ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ক্যান্সার আক্রান্ত নারীকে ধ র্ষ ণ চেষ্টার মামলার পলাতক আসামি ঢাকায় আটক প্রথমবারের মতো রাণীনগরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মান্দায় খালে গোসলের সময় পানিতে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসে বাগাতিপাড়ায় ৩০ লাখ টাকার বেশি ঋণের চেক বিতরণ বাগাতিপাড়ায় একদিনে আওয়ামী লীগের সাবেক তিন নেতা আটক রাণীনগরে এক মঞ্চে সাত কর্মসূচির উদ্বোধন ও বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ লালপুরে নানাবাড়ির পানি নিষ্কাশনের ডোবায় পড়ে শিশু রাফসান’র মৃত্যু রাজশাহীতে কলাবাগান থেকে তিন বস্তা গাঁজা উদ্ধার; জড়িতদের শনাক্তে অভিযান চলছে সিংড়ায় স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে শ্লী/ল/তা/হা/নি/র চেষ্টা, গণ-ধো’লা’ইয়ের পর অটোরিকশাচালককে পুলিশে সোপর্দ

ধর্মগড়-দেবীগঞ্জ চেকপোস্ট কে স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষনা ও চালুর দাবি 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০২২ ২৬৪ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
ধর্মগড়-দেবীগঞ্জ চেকপোস্ট কে স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষনা ও চালুর দাবি 
নাজমুল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ধর্মগড়-দেবীগঞ্জ চেকপোস্ট কে স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষনা ও চালুর দাবি। ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার অধীনে ১নং ধর্মগড় ইউনিয়নের শেষ সীমান্তে রয়েছে চেকপোষ্ট বাজার। এই ইউনিয়নের সীমান্ত ঘেঁষে রয়েছে তীরনই ও নাগর নদীর মোহনা যেটি ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারণের মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে এবং দেশের নিরাপত্তার জন্য রয়েছে অতন্দ্র প্রহরী /বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বিজিবি ক্যাম্প তথা ধর্মগড় সীমান্ত ফাঁড়ী ও জগদল সীমান্ত ফাঁড়ী।
১ নং ধর্মগড় ইউনিয়নে ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার অধীনে এই ইউনিয়নের শেষ সীমান্তে এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যর উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপুকুর থানার দেবীগঞ্জ পয়েন্টে শুল্কবন্দর/চেকপোষ্ট স্থাপন করা হয়,ইতিপূর্বে  যার নাম দেওয়া হয় ধর্মগড়-দেবীগঞ্জ চেকপোস্ট সীমান্ত। সেই সময়ে এই এলাকা দিয়ে বাংলাদেশের অনেক মানুষ ব্যবসা, বানিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা এবং পারস্পরিক আত্মীয়তার সম্পর্কে ভারতে যাতায়াত করে অনেক সুবিধা পেত। পরর্বতীতে, ১৯৬৫ সালে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার ভারত বিদ্বেষী হওয়ার কারনে সম্ভাবনাময়ী এই চেকপোস্টকে ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে বন্ধ করে দেয়। এই ভাবে চেকপোস্ট বন্ধ করার কারণে ভারতে অবস্থানরত অত্র এলাকার অনেকের নিকট আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা সাক্ষাৎ চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। অপরদিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জীবন রক্ষার কারণে ভারতীয় শরনার্থী শিবিরে অত্র এলাকার অনেক মানুষকে আশ্রয় নিতে হয় এবং পরে বাংলাদেশে ফিরতে পারেননি, যদিও প্রতি বছরে বৈশাখ মাসে ভারত ও বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে অত্র এলাকায় উন্মুক্ত মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সেটা অনেকের জন্য দূরূহ বিষয়। অনেক পিতা মাতার সন্তান ভারতের মাটিতে মৃত্যু বরণ করার কারনে তাদের সেখানে দাফন করা হয়। কিন্তু স্থলবন্দর বন্ধ থাকার কারণে ভারতে কবর জিয়ারত করা সম্ভব হচ্ছে না। যদি পূর্বের চেকপোষ্টটির জায়গায় নতুন করে স্থলবন্দর চালু করা হয়, তবে আমাদের দেশের মানুষের ব্যবসা-বানিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসার সহ অর্থনৈতিক অনেক সুব্যবস্থা হবে এবং উভয় দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হবে। অত্র এলাকাটি কৃষি প্রধান হওয়ার কারনে উৎপাদিত অনেক কৃষি পন্য সল্প খরচে ভারতে রপ্তানি করতে সক্ষম হবে।
যেহেতু ঠাকুরগাঁও জেলাটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি জেলা এবং এ জেলায় বর্তমানে দিনে দিনে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ জেলাটি কৃষি ভিত্তিক হওয়ায় প্রচুর পরিমানে সকল ধরণের কৃষি পণ্য উৎপাদিত হয় যা পাশ্ববর্তী দেশে রপ্তানী করে প্রচুর বৈদেশিক অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। কিন্তু নিকটবর্তী কোন স্থলবন্দর না থাকায় তা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে এ জেলাটি রাজধানী ঢাকা হতে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হওয়ায় ভারত হতে আমদানী যোগ্য পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। অর্থ্যাৎ, এ এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ রয়েছে। তাই বন্ধ চেকপোস্টটি পুনরায় চালু এবং স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষনা করলে এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টিসহ এলাকার ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে মানুষের জীবন-মান উন্নত হবে এবং দেশের উন্নয়ন ঘটবে বলে মনে করছেন স্থানীয় জনসাধারণ।
সরেজমিনে জানা যায় যে, ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের সময় এই চেকপোস্ট/শুল্ক বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্বাধীনতার পরে বিভিন্ন সময়ে এই বন্দর চালু করার কথা থাকলেও কার্যক্রম থমকে যায়। গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে এই স্থলবন্দর বাস্তবায়নের দাবিতে সুশীল সমাজ উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে।স্থলবন্দর টি চালু করতে এরই মধ্যে এলাকার জন প্রতিনিধি সহ সুধীজনদের নিয়ে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা মন্ডলী এবং ১৩১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী সদস্যর সমন্বয়ে ধর্মগড়-দেবীগঞ্জ স্থলবন্দর বাস্তবায়ন সম্পর্কিত একটি কমিটি গঠিত হয় । গঠিত কমিটির  সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট মোঃ মেহেদী হাসান এবং ঠাকুরগাঁও চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ড্রাট্রিজ (টিসিসিআই) এর পরিচালক শাহরিয়ার মাহবুব শাওন যৌথভাবে বিগত ২৩.০৬.২০২২ইং তারিখে নৌ- পরিবহন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সহ র্সবমোট ৮টি সরকারি প্রতিষ্ঠানে ধর্মগড়-দেবীগঞ্জ চেকপোস্ট/স্থলবন্দর অবস্থান সম্পর্কিত খসড়া ম্যাপ, স্যাটেলাইট ম্যাপের ধারনকৃত ছবি, নদী ও রাস্তা সমূহের দূরত্বের কাগজাদি সহ ফাইল আকারে আবেদন প্রেরণ করনে।
স্থলবন্দর চালুর বিষয়ে ধর্মগড়-দেবীগঞ্জ স্থলবন্দর বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট মোঃ মেহেদী হাসান জানান যে, স্থল বন্দর বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ফাইল পাঠানো হয়ছেে এবং খুব শীর্ঘই পুনরায় ফাইল পাঠানো হব। এই বন্দর চালু হলে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিও মঙ্গা কাটিয়ে চাঙা হবে। যেহেতু এই এলাকাটি থেকে ভারতের দূরত্ব খুব কাছে এবং শেষ সীমানা পর্যন্ত পাকা রাস্তা রয়েছে এবং নিরাপত্তার দিক থেকে অনেক দৃঢ় ও যাতায়াত-যোগাযোগের মাধ্যম অনেক সহজ, সেহেতু বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০১ এর ৩ ধারা ও কাস্টমস আইন, ১৯৬৯ এর ৯ ধারা তৎসহ যথাযথ আইনের বিধানাবলির প্রয়োগের মাধ্যমে পুনরায় যদি চেকপোস্ট চালুসহ স্থল বন্দর ঘোষনা করা হয় তবে বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব খাতে যেমন আয় বাড়বে, তেমনি আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ শির উঁচু করে দাঁড়াবে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধর্মগড়-দেবীগঞ্জ চেকপোস্ট কে স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষনা ও চালুর দাবি 

আপডেট সময় : ০১:০৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০২২
ধর্মগড়-দেবীগঞ্জ চেকপোস্ট কে স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষনা ও চালুর দাবি 
নাজমুল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ধর্মগড়-দেবীগঞ্জ চেকপোস্ট কে স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষনা ও চালুর দাবি। ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার অধীনে ১নং ধর্মগড় ইউনিয়নের শেষ সীমান্তে রয়েছে চেকপোষ্ট বাজার। এই ইউনিয়নের সীমান্ত ঘেঁষে রয়েছে তীরনই ও নাগর নদীর মোহনা যেটি ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারণের মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে এবং দেশের নিরাপত্তার জন্য রয়েছে অতন্দ্র প্রহরী /বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বিজিবি ক্যাম্প তথা ধর্মগড় সীমান্ত ফাঁড়ী ও জগদল সীমান্ত ফাঁড়ী।
১ নং ধর্মগড় ইউনিয়নে ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার অধীনে এই ইউনিয়নের শেষ সীমান্তে এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যর উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপুকুর থানার দেবীগঞ্জ পয়েন্টে শুল্কবন্দর/চেকপোষ্ট স্থাপন করা হয়,ইতিপূর্বে  যার নাম দেওয়া হয় ধর্মগড়-দেবীগঞ্জ চেকপোস্ট সীমান্ত। সেই সময়ে এই এলাকা দিয়ে বাংলাদেশের অনেক মানুষ ব্যবসা, বানিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা এবং পারস্পরিক আত্মীয়তার সম্পর্কে ভারতে যাতায়াত করে অনেক সুবিধা পেত। পরর্বতীতে, ১৯৬৫ সালে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার ভারত বিদ্বেষী হওয়ার কারনে সম্ভাবনাময়ী এই চেকপোস্টকে ষড়যন্ত্রমুলক ভাবে বন্ধ করে দেয়। এই ভাবে চেকপোস্ট বন্ধ করার কারণে ভারতে অবস্থানরত অত্র এলাকার অনেকের নিকট আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা সাক্ষাৎ চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। অপরদিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জীবন রক্ষার কারণে ভারতীয় শরনার্থী শিবিরে অত্র এলাকার অনেক মানুষকে আশ্রয় নিতে হয় এবং পরে বাংলাদেশে ফিরতে পারেননি, যদিও প্রতি বছরে বৈশাখ মাসে ভারত ও বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে অত্র এলাকায় উন্মুক্ত মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সেটা অনেকের জন্য দূরূহ বিষয়। অনেক পিতা মাতার সন্তান ভারতের মাটিতে মৃত্যু বরণ করার কারনে তাদের সেখানে দাফন করা হয়। কিন্তু স্থলবন্দর বন্ধ থাকার কারণে ভারতে কবর জিয়ারত করা সম্ভব হচ্ছে না। যদি পূর্বের চেকপোষ্টটির জায়গায় নতুন করে স্থলবন্দর চালু করা হয়, তবে আমাদের দেশের মানুষের ব্যবসা-বানিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসার সহ অর্থনৈতিক অনেক সুব্যবস্থা হবে এবং উভয় দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হবে। অত্র এলাকাটি কৃষি প্রধান হওয়ার কারনে উৎপাদিত অনেক কৃষি পন্য সল্প খরচে ভারতে রপ্তানি করতে সক্ষম হবে।
যেহেতু ঠাকুরগাঁও জেলাটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি জেলা এবং এ জেলায় বর্তমানে দিনে দিনে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ জেলাটি কৃষি ভিত্তিক হওয়ায় প্রচুর পরিমানে সকল ধরণের কৃষি পণ্য উৎপাদিত হয় যা পাশ্ববর্তী দেশে রপ্তানী করে প্রচুর বৈদেশিক অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। কিন্তু নিকটবর্তী কোন স্থলবন্দর না থাকায় তা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে এ জেলাটি রাজধানী ঢাকা হতে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হওয়ায় ভারত হতে আমদানী যোগ্য পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। অর্থ্যাৎ, এ এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ রয়েছে। তাই বন্ধ চেকপোস্টটি পুনরায় চালু এবং স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষনা করলে এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টিসহ এলাকার ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে মানুষের জীবন-মান উন্নত হবে এবং দেশের উন্নয়ন ঘটবে বলে মনে করছেন স্থানীয় জনসাধারণ।
সরেজমিনে জানা যায় যে, ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের সময় এই চেকপোস্ট/শুল্ক বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্বাধীনতার পরে বিভিন্ন সময়ে এই বন্দর চালু করার কথা থাকলেও কার্যক্রম থমকে যায়। গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে এই স্থলবন্দর বাস্তবায়নের দাবিতে সুশীল সমাজ উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে।স্থলবন্দর টি চালু করতে এরই মধ্যে এলাকার জন প্রতিনিধি সহ সুধীজনদের নিয়ে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা মন্ডলী এবং ১৩১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী সদস্যর সমন্বয়ে ধর্মগড়-দেবীগঞ্জ স্থলবন্দর বাস্তবায়ন সম্পর্কিত একটি কমিটি গঠিত হয় । গঠিত কমিটির  সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট মোঃ মেহেদী হাসান এবং ঠাকুরগাঁও চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ড্রাট্রিজ (টিসিসিআই) এর পরিচালক শাহরিয়ার মাহবুব শাওন যৌথভাবে বিগত ২৩.০৬.২০২২ইং তারিখে নৌ- পরিবহন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ সহ র্সবমোট ৮টি সরকারি প্রতিষ্ঠানে ধর্মগড়-দেবীগঞ্জ চেকপোস্ট/স্থলবন্দর অবস্থান সম্পর্কিত খসড়া ম্যাপ, স্যাটেলাইট ম্যাপের ধারনকৃত ছবি, নদী ও রাস্তা সমূহের দূরত্বের কাগজাদি সহ ফাইল আকারে আবেদন প্রেরণ করনে।
স্থলবন্দর চালুর বিষয়ে ধর্মগড়-দেবীগঞ্জ স্থলবন্দর বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট মোঃ মেহেদী হাসান জানান যে, স্থল বন্দর বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ফাইল পাঠানো হয়ছেে এবং খুব শীর্ঘই পুনরায় ফাইল পাঠানো হব। এই বন্দর চালু হলে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিও মঙ্গা কাটিয়ে চাঙা হবে। যেহেতু এই এলাকাটি থেকে ভারতের দূরত্ব খুব কাছে এবং শেষ সীমানা পর্যন্ত পাকা রাস্তা রয়েছে এবং নিরাপত্তার দিক থেকে অনেক দৃঢ় ও যাতায়াত-যোগাযোগের মাধ্যম অনেক সহজ, সেহেতু বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০১ এর ৩ ধারা ও কাস্টমস আইন, ১৯৬৯ এর ৯ ধারা তৎসহ যথাযথ আইনের বিধানাবলির প্রয়োগের মাধ্যমে পুনরায় যদি চেকপোস্ট চালুসহ স্থল বন্দর ঘোষনা করা হয় তবে বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব খাতে যেমন আয় বাড়বে, তেমনি আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ শির উঁচু করে দাঁড়াবে