ঢাকা ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নর-সুন্দর শ্রমিক ইউনিয়নে সভাপতি পদে দুই সহোদর ভাইয়ের লড়াই গোদাগাড়ীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত লোকসানের ধাক্কায় রাজশাহীতে বন্ধ হচ্ছে পোলট্রি খামার পঞ্চগড়ে তিনদিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ শুরু নাটোরে শিল্পপতির একমাত্র ছেলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত, দাফন সম্পূর্ণ ঝিনাইগাতীতে ‘পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত বড়াইগ্রামে সংযোগের দুই দিনের মাথায় ৩ ট্রান্সফরমার চুরি, সেচ সংকটে বড়াইগ্রামের কৃষক সিংড়ায় বালুবোঝাই ট্রাকের পেছনে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ এগ্রো’র কর্মচারীর মৃত্যু, চালক আহত রায়গঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার গাড়ি পঞ্চগড়ে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সারওয়ার বকুল গ্রেপ্তার

পঞ্চগড়ে প্রগেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্সের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়:
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ২৮৭ বার পড়া হয়েছে

Collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড়ে প্রগেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্সের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

১২ বছরে জমা প্রায় ৪৮ হাজার টাকা ফেরত না পেয়ে ভুক্তভোগীর অভিযোগ, উল্টো টাকা দাবি

পঞ্চগড়ে প্রগেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির এক শাখা ম্যানেজারের বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী একরাম আলী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে প্রগেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্স পঞ্চগড় শাখার ম্যানেজার বেলাল হোসেন ও মাঠকর্মী সাইদুর রহমানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগকারী একরাম আলীর গ্রাহক সদস্য নম্বর ০৫২৬৫৯৯-৩।

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, একরাম আলী ২০১০ সালের ৯ জানুয়ারি প্রগেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্সের সদস্য হন। বীমার শর্ত অনুযায়ী তিনি প্রতি বছর ৩,৯৯৪ টাকা করে ১২ বছরে মোট ৪৭,৯২৪ টাকা জমা দেন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মেয়াদ শেষে জমাকৃত অর্থের দ্বিগুণ ফেরত পাওয়ার কথা ছিল।

অভিযোগকারী জানান, ২০২১ সালের ৯ জানুয়ারি তার বীমার মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর তিনি টাকা উত্তোলনের জন্য অফিসে যোগাযোগ করেন। তবে তখন থেকে নানা অজুহাতে তাকে ঘুরানো হচ্ছে এবং এখনো পর্যন্ত জমাকৃত অর্থ ও লাভের টাকা পরিশোধ করা হয়নি।

সর্বশেষ গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকালে তিনি বীমা অফিসে গিয়ে পাওনা টাকা চাইলে ম্যানেজার বেলাল হোসেন তার কাছে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন একরাম আলী। এতে তিনি বিস্মিত ও হতাশ হয়ে পড়েন।

অভিযোগকারী তার লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে এবং অভিযুক্তরা প্রচলিত আইন ও নীতিমালা লঙ্ঘন করেছেন। তিনি বলেন, “আমি একজন গরিব মানুষ। কষ্ট করে বীমার টাকা জমা দিয়েছি। এখন সেই টাকা না পেয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাঠকর্মী সাইদুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, অভিযোগকারী তার আত্মীয় এবং তিনি নিয়ম মাফিক টাকা জমা দিয়েছেন। সব কাগজপত্র অফিস ও গ্রাহকের কাছে রয়েছে। ম্যানেজার বেলাল হোসেনই টাকা গ্রহণ করেছেন বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে ম্যানেজার বেলাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অসুস্থতার কথা জানিয়ে বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। সদস্য নম্বর দিলে খোঁজ নিয়ে জানাতে পারব।”

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পঞ্চগড়ে প্রগেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্সের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:০৮:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

পঞ্চগড়ে প্রগেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্সের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

১২ বছরে জমা প্রায় ৪৮ হাজার টাকা ফেরত না পেয়ে ভুক্তভোগীর অভিযোগ, উল্টো টাকা দাবি

পঞ্চগড়ে প্রগেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির এক শাখা ম্যানেজারের বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী একরাম আলী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে প্রগেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্স পঞ্চগড় শাখার ম্যানেজার বেলাল হোসেন ও মাঠকর্মী সাইদুর রহমানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগকারী একরাম আলীর গ্রাহক সদস্য নম্বর ০৫২৬৫৯৯-৩।

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, একরাম আলী ২০১০ সালের ৯ জানুয়ারি প্রগেসিভ লাইফ ইন্সুরেন্সের সদস্য হন। বীমার শর্ত অনুযায়ী তিনি প্রতি বছর ৩,৯৯৪ টাকা করে ১২ বছরে মোট ৪৭,৯২৪ টাকা জমা দেন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মেয়াদ শেষে জমাকৃত অর্থের দ্বিগুণ ফেরত পাওয়ার কথা ছিল।

অভিযোগকারী জানান, ২০২১ সালের ৯ জানুয়ারি তার বীমার মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর তিনি টাকা উত্তোলনের জন্য অফিসে যোগাযোগ করেন। তবে তখন থেকে নানা অজুহাতে তাকে ঘুরানো হচ্ছে এবং এখনো পর্যন্ত জমাকৃত অর্থ ও লাভের টাকা পরিশোধ করা হয়নি।

সর্বশেষ গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকালে তিনি বীমা অফিসে গিয়ে পাওনা টাকা চাইলে ম্যানেজার বেলাল হোসেন তার কাছে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন একরাম আলী। এতে তিনি বিস্মিত ও হতাশ হয়ে পড়েন।

অভিযোগকারী তার লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে এবং অভিযুক্তরা প্রচলিত আইন ও নীতিমালা লঙ্ঘন করেছেন। তিনি বলেন, “আমি একজন গরিব মানুষ। কষ্ট করে বীমার টাকা জমা দিয়েছি। এখন সেই টাকা না পেয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাঠকর্মী সাইদুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, অভিযোগকারী তার আত্মীয় এবং তিনি নিয়ম মাফিক টাকা জমা দিয়েছেন। সব কাগজপত্র অফিস ও গ্রাহকের কাছে রয়েছে। ম্যানেজার বেলাল হোসেনই টাকা গ্রহণ করেছেন বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে ম্যানেজার বেলাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অসুস্থতার কথা জানিয়ে বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। সদস্য নম্বর দিলে খোঁজ নিয়ে জানাতে পারব।”

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।