়।মৃত্যুর খবর শুনে আসামীরা আত্মগোপনে রয়েছে।মামলার বাদী নির্যাতনসহ মারধর করার ফলে ছেলের মৃত্যু হওয়ায় বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে আসামীগণের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন।

জানা যায়, অভিযুক্ত মোছা,ফেরদৌসি আক্তার জবা পঞ্চগড় সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের স্টোর কিপার এবং তানভির হোসেন তনি সদর হাসপাতালের ইসিজি টেকনিশিয়ান পদে কর্মরত রয়েছেন।হত্যার বিষয়টি জানার জন্য একাধিকবার ফেরদৌসি আক্তার জবার মুঠোফোনে কল দিলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
মামলার দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে পঞ্চগড় সদর থানার উপ-পরিদর্শক তৈয়ব আলী সরকার জানান, লাশ রংপুরে ময়নাতদন্ত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পঞ্চগড়ে স্বামীকে হ-ত্যা-র অভিযোগে স্ত্রীরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মা ম লা

আপডেট সময় : ০৩:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫

পঞ্চগড়ে স্বামীকে হ-ত্যা-র অভিযোগে স্ত্রীরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মা ম লা

পঞ্চগড়ে স্বামী হত্যার অভিযোগে স্ত্রী ও তার ভাই, বোনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। রবিবার পঞ্চগড় সদর থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন ভিকটিম মোস্তফিজুর রহমান দুলাল (৩৫) এর মা মর্জিনা বেওয়া।তিনি সদর উপজেলার তুলারডাঙ্গা এলাকার মৃত আফাজ উদ্দিনের স্ত্রী। আসামীরা হলেন, মৃত মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী ফেরদৌসি আক্তার জবা (৩০), তার ভাই তানভির হোসেন তনি (৩৫), ফাইজা আক্তার (২৩) তারা সদর উপজেলার মিলগেট ইসলামপুর এলাকার মৃত আব্দুল জলিলের সন্তান।

ওই মামলা সুত্রে জানা যায়,মোস্তাফিজুর রহমান দুলাল (৩৫) এর সাথে আসামীর প্রায় ১১ বছর পূর্বে বিয়ে হয়। তাদের ঔরশে দুই কন্যা সন্তানের জন্ম হয়।একজনের বয়স ১০,অপরজনের দুই বছর।বিয়ের পর দুলাল শশুর বাড়ির পাশে জায়গা নিয়ে বাড়ি করে সংসার করছিল।আসামীরা দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকে। বেশ কয়েকবার বিচার শালিশও হয় বিষয়টি।১৮ জুলাই শুক্রবার ঘটনার দিন সকালে এজাহারভুক্ত আসামীসহ অজ্ঞাত নামা ৫/৭ জন হাতে লোহার রড, বাঁশের লাঠি নিয়ে দুলাল এর বাড়ীতে গিয়ে মারপিট করে।যার ফলে দুলালের মুখে, বুকে, পেটে, পায়ে, বাম হাতে, কাঁধে ও থুতনিতে কালশিরা আঘাতের দাগ রয়েছে এবং গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।অবস্থা বেগতিক হলে আত্মহত্যার অপবাদ দিয়ে, আসামীরা পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়, কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থা খারাপ দেখে দ্রুত রংপুর মেডিকেলে রেফার্ড করেন। রংপুরে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসক তাকে ভর্তি করে, আই.সি.ইউ-তে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ১৯ জুলাই দিবাগত রাত ১২.৪০ মিনিটে মৃত্যু হয়।মৃত্যুর খবর শুনে আসামীরা আত্মগোপনে রয়েছে।মামলার বাদী নির্যাতনসহ মারধর করার ফলে ছেলের মৃত্যু হওয়ায় বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে আসামীগণের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন।

জানা যায়, অভিযুক্ত মোছা,ফেরদৌসি আক্তার জবা পঞ্চগড় সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের স্টোর কিপার এবং তানভির হোসেন তনি সদর হাসপাতালের ইসিজি টেকনিশিয়ান পদে কর্মরত রয়েছেন।হত্যার বিষয়টি জানার জন্য একাধিকবার ফেরদৌসি আক্তার জবার মুঠোফোনে কল দিলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
মামলার দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে পঞ্চগড় সদর থানার উপ-পরিদর্শক তৈয়ব আলী সরকার জানান, লাশ রংপুরে ময়নাতদন্ত হচ্ছে।