ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ক্যান্সার আক্রান্ত নারীকে ধ র্ষ ণ চেষ্টার মামলার পলাতক আসামি ঢাকায় আটক প্রথমবারের মতো রাণীনগরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মান্দায় খালে গোসলের সময় পানিতে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসে বাগাতিপাড়ায় ৩০ লাখ টাকার বেশি ঋণের চেক বিতরণ বাগাতিপাড়ায় একদিনে আওয়ামী লীগের সাবেক তিন নেতা আটক রাণীনগরে এক মঞ্চে সাত কর্মসূচির উদ্বোধন ও বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ লালপুরে নানাবাড়ির পানি নিষ্কাশনের ডোবায় পড়ে শিশু রাফসান’র মৃত্যু রাজশাহীতে কলাবাগান থেকে তিন বস্তা গাঁজা উদ্ধার; জড়িতদের শনাক্তে অভিযান চলছে সিংড়ায় স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে শ্লী/ল/তা/হা/নি/র চেষ্টা, গণ-ধো’লা’ইয়ের পর অটোরিকশাচালককে পুলিশে সোপর্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২ ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

প্রতীকী ছবি

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন!

নিজস্ব প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোঃ সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরি (৪৮) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার (৩১আগস্ট) দুপুরে ঠাকুরগাঁও অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ গাজী দেলোয়ার হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি মোঃ সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরী সদরের ধর্মপুর ভদ্রপাড়া এলাকার মৃত মর্তেজা আলী চৌধুরীর ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ্যাড. হামিদ বলেন এ রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামি মো. সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরী দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ১৮৬০ এর ইউ/এস ৩০২ ধারা অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে অতিরিক্ত এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।

মামলার বিবরণে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরী ও তার চাচাতো ভাই জফিকুল ইসলামের সাথে জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলছিল। এনিয়ে তাদের পরিবারের মধ্যে কয়েক দফায় ঝগড়া ও মারামারি হয়। গত ২০০৬ সালের ১৯ আগস্ট জফিকুল ইসলাম স্থানীয় বাজারে গেলে নিখোঁজ হন। পরে অনেক খোঁজা খুঁজির দুই দিন পর অর্থাৎ ২০০৬ সালের ২১ আগস্ট বাড়ির পাশে টাঙ্গন নদীর চরে বালুতে মানুষের হাত দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন সেখানে গিয়ে দেখে জফিকুল ইসলামকে মেরে বালুর নিচে পুতে রাখা হয়েছে। পরে সেখান থেকে জফিকুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে ২০০৬ সালের ২৫ আগস্টে সদর থানায় জফিকুল ইসলামের ভাই মুকুল চৌধুরী বাদি হয়ে মো. সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরীকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের নামে মামলা করেন।
তৎকালিন সদর থানার এস আই রেজাউল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে তিন জনের বিরুদ্ধে ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় তদন্ত প্রতিবেদন ২০০৬ সালের ২৫ নভেম্বর আদালতে জমা দেন।

সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রায় ১৬ বছর পরে ৩১ আগস্ট বুধবার দুপুরে আদালত মামলার প্রধান আসামি সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ২ নং আসামী দুলাল হোসেন মামলা চলাকালিন মারা যায় ও ৩ নং আসামি সাদেকুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস প্রদান করেন এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন!

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২

ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন!

নিজস্ব প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁওয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোঃ সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরি (৪৮) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার (৩১আগস্ট) দুপুরে ঠাকুরগাঁও অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ গাজী দেলোয়ার হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি মোঃ সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরী সদরের ধর্মপুর ভদ্রপাড়া এলাকার মৃত মর্তেজা আলী চৌধুরীর ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ্যাড. হামিদ বলেন এ রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মামলার প্রধান আসামি মো. সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরী দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ১৮৬০ এর ইউ/এস ৩০২ ধারা অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে অতিরিক্ত এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।

মামলার বিবরণে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরী ও তার চাচাতো ভাই জফিকুল ইসলামের সাথে জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলছিল। এনিয়ে তাদের পরিবারের মধ্যে কয়েক দফায় ঝগড়া ও মারামারি হয়। গত ২০০৬ সালের ১৯ আগস্ট জফিকুল ইসলাম স্থানীয় বাজারে গেলে নিখোঁজ হন। পরে অনেক খোঁজা খুঁজির দুই দিন পর অর্থাৎ ২০০৬ সালের ২১ আগস্ট বাড়ির পাশে টাঙ্গন নদীর চরে বালুতে মানুষের হাত দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন সেখানে গিয়ে দেখে জফিকুল ইসলামকে মেরে বালুর নিচে পুতে রাখা হয়েছে। পরে সেখান থেকে জফিকুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে ২০০৬ সালের ২৫ আগস্টে সদর থানায় জফিকুল ইসলামের ভাই মুকুল চৌধুরী বাদি হয়ে মো. সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরীকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের নামে মামলা করেন।
তৎকালিন সদর থানার এস আই রেজাউল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে তিন জনের বিরুদ্ধে ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় তদন্ত প্রতিবেদন ২০০৬ সালের ২৫ নভেম্বর আদালতে জমা দেন।

সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রায় ১৬ বছর পরে ৩১ আগস্ট বুধবার দুপুরে আদালত মামলার প্রধান আসামি সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ২ নং আসামী দুলাল হোসেন মামলা চলাকালিন মারা যায় ও ৩ নং আসামি সাদেকুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস প্রদান করেন এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি সিদ্দিকুল ইসলাম চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।