বাগাতিপাড়ায় নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
- আপডেট সময় : ০১:৫০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

বাগাতিপাড়ায় নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ; উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ
সারা দেশের মতো নাটোরের বাগাতিপাড়ায়ও নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের বড়াল সভাকক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামসুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইশরাত জাহান পিয়া, বাগাতিপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন চন্দ্র দাস, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন, সাবেক সদস্যসচিব হাফিজুর রহমান, বাগাতিপাড়া পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম জামাল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি রশিদ চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সৈকত মো. রেজওয়ানুল হক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ভবসিন্ধু রায় এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রোকনুজ্জামান।
বক্তারা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে। এ সময় জিয়াউর রহমানকে ক্যান্টনমেন্ট থেকে মুক্ত করার ঘটনাও আলোচনায় উঠে আসে। বক্তারা ওই ঘটনাকে দেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সরকারি দপ্তরের প্রধান, সাংবাদিক, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
দিবসটি উপলক্ষে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা, প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ, দেশাত্মবোধক গানের আয়োজন, বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং হাসপাতাল ও এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।





















