চাটমোহরে লাশ দাহে বাধা: পাওনাদারের দাবিতে এক ঘণ্টা আটকে রাখা হয় খাটিয়া
- আপডেট সময় : ০১:১৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫ ২০৮ বার পড়া হয়েছে

চাটমোহরে লাশ দাহে বাধা: পাওনাদারের দাবিতে এক ঘণ্টা আটকে রাখা হয় খাটিয়া
পাবনার চাটমোহরে এক ব্যক্তির লাশ দাহ করতে বাধা দিয়েছেন পাওনাদাররা। অভিযোগ করা হয়েছে, মৃত ব্যক্তির ভাতিজার কাছ থেকে পাওনা টাকা না পাওয়ায় পাওনাদাররা লাশ বহনকারী খাটিয়াটিই আটকিয়ে রাখেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে এক ঘণ্টা পর লাশ দাহ করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের বোথর গ্রামে।
নিহত ব্যক্তি হলেন ওই গ্রামের প্রয়াত নিত্তি ব্যবসায়ী বসন্ত দাসের ছেলে কার্ত্তিক চন্দ্র দাস দুলাল (৬৯)। তিনি বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতে মারা যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে কার্ত্তিক দাসের লাশ দাহের প্রস্তুতি চলছিল। এসময় তার ভাতিজা রিপন কুমার দাসের পাওনাদার দাবি করে ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা এলাকার পান্না সরকারসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে এসে দাবি তোলেন- টাকা পরিশোধ না করলে লাশ দাহ করতে দেওয়া হবে না। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিষয়টি থানায় জানানো হয়।
চাটমোহর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মঞ্জুরুল আলম ঘটনাস্থলে গিয়ে পাওনাদারদের সমঝোতার আশ্বাস দিলে এক ঘণ্টা পর চাটমোহর মহাশ্মশানে নিয়ে গিয়ে লাশ দাহ করা হয়।
রিপনের কর্মচারী কনক জানান, “পান্না, দায়েন ও শফির সঙ্গে রিপন কাকার চাউলের ব্যবসা ছিল। সে কারণে ব্যাংকের সাদা চেক দেওয়া হয়েছিল। আমাদের খাতার হিসাবে তারা ৬ লাখ টাকার মতো পাবে, কিন্তু তারা ২০ লাখ টাকা দাবি করছে।”
তিনি আরও বলেন, “রিপন কাকা কার্ত্তিক দাদুর কাছ থেকে ৩৯ লাখ টাকা নিয়ে ব্যবসা গুটিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়।”
এ বিষয়ে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী অশোক চক্রবর্তী বলেন, “রিপন কুমার দাসের চাউলের ব্যবসা ছিল, সেই সুবাদে তার লেনদেন থাকতে পারে।
তবে মৃত কার্ত্তিক দাসের সঙ্গে পান্না গংদের কোনো আর্থিক লেনদেন ছিল না।”
পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


















